প্রতিটি টপিক পড়ার জন্য প্লাস “+” আইকনে এবং লুকানোর জন্য মাইনাস “” আইকনে ক্লিক করুন। 

বাঙ্গালী জাতির পরিচয় কি?উঃ শংকর জাতি হিসেবে।
বাংলা ভুমি খন্ডের প্রাচীন জনপদগুলোর নাম কি কি?উঃ গৌড় -(পুন্ড্রু, বরেন্দ্রীয়, রাঢ়), 
সুহ্ম-(তাম্র, লিপ্পি, সমতট), বঙ্গ-(বঙ্গাল, হরিকেল)
রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ কয়টি জনপদে বিভিক্ত ছিল?উঃ ৩টি । যথাঃ পুন্ড্রু, গৌড়, বঙ্গ।
প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায়?উঃ বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।
দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় ?উঃ মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।
সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বঙ্গদেশ কি নামে পরিচিতি ছিল ?উঃ সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে।
Bengal এবং Bangla কোন শব্দের রুপান্তর?উঃ ফারসী ‘বাঙ্গালহ্’ শব্দের।
কোন গ্রন্থে বাংলা শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছে?উঃ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে।
সমগ্র বাংলাদেশ ‘বঙ্গ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে?উঃ পাঠান আমলে।
প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝায়?উঃ আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।
আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে?উঃ ২০০০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।
আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল?উঃ অনার্যদের
চীনা পরিব্রাজক হিউ-এন-স্যঙ কবে বাংলায় আগমন করেন ?উঃ সপ্তম শতকে।
বাংলার শাসন পদ্ধতি সুষ্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায় কোন যুগে ?উঃ গুপ্ত যুগে।
কোন সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে ?উঃ সম্রাট অশোকের আমলে।
প্রাচীন সভ্যতার অভ্যুদয় ঘটে কোথায়?উঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ।
প্রাচীন বাংলাদেশে কয়টি জনপদ বিভক্ত ছিল ?উঃ তিনটি জনপদে।
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ?উঃ বেদ।
বৈদিক যুগের শিক্ষার ভাষা কি ছিল ?উঃ সংস্কৃত।
বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর কোন ভাষাভাষা ছিল ?উঃ অষ্ট্রিক।
সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের?উঃ তাম্র যুগের।
সিন্ধু সভ্যতা কখন আবিস্কার হয়?উঃ ১৯২২ সালে।
গৌতম বুদ্ধের জন্ম স্থান কোথায়?উঃ লুম্বিনী (নেপাল)।

 

প্রাচীন ভারতের সর্বপ্রথম সর্বভারতীয় সম্রাট কে ?উঃ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
সর্বশেষ মৌর্য সম্রাট কে?উঃ বৃহদ্রথ।
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কি ছিল?উঃ বিক্রামাদিত্য।
চীনা বৌদ্ধ পন্ডিত হিউয়েন সাঙ ভারতে আসেন কোন রাজার আমলে ?উঃ হর্যবর্ধন।
ভারত বর্ষ থেকে কোন রাজন্য গ্রীকদের বিতাড়িত করেন ?উঃ মৌর্য সাম্রােেজ্যর প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত।
চন্দ্রগুপ্ত কোন বংশের রাজাকে পরাজিত করে মগধ্ দখল করেন?উঃ নন্দবংশের শেষ রাজাকে।
ইন্ডিকা (Indika) নামক বিবরনমুলক গ্রন্থের লেখক কে?উঃ মেগাস্থিনিস।
‘অর্থশাস্ত্র’ গ্রন্থটির লেখক কে ?উঃ কৌটিল্য।
কৌটিল্য আসলে কে কে?উঃ চন্দ্রগুপ্তের প্রধান পরামর্শদাতা ও সাহায্যকারী চানক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত।
মৌর্য সাম্রাট অশোক কার পুত্র ?উঃ বিন্দু সারের।
অশোক কলিঙ্গ জয়ে বের হন কত খ্রিষ্ট পূর্বাব্দে ?উঃ ২৬০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে।
মৌর্য যুগে বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী কোথায় ছিল?উঃ পুন্ডনগর।

 

গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত) ।
গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয়?উঃ ৩২০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।
গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ কয়টি ছিল?উঃ দুটি
গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?উঃ সমুদ্রগুপ্ত।
বিক্রমাদিত্য কার উপাধী ছিল?উঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
অজান্তার গুহাচিত্র কোন যুগের সৃস্টি?উঃ গুপ্তযুগের।
কোন সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হত?উঃ সমুদ্রগুপ্তকে।
সর্ব প্রথম কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন?উঃ ফা-ইয়েন।
ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমন করেন ?উঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমনের কারণ কি ছিল?উঃ বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক ‘বিনায়াপিটক’ এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।
ফা-হিয়েন কত বছর ভারতবর্ষে অবস্থান করেন?উঃ তিন বছর।
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে কখন?উঃ স্কন্দগুপ্তের বিক্রমাদিত্যের জীবনাবসনে।
গুপ্ত বংশের রাজত্বকাল স্থায়ী হয়েছিল?উঃ ৩২০-৫৫০ খ্রিঃ
গুপ্ত বংশের মধ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন ?উঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।
১ম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কি ছিল?উঃ রাজাধিরাজ।
সমূদ্রগুপ্ত কখন সিংহাসনে আরোহন করেছিল?উঃ ৩৩৫ খ্রিঃ।
সমূদ্রগুপ্ত কত বছর রাজ্য শাসন করেন?উঃ ৪৫ বছর (৩৮০ খ্রিঃ পর্যন্তু)।
সমূদ্রগুপ্তের পিতা কে ছিলেন?উঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।
মহাকবি কালিদাস কোন রাজার সভাকবি ছিলেন?উঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত।
২য় চন্দ্রগুপ্ত-এর রাজত্বকাল ছিল?উঃ ৩৮০-৪১৩ খ্রিঃ
কখন সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন?উঃ খ্রীস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।
আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক কে ছিলেন?উঃ এরিস্টটল।

 

কে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?উঃ শশাঙ্ক।
গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ৬০৬ সালে।
গৌড় রাজ্যের রাজধানীর নাম কি ছিল?উঃ কর্ণসুবর্ণ
কে গৌড়ের স্বাধীন নরপতি ছিলেন?উঃ শশাঙ্ক।
গৌড় বংশের শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন?উঃ শশাঙ্ক।
শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?উঃ কর্ণসুবর্ণ।
শশাঙ্কের উপাধি কি ছিল?উঃ মহাসামন্ত।
হিউয়েন সাঙ কাকে বৌদ্ধধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে অবিহিত করেছেন?উঃ শশাংঙ্ককে।
শশাঙ্কের পর গৌড় রাজ্য কে দখল করেন?উঃ হর্ষবর্ধন।
আবররা কখন সিন্ধু আক্রমন করে?উঃ ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে।

 

পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ গোপাল।
গোপালের রাজত্বকাল কত ছিল?উঃ ৭৫০ থেকে ৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ২০ বছর।
পাল বংশের রাজাগণ বাংলায় কত বছর রাজত্ব করেছেন?উঃ প্রায় চারশ বছর।
পাল রাজারা কোন ধর্মালম্বী ছিলেন?উঃ বৌদ্ধ।
বাংলার দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ কোনটি?উঃ পাল বংশ।
পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?উঃ ধর্মপাল।
গোপালের পরে কে বঙ্গ দেশের সিংহাসনে আসীন হন?উঃ ধর্মপাল।
ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মপ্রসারে কোন মন্দির স্থাপন করেন?উঃ ১০৭ মন্দির সম্পন্ন বিক্রমশীলা বৌদ্ধ বিহার, 
    পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার, ময়নামতি বিহার ইত্যাদি।
ধর্মপালের রাজত্বকাল কত ছিল?উঃ ৭৭০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দে পর্যন্ত ৪০ বছর।
নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত ‘সোমপুর বিহার’ -এর প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ ধর্মপাল।
লৌসেন (Lausen) কে?উঃ রাজা দেবপালের (৮১০-৮৫০ খ্রিঃ) সেনাপতি।
‘উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগ’ বলা হয় কার শাসনামলকে?উঃ দেবপালের।
কবে পাল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে ?উঃ ১১২৪ খ্রিষ্ঠাব্দে।

 

চন্দ্রবংশের শাসনকাল কত শতক পর্যন্তু বিস্তৃত ছিল?উঃ ১০ম- ১১শ শতক।
চন্দ্রবংশের প্রথম শক্তিশালী রাজা কে?উঃ ত্রৈলোক্যচন্দ্র।
ত্রৈলোক্যচন্দ্র আনুমানিক কত সময় রাজত্ব করেছেন?উঃ ৯০০-৯৩০ খ্রিঃ।
রমেশ্বর, পরম ভট্টারক, মহারাজাধিরাজ উপাধী কার ছিল?উঃ শ্রীচন্দ্রের।
শ্রীচন্দ্র কত সময় রাজত্ব করেছেন?উঃ ৯৩০-৯৭৫ খ্রিঃ।

 

বেদ রাজবংশের রাজাদের রাজধানী নাম কি ছিল?উঃ দেবপর্বত।
দেবপর্বত কোথায় অবস্থিত ছিল?উঃ কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের দক্ষিনাংশে।
দেববংশের রাজত্বকাল কখন ছিল বলে অনুমান করা হয়?উঃ ৭৪০-৮৯৯ খ্রিঃ

 

সেন বংশের প্রথম রাজা ও প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ সামন্ত সেন।
সেন রাজাদের পূর্ব পুরুষগণ কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?উঃ দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটক।
কার শাসনামলে বাংলা সর্বপ্রথম এক শাসনাধীন আসে?উঃ বিজয় সেনের।
বিজয় সেনের রাজত্বকাল কোন সময় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল?উঃ ১০৯৮-১১৬০ খ্রিঃ
সেন বংশের সর্বপ্রথম সার্বভৌম রাজা কে?উঃ বিজয় সেন।
সেন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কে?উঃ বিজয় সেন।
বিজয় সেনের দ্বিতীয় রাজধানী কোথায়?উঃ ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে (রামপাল)।
কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক কে?উঃ বল্লাল সেন।
সেন বংশের সর্বশেষ রাজা কে?উঃ লক্ষন সেন।
বাংলার শেষ হিন্দু রাজা কে ছিলেন?উঃ লক্ষন সেন।
সেন রাজাদের মধ্যে গৌড়েশ্বর উপাধী কার ছিল?উঃ লক্ষন সেন।
লক্ষন সেনের রাজধানী কোথায় কোথায় ছিল?উঃ গৌড় ও নদীয়ায়।
সেন বংশের অবসান ঘটে কবে?উঃ ত্রয়োদশ শতকে।
কোন বাঙালী নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাধ্যক্ষ পদ অলংকৃত করেন?উঃ শীলভদ্র।

 

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী কবে নদীয়া আক্রমন করে?উঃ ১২০৪ খ্রিঃ।
কোন শতকে বাংলায় মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ত্রয়োদশ শতকে।
সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমন করে কত বার?উঃ ১৭ বার।
সুলতাল মাহমুদ কোন সালে ভারত আক্রমন করেন?উঃ ১০০০ সালে।
সুলতান মাহমুদ কে ছিলেন?উঃ গজনীর অধিপতি।
মুহম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বীরাজের মধ্যে কোন যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়?উঃ তরাইনের প্রথম যুদ্ধ।
পরিব্রাজক ইবনে বতুতা কার সময়ে দিল্লীতে আসেন?উঃ মুহাম্মদ বিন তুঘলক।
ইবনে বতুতা কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?উঃ উত্তর আফ্রিকার মরক্কো।
পূর্বে বলঘকপুর বা বিদ্রোহের দেশ নামে পরিচিতি ছিল?উঃ বাংলা।
দিল্লীর সিংহাসনে আরোহনকারী প্রথম মুসলমান নারী কে?উঃ সুলতানা রাজিয়া।
সুলতান মাহমুদের সভাকবি কে ছিলেন?উঃ মহা কবি ফেরদৌসি।
নামকরা দার্শনিক ও জ্যের্তিবিদ আল বিরুনী কার রাজ সভায় কর্মরত ছিলেন?উঃ সুলতান মাহমুদের।
ইবনে বতুতা কেন বাংলাদেশকে ‘ধনসম্পদপূণ নরক’ বা ‘দোযখপুর নিয়ামত’ বলেন?উঃ সম্পদের প্রাচুর্য ও প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য।
বাংলার অপরূপ বর্ণনা পাওয়া যায় ইবনে বতুতার কোন গ্রন্থে?উঃ ‘কিতাবুল রেহালা’।
সুলতান মাহমুদ বারবার ভারত আক্রমনের কারন কি ছিল ?উঃ ধনসম্পদ লুট করার জন্য।
দিল্লী হতে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে?উঃ মুহম্মদ বিন তুঘলক।
ভারতে কে সর্বপ্রথম তুর্কী সাম্রাজ্য বিন্তার করেন?উঃ মুহাম্মদ ঘুরী।
ভারতে তুর্কী সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ কুতুবউদ্দিন আইবেক।
কুতুবউদ্দিন আইবেক মৃত্যুবরন করেন কবে?উঃ ১২১০ সালে।
কোন সুলতান ‘সুলতানই আজম’ খেতাবে ভুষিত হন?উঃ সুলতান ইলতুৎমিশ।
দিল্লীর কুতুব মিনার কে নির্মান করেন?উঃ সুলতান কুতুবউদ্দিন-এর সময় নির্মান শুরু 
এবং ইলতুৎমিশের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় সমাপ্ত।
মুহমদ বিন তুঘলক (উলুখ খান) কোন সালে দিল্লীর সিংহাসনে আসীন হয়?উঃ ১৩২৫ সালে।
ইব্রাহীম লোদী সিংহাসনে আরোহন করেন কবে?উঃ ১৫১৭ সালে।
পানি পথের প্রথম যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?উঃ ১৫২৬ সালে।
পানি পথের প্রথম য্দ্ধু কার কার মধ্যে সংঘঠিত হয়?উঃ ইব্রাহিম লোদী ও সম্রাট বাবরের মধ্যে।
কাকে ‘শাহ-ই- বাঙাল’ উপাধিতে ভুষিত করা হয় ?উঃ সমগ্র বাংলার প্রথম সুলতান শামছুদ্দীন ইলিয়াস শাহ।
বাংলার সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন?উঃ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
নাসিরউদ্দিন মাহমুদ কবে বাংলার সিংহাসনে বসেন?উঃ ১৪৪২ সালে।
কে জালাল উদ্দিন মুহম্মদ নাম ধারন করে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন?উঃ রাজা গণেশের ছেলে যদু সেন।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলায় মহাভারত রচিত হয়?উঃ পরাগল খান ও ছুটি খান।
কোন মুসলমান সুলতান সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলার অধিপতি হন ?উঃ ইলিয়াস শাহ।
মালদহের বড় পান্ডু্রয়ার বিখ্যাত আদিনা মসজিদ কে নির্মান করেন?উঃ সিকান্দার শাহ।
গৌড়ের কদম রসুল ও বড় সোনা মসজিদ নির্মান করেন কে ?উঃ নসরত শাহ।
উত্তর আফ্রিকার পর্যটক ইবনে বতুতা পূর্ব বাংলায় কার আমলে এসেছিলেন ?উঃ মুহম্মদ বিন তুঘলক।
কার শাসনামলে পীর খানজাহান আলী খুলনা অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচারে নিয়োজিত হন ?উঃ নাসিরুদ্দীন মুহাম্মদ শাহ।
বাংলার কোন শাসনকর্তার সময় হযরত শাহজালাল (রাঃ) ধর্ম প্রচারে বাংলায় আসেন?উঃ সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ।
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজধানী ছিল কোথায় ?উঃ একডালা।
সুলতানী আমলে লোকেরা বেচাকেনার জন্য ব্যবহার করত ?উঃ রৌপ্য মুদ্রা।
কোন বিজেতা অশ্ববিক্রেতার বেশে নদীয়া আক্রমন করেন ?উঃ বখতিয়ার খলজি।
বখতিয়ার খলজি কোন স্থানে মৃত্যুবরন করেন ?উঃ দেবকোটে।
কতজন সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খলজি বাংলাদেশ জয় করেন ?উঃ ১৭ জন।

 

মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ?উঃ জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর।
বাবরের মৃত্যু পর বাংলার মসনদে কে উপবিষ্ট হন ?উঃ নাসির উদ্দীন মুহম্মদ হুমায়ুন।
কোন যুদ্ধের ফলে বাংলাদেশ মুঘল সাম্রাজ্যের অর্ন্তভুক্তি হয়?উঃ রাজমহলের যুদ্ধে।
লালবাগ কেল্লার সামনের এক গম্বুজওয়ালা কারুকাজ মন্ডিত স্থাপত্য নিদর্শন কি?উঃ পরিবিবির মাজার।
লালবাগে পরিবিবির সমাধিসৌধ কে তৈরী করেন ?উঃ শায়েস্তা খান।
পরিবিবি কে ছিলেন ?উঃ নবাব শায়েস্তার খানের কন্যা।
পরিবিবির আমল নাম কি?উঃ ইরান দুখত।
পরিবিবির মৃত্যু হয় কোন সালে?উঃ ১৬৮৪ সালে।
শায়েস্তা খান কে ছিলেন?উঃ শাহজাহানের প্রধানমন্ত্রী আসক খানের ছেলে।
শায়েস্তা খানের পূর্ন নাম কি?উঃ মির্জা আবু তালেব ওরফে শায়েস্তা খান।
শায়েস্তা খান কোন সালে সুবেদার হয়ে বাংলায় আসেন?উঃ ১৬৬৪ সালে।
শায়েস্তা খান কোন সালে দ্বিতীয়বার ঢাকায় আসেন?উঃ ১৬৮০ সালে।
শায়েস্তা খান মোট কত বছর বাংলায় থাকেন?উঃ মোট ২৪ বছর।
শায়েস্তা খান ঢাকায় কোথায় থাকতেন?উঃ মিডর্ফোড হাসপাতাল প্রাঙ্গনে, বুড়িগঙ্গার তীরে।
কোন সালে সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন ?উঃ ১৬১০ সালে।
কার আমলে লালবাগের শাহী মসজিদ নির্মিত হয় ?উঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম- এর আমলে।
শাহ মোহম্মদ আজম কে ছিলেন?উঃ সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় সন্তান।
শাহ মোহম্মদ আজম কোন সালে লালবাগ দুর্গের কাজ আরম্ভ করেন?উঃ ১৬৭৮ সালে।
শাহ মোহম্মদ আজম প্রথমে লালবাগ কেল্লার নামকরণ করেন?উঃ কিল্লা আওরঙ্গবাদ।
লালবাগ দুর্গ প্রাঙ্গনের দৈর্ঘ্য কত?উঃ পূর্ব-পশ্চিমে ১২০০ ফুট ও উত্তর-দক্ষিণে ৮০০ ফুট।
কাদের রাজত্বকালে বিশ্ব বিখ্যাত মসলিন বস্ত্র তৈরী হত?উঃ মুঘল আমলে।
ঈসা খানের রাজধানী কোথায় ছিল ?উঃ সোনারগাঁয়ে।
রাজস্ব আদায়ের জন্য কে ইজারাদারী প্রথা প্রবর্তন করেন ?উঃ মুর্শিদকুলি খান।
সম্রাট আকবর বাংলা জয় করেন কবে ?উঃ ১৫৭৬ সালে।
কত সালে শাহবাজ খান বাংলার সুবাদার নিযু্‌ক্ত হন ?উঃ ১৮৫৩ সালে।
চট্টগ্রামের নাম ইসলামাবাদ রাখেন কে?উঃ শায়েস্তা খান।
মুঘল সাম্রাজ্যের শৌর্যবীর্যের প্রতীক সম্রাট আকবরের মৃত্যু হয় কোন সালে?উঃ ১৬০৫ সালে।
ইসলাম খান কোথা থেকে ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন?উঃ রাজমহল থেকে।
ঢাকার দোলাই খাল কে খনন করেন?উঃ সুবেদর ইসলাম খান।
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে?উঃ ১৫৫৬ সালে।
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ কার কার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়?উঃ আকবরের সেনাপতি বৈরাম খান ও হিমুর।
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে?উঃ ১৭৬১ সালে।
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ কাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়?উঃ আহমেদ শাহ আবদালী ও মারাঠাদের।
শেরশাহ কোন যুদ্ধে হুমায়ুনকে পরাজিত করে দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন?উঃ কনৌজের যু্‌দ্ধ।
বাংলাকে কে ‘জান্নাতাবাদ’ বলে ঘোষনা করেন?উঃ সম্রাট হুমায়ুন।
ভারতবর্ষে ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন কে?উঃ শেরশাহ।
‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ কে নির্মান করেন?উঃ শেরশাহ।
‘দাম’ নামক মুদ্রা দিল্লীর কোন সুলতানের সময় প্রচলিত ছিল?উঃ শেরশাহ।
আকবর দিল্লীর সিংহাসনে বসার সময় তার বয়স কত?উঃ ১৩ বছর।
সম্রাট আকবরের প্রবর্তিত ধর্মের নাম কি?উঃ দীন-ই-ইলাহী।
কার আমলে সমগ্র বাংলা ‘সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ’ নামে পরিচিক ছিল?উঃ সম্রাট আকবর।
কোন মুঘল সম্রাট ‘জিজিয়া কর’ রহিত করেন?উঃ সম্রাট আকবর।
সম্রাট আকবরের রাজস্ব মন্ত্রী কে ছিলেন?উঃ টোডরমল।
‘অমৃতসর’ স্বর্ণ মন্দির কোন সম্রাটের আমলে তৈরী হয়?উঃ সম্রাট আকবরের।
কোন মোঘল সম্রাট ‘বুলান্দ দরওয়াজা’ নির্মান করেন?উঃ সম্রাট আকবর।
আকবর কোন রাজপুত রমনীর পাণি গ্রহন করেছিলেন?উঃ জোধা বাঈ।
সম্রাট আকবরের সমাধি কোথায় অবস্থিত?উঃ সেকেন্দ্রায়।
কোন মুঘল সম্রাট Prince of Builders নামে খ্যাত?উঃ সম্রাট শাহজাহান।
দিল্লীর ‘দেওয়ান-ই-আম’ ও ‘দেওয়ান-ই-খাস’ নির্মান করেন কে?উঃ সম্রাট শাহজাহান।
আগ্রার জামে মসজিদ নির্মান করেন কে?উঃ সম্রাট শাহজাহান।
ময়ূর সিংহাসনের নির্মাতা কে ছিলেন ?উঃ সম্রাট শাহজাহান।
ময়ূর সিংহাসন কে লুন্ঠন করেন?উঃ পারস্যের নাদির শাহ (১৭৩৯)।
ময়ূর সিংহাসন বর্তমানে রক্ষিত আছে?উঃ ইরানে।
দিল্লীর লাল কেল্লা কে নির্মান করেন?উঃ শাহজাহান।
সর্বশেষ মোগল সম্রাট কে?উঃ দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ।
সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের সমাধি কোথায় অবস্থিত?উঃ রেঙ্গুনে (ইয়াঙ্গুন), মায়ানমার।
মারাঠা বংশের শ্রেষ্ঠ নরপতি কে ছিলেন?উঃ শিবাজী।
শিবাজীর তরবারির আঘাতে কার আঙ্গুল কাটাঁ যায়?উঃ শায়েস্তা খানের।
হুসেনী দালাল (ইমাম বাড়ি) কে নির্মান করেন?উঃ মীর মুরাদ।
ঢাকার সাত গম্বুজ মসজিদ কবে কে, নির্মান করেন?উঃ ১৬৮০ সালে, নবাব শায়েস্তা খাঁ।
কোন মুঘল সুবাদার ঢাকার নাম জাহাঙ্গীর নগর রাখেন?উঃ ইসলাম খান।
বাংলার বার ভুইয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভুঁইয়া কে?উঃ ঈসা খান।
কে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় নিয়ে আসেন?উঃ মীর জুমলা।
কার রাজত্বকালে মুর্শিদকুলী খান বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত হন?উঃ আওরঙ্গজেব।
কোন সম্রাটের মৃত্যুর পর মুর্শিদকুলী খান স্বাধীনভাবে বাংলাদেশ শাসন করেন?উঃ আওরঙ্গজেব।
কোন মুঘল সুবেদার পর্তুগ্রীজদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন?উঃ শায়েস্তা খান।
মুর্শিদকুলী খান কত সালে ইন্তেকাল করেন?উঃ ১৭২৭ সালে।
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?উঃ মুর্শিদকুলী খান।
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?উঃ সিরাজউদ্দৌলা।
বড় কাটরা কত সালে নির্মিত হয়?উঃ ১৬৪৪ সালে।
বড় কাটরা কার আমলে নির্মিত হয়?উঃ সুবেদার ইসলাম খান।
বাংলার কোন সুুবেদার আরাকান জঙ্গলে নিখোঁজ হন?উঃ শাহ মোহাম্মদ সুজা।
মূঘল সুবেদারদের প্রথম রাজধানী কোথায় ছিল?উঃ মুর্শিদাবাদ।

 

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসছিলো ?উঃ পর্তুগীজরা।
পতুগীজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা ভারতবর্ষে আসেন কত সালে ?উঃ ১৪৯৮ সালে।
ইউরোপ থেকে সমুদ্র পথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিস্কৃত হয় কত সালে ?উঃ ১৪৮৭ সালে।
পর্তুগীজরা কবে বাংলায় ব্যবসা বাণিজ্য আরম্ভ করে ?উঃ ১৫৮০ সালে।
পর্তুগ্রীজদের পর কারা বানিজ্যের জন্য বাংলায় আসে?উঃ ওলন্দাজরা।
‘ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’ কারা, কবে গঠন করেন?উঃ ওলন্দাজগণ, ১৬০২ সালে।
বাংলা থেকে আরব বণিকদের বিতাড়িত করে কোন পর্তৃগ্রীজ নাবিক?উঃ পেড্রো আলভারেজ কাব্রাল।
ফরাসিরা কখন বাংলায় বানিজ্য করতে আগমন করে?উঃ ১৬৬৮ সালে।
কোন সালে ফরাসি ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী গঠিত হয়?উঃ ১৬৬৪ সালে।
কোন সালে ব্রিটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী গঠিত হয়?উঃ ১৬০০ সালে।
কোন যুদ্ধের ফলে ভারতে ফরাসিদের সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়?উঃ ১৭৬০ সালের বন্দিবাসের যুদ্ধে।
বন্দিবাসের যুদ্ধে কে, কার কাছে পরাজয় স্বীকার করে?উঃ ইংরেজ সেনাপতি আয়ারকুটের নিকট 
     ফরাসি গর্ভনর কাউন্ট লালী পরাজিত হন।
উপমহাদেশে ব্যর্থ হয়ে ওলন্দাজরা কোথায় বানিজ্য স্থাপন করে?উঃ ইন্দোনেশিয়ায়।
প্রথম কর্ণাট যুদ্ধ কবে, কার মধ্যে সংঘটিত হয়?উঃ ফরসিদের সাথে ইংরেজদের মধ্যে ১৭৪৬ সালে।
ইংরেজরা বাংলায় প্রথম কোন স্থানে কুঠি স্থাপন করে?উঃ সুরাটে।
কে শান্তিপূর্ন বানিজ্য নীতি পরিত্যাগ করে বন্দর আক্রমন করে?উঃ ইংরেজ নৌবাহিনীর জন চাইল্ড।
বাংলায় ইংরেজদের কোন কুঠিটি সবচেয়ে সুরক্ষিত ছিল?উঃ ফোর্ট উইলিয়াম।
মুঘল সম্রাটের সাথে ইংরেজদের সন্ধি হয় কোন সালে?উঃ ১৬৬০ সালে।
কলকাতা নগরী কে প্রতিষ্ঠা করেন?উঃ ইংরেজ কর্মচারী জন চার্নক।
ইংরেজরা কোন সালে বাংলা আক্রমন করে?উঃ ১৬৮৬ সালে।
কত খ্রিষ্টাব্দে নবাব সিরাজু্‌দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ দখল করেন?উঃ ২০ জুন ১৭৫৬।
কোন সালে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়?উঃ ১৭৫৬ সালে।
ইংরেজরা কবে কলকাতা অধিকার করে?উঃ ০২ জানুয়ারী ১৭৫৭।
পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?উঃ ২৩ শে জুন, ১৭৫৭ সালে।
নবাব সিরাজুদ্দৌলা কোন খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহন করেন?উঃ ১৭৩৩ খ্রিষ্টাব্দে।
নবাব মীর কাশিম ও ইংরেজদের মধ্যে কোন সালে যুদ্ধ বাধে?উঃ ১৭৬৪ সালে।
উপমহাদেশের প্রথম ব্রিটিশ গর্ভনর কে ছিল?উঃ লর্ড ক্লাইভ।
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রর্বতন কে করেন?উঃ লর্ড ক্লাইভ।
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কবে চালূ হয়?উঃ ১৭৬৭ সালে।
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় শাসন কর্তৃত্ব কার ওপর ন্যাস্ত হয়?উঃ নবাবের।
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় শাসন রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব কার ওপর ন্যাস্ত হয়?উঃ লর্ড ক্লাইভ।
বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কে রহিত করেন?উঃ ওয়ারেন হেষ্টিংস।
নিলাম সুত্রে কে জমি বন্দোবস্তের প্রথা চালু করেন?উঃ ওয়ারেন হেষ্টিংস।
ওয়ারেন হেস্টিংস কবে বাংলার গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন?উঃ ১৭৭২ সালে।
চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?উঃ লর্ড কর্নওয়ালিস (১৭৯৩ সালে)।
ছিয়াত্তরের মম্বন্তর কখন হয়েছিল?উঃ ১১৭৬ বাং এবং ১৭৭০ ইং সালে।
পঞ্চাশের মম্বন্তর কখন হয়েছিল?উঃ ১৩৫০ বাং এবং ১৯৪৩ ইং সালে।
‘অন্ধ কূপ হত্যাকান্ড’ কখন সংগঠিত হয়েছিল?উঃ ১৭৫৬ সালে।
কে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করেন?উঃ ওয়ারেন হেস্টিংস।
কলকাতা নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?উঃ ১৬৯০ সালে।
বর্গী নামে কারা পরিচিতি ছিল?উঃ মারাঠারা।
কে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গরে স্থানান্তর করেন?উঃ মীর কাসিম।
ইংরেজদের সাথে মীর কাসিমের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল কোথায়?উঃ বক্সারে।
বক্সারের যুদ্ধ হয়েছিল কোন সালে?উঃ ১৭৬৪ সালে।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘ভারত শাসন আইন’ বা ‘রেগুলেটিং এ্যাক্ট’ পাশ হয় কখন?উঃ ১৭৭৩ সালে।
উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ‘রাজস্ব বোর্ড’ স্থাপন করেন কোন ইংরেজ শাসক?উঃ ওয়ারেন হেষ্টিংস।
পাঁচশালা বন্দোবস্তের কে প্রর্বতক করেন?উঃ ওয়ারেন হেস্টিংস।
আদালতে ফরাসি ভাষার পরিবর্তে দেশীয় ভাষার প্রচলন করেন কোন ইংরেজ শাসক?উঃ লর্ড বেন্টিঙ্ক।
সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন কে কখন করেন?উঃ লর্ড বেন্টিঙ্ক (১৮২৯ সালে)।
উপমহাদেশে সংস্কৃতি ও ফরাসি পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন কে করেন?উঃ লর্ড বেন্টিঙ্ক।
বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন কে, কখন করেন?উঃ লর্ড ক্যানিং (১৮৫৬ সালে)।
উপমহাদেশের সর্বপ্রথম রেল যোগাযোগ কে, কোন সালে চালু করেন ?উঃ লর্ড ডালহৌসী, ১৮৫৩ সালে।
উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রার কে প্রচলন করেন?উঃ লর্ড ক্যানিং।
উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিরোধী সিপাহী বিদ্রোহ কোন সালে ও কোথায় সংঘটিত হয়?উঃ ১৮৫৭ সালে ৯ মার্চ, বঙ্গদেশের ব্যারাকপুরে।
সিপাহী বিদ্রোহের পর ইংরেজরা সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহ জাফরকে কোথায় নির্বাসন দেন?উঃ মায়ানমারে।
মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরের সমাধি কোথায় অবস্থিত?উঃ মায়ানমারে।
আহসান মঞ্জিল কে কত সালে প্রতিষ্ঠা করেন?উঃ নবাব আবদুল গনি, ১৯৭২ সালে।
কবে কে কার্জন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন?উঃ ১৯০৪ সালের ১৪ ফেব্রম্নয়ারী, লর্ড কার্জন।
কবে ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়?উঃ ১৮৬৪ সালে।
পুরানো ঢাকার বাহাদুরশাহ পার্কের পূর্বনাম কি ছিল?উঃ ভিক্টোরিয়া পার্ক।
কোন দেশের লোকদের ওলন্দাজ বলা হয়?উঃ হল্যান্ড।
উপমহাদেশের সর্বশেষ ব্রিটিশ গর্ভনর ছিল?উঃ লর্ড মাউন্ট ব্যাটন।

 

প্রথম দিকে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্ব কে প্রদান করেন?উঃ তিতুমীর।
তিতুমীর এর প্রকৃত নাম কি?উঃ মীর নিসার আলী।
তিতুমীর এর জন্মগ্রহন কোথায়?উঃ চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহাকুমার চাঁদপুর গ্রামে।
নারিকেল বাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা ধ্বংশ হয় কোন সালে?উঃ ১৮৩১ সালে।
বাশেঁর কেল্লা পরিকল্পনা করেন কে?উঃ গোলাম মাসুম।
নারিকেলবাড়ীয়ার প্রথম যুদ্ধে কোন ইংরেজ পরাজিত হয়?উঃ আলেকজান্ডার।
কার নেতৃত্বে বাঁশের কেল্লা ধ্বংস হয়?উঃ লেঃ কর্ণেল ষ্টুয়ার্ট।
বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের প্রবক্তা কে?উঃ হাজী শরীয়তউল্লাহ।
হাজী শরীয়তউল্লাহ কত সালে কোথায় জন্ম গ্রহন করেন?উঃ ১৭৮১ সালে মাদারীপুর জেলায়।
ফকির-সন্যাসীদের সাথে ইংরেজদের খন্ড যুদ্ধগুলো কখন সংঘঠিত হয় ?উঃ ১৭৭৭-১৭৮৭ সাল পর্যন্তু।
ফকির-সন্যাসীদের উলে­খ্যযোগ্য নেতা কে ছিলেন?উঃ ভবানী পাঠক।
ফকিরদের সাথে যুদ্ধে কোন ইংরেজি নিহত হন?উঃ ক্যাপ্টেন এডওয়ার্ড।
কোন কবি ফকির মজনু শাহের তৎপরতার তথ্য নিয়ে কবিতা রচনা করেন?উঃ পঞ্চানন দাস।
বাংলাদেশে ইংরেজী শিক্ষা চালু হওয়ায় কোন সমপ্রদায় সবচেয়ে বেশী উপকৃত হয়?উঃ হিন্দু।
কোন কলেজকে প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তরিত করা হয়?উঃ হিন্দু কলেজ।
মুসলিম সাহিত্য সমাজ এর প্রতিষ্ঠা কে ছিলেন?উঃ নওয়াব আব্দুল লতিফ।
আলীগড় আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?উঃ সৈয়দ আহমেদ খান।
ভারত উপমহাদেশের কোন মনীষী প্রথম প্রিভিকাউন্সিলের সদস্য হন?উঃ সৈয়দ আমীর আলী, (১৯০৯-১৯২৮ সাল)
কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি কে ছিলেন?উঃ সৈয়দ মাহমুদ।
কোন সমপ্রদায় বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে?উঃ বর্ণ হিন্দুগণ।
মুসুলমানদের পৃথক নির্বাচনের দাবি কোন আইন দ্বারা স্বীকৃত হয়?উঃ মর্লি মিন্টো।
১৯৩৭ সালে প্রকাশিত মুসলমানদের বাংলা মুখপত্রটির নাম কি?উঃ দৈনিক আজাদ।
কে বাংলায় ঋন সালিশী আইন প্রবর্তন করেন?উঃ এ,কে ফজলূল হক।
ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির সময় বাংলার প্রধানমন্ত্রি কে ছিলেন?উঃ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
কোন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ভারতে সাধারন নির্বাচনের নির্দেশ প্রদান করেন?উঃ মিঃ এটলী।
বাংলায় নীল চাষ বিলুপ্ত হয় কোন সালে এবং কেন?উঃ ১৮৬০ সালে, নীল বিদ্রোহের জন্য।
বাংলায় নীল চাষ কত বছর ধরে অব্যাহত ছিল?উঃ ১০০ বছর।
বাংলার নীল বিদ্রোহে কারা অংশগ্রহন করে?উঃ চাষী।
ইংরেজ শাসনামলে হিন্দু সমাজের পুনর্জাগরনের অগ্রনায়ক কে ছিলেন?উঃ রাজা রামমোহন রায়।
ব্রাহ্ম ধর্ম ও ব্রাহ্ম সমাজের প্রবর্তন করেন কে, কবে?উঃ রাজা রামমোহন রায়, ১৮২৯ সালে।
কোন সালে সতীদাহ প্রথা রহিতকরণ আইন পাশ হয়?উঃ ১৮১৯ সালে।
কোন সালে বিধবা বিবাহের বৈধকরণ আইন পাশ করেন?উঃ ১৮৫৬ সালে।
মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের জন্য কে তার সমস্ত সম্পত্তি উইল করে যান?উঃ হাজী মুহম্মদ মুহসীন।
হাজী মুহম্মদ মুহসীন কবে, কোথায় জন্ম গ্রহন করেন?উঃ ১৭৩০ সালে, হুগলীতে।
হাজী মুহম্মদ মুহসীন কবে ইন্তেকাল করেন?উঃ ১৮১২ সালে।
নওয়াব আব্দুল লতিফ কবে, কোথায় জন্ম গ্রহন করেন?উঃ ১৮২৮ সালে, ফরিদপুরে।
নওয়াব আব্দুল লতিফ উলে­খ্যযোগ্য কীর্তি কি?উঃ মোহমেডান লিটারেরি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা, ১৮৬৩।
সতীদাহ প্রথা রহিতকরনে কোন সমাজ সংস্কারকের ভুমিকা উলে­খযোগ্য?উঃ রাজা রামমোহন রায়।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন কলেজের হেড পন্ডিত ছিলেন?উঃ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ।
কোন শিক্ষাবিদের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহের প্রচলন হয়?উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
কোন লাটের সময় বঙ্গ-ভঙ্গ হয়?উঃ লর্ড কার্জনের সময়।
বঙ্গ-ভঙ্গ কবে কার্যকর হয়?উঃ ১৯০৫ সালে।
বঙ্গ-ভঙ্গ রদ করার সময় কোন ভাইসরয় সুপারিশ করেন ?উঃ লর্ড হার্ডিঞ্জ।
বঙ্গ-ভঙ্গ রদ হয় কোন সালে?উঃ ১৯১১ সালে।
উপ-মহাদেশের ভবিষ্যত সংবিধানের খসড়া তৈরীর জন্য কোন কমিশন গঠিত হয়?উঃ ১৯০৭ সালে, সাইমন কমিশন।
কংগ্রেস দল কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৮৮৫ সালে।
কংগ্রেস কে প্রতিষ্ঠা করেন?উঃ এ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।
অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রদান করেন কে?উঃ মহাত্মা গান্ধী।
মহাত্মা গান্ধীর প্রকৃত নাম কি?উঃ করম চাঁদ মোহন দাস গান্ধী।
মুসলিম লীগ কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯০৬ সালে।
মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ নবাব সলিমুল্লাহ।
খেলাফত আন্দোলনে কখন শুরু হয়?উঃ ১৯২০ সালে।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন কবে পাশ হয়?উঃ ১৯৩৫ সালে।
‘দ্বি-জাতি তত্ত্বের’ প্রবক্তা কে?উঃ মুহম্মদ আলী জিন্নাহ।
‘দ্বি-জাতি তত্ত্ব’ ঘোষনা কবে করা হয়?উঃ ১৯৩৯ সালে।
‘লাহোর প্রস্তাব’ কে, কবে ঘোষনা করেন?উঃ এ. কে. ফজলুল হক। ২৩ মার্চ, ১৯৪০।
ব্রিটিশ ভারত কবে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৩৭ সালে।
বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে হন?উঃ এ,কে ফজলুল হক।
খুদিরামকে কখন ফাঁসী প্রদান করা হয়?উঃ ১৯০৮ সালে।
মাষ্টারদা সূর্যসেন কবে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন করেন?উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৩০।
মাষ্টারদা সূর্যসেনের সাথে কোন মহিলা বিপ্লবী ছিলেন?উঃ প্রীতিলতা ওয়েদ্দেদার।
ভারতীয়দের নিকট শাসন ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য লর্ড ওয়াভেলের স্থলে কে আসেন?উঃ লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ বড় লাট কে ছিলেন?উঃ লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
স্বাধীন সার্বভৌম ভারত রাষ্ট্রের জন্ম হয় কবে?উঃ ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে।
স্বাধীন সার্বভৌম পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয় কবে?উঃ ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ সালে।

 

পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?উঃ লিয়াকত আলী খান।
পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?উঃ ইস্কান্দার মির্জা।
পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?উঃ মুহম্মদ আলী জিন্নাহ।
পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে হন?উঃ খাজা নাজিমউদ্দিন।
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কোথায় বসে?উঃ করাচিতে।
পাকিস্তানে গন পরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে বসে?উঃ ২৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮।
বাংলাদেশ কত বছর পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল?উঃ ২৪ বৎসর।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে।
আওয়ামী লীগের প্রথম সভাপতি কে হন?উঃ মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
আইয়ুব খানের সহচর ও পূর্ব পাকিস্তানে দীর্ঘকালীন গর্ভনর কে ছিলেন?উঃ মোনায়েম খান
নূরুল আমিনের মুখ্যমন্ত্রীত্বের মেয়াদকাল কত?উঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮ থেকে মার্চ, ১৯৫৪।
যুক্তফ্রন্ট কবে গঠিত হয়?উঃ ০৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩।
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা কবে কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?উঃ ০২ এপ্রিল, ১৯৫৪। এ. কে. ফজলুল হকের।
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল ঘোষনা করা হয় কবে?উঃ ৩০ মে ১৯৫৪।
এ,কে, ফজলুল হকের পর পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হন কে?উঃ আবু হোসেন সরকার।
আতাউর রহমান কবে মুখ্যমন্ত্রী হন?উঃ ০৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৬।
কবে পাকিস্তান গণ পরিষদ বাতিল করা হয়?উঃ ২৪ অক্টোবর ১৯৫৪।
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র কবে গ্রহীত হয়?উঃ ২৯ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫৬।
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র কবে কার্যকর হয়?উঃ ২৩ মার্চ ১৯৫৬।
পূর্ব বাংলার নাম কবে পূর্ব পাকিস্তান হয়?উঃ ২৩ মার্চ ১৯৫৬।
শহীদ সোহওয়ার্দি কবে পকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি হন?উঃ ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৬।
মালিক ফিরোজ খান নুন কবে প্রধানমন্ত্রি হন?উঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৫৭ সালে।
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশন কোথায় হয়?উঃ ঢাকায়।
গভর্নর এ, কে ফজলুল হক কবে আতাউর রহমান মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করেন?উঃ ৩১ মার্চ, ১৯৫৮।
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্রের কে, কবে বাতিল করেন?উঃ ইস্কান্দার মির্জা, ৮ অক্টোবর, ১৯৫৮।
পাকিস্তানে প্রথম কে কবে সামরিক আইন জারী করে?উঃ ইস্কান্দার মির্জা, ৮ অক্টোবর, ১৯৫৮।
আইয়ুব খান কবে ইস্কান্দার মির্জার স্থলাভিসিক্ত হন?উঃ ২৭ অক্টোবর ১৯৫৮।
মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুর খান কবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন?উঃ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬০ সালে।
১৯৬১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের গর্ভনর কে ছিলেন?উঃ জেনারেল আযম খান।
পাকিস্তানের দ্বিতীয় শাসনতন্ত্রের ঘোষনা দেন কে, কবে?উঃ প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান, মার্চ ,১৯৬২।
১৯৫৪ সালের পরে কবে প্রাদেশিক নির্বাচন হয়?উঃ ৭ মে, ১৯৬২।
১৯৬২ সালের নির্বাচনের পরে পূর্ব পাকিস্তানের আইন পরিষদের স্পীকার কে ছিলেন?উঃ আবদুল হামিদ চৌধুরী।
১৯৬২ সালের পর কবে প্রাদেশিক নির্বাচন হয়?উঃ ১৬ মে, ১৯৬৫।
কোন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিপক্ষে ফাতেমা জিন্নাহ দাড়িয়ে ছিলেন?উঃ ১৯৬৫ সালের জানুয়ারী মাসের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে।
প্রথম পাক-ভারত যুদ্ধ কবে শুরু হয়?উঃ ৬ ই সেপ্টেম্বর, ১৯৬৫।
প্রথম পাক-ভারতের যুদ্ধের কারণ কি?উঃ পাকিস্তান কর্তৃক ভারত অধিকৃত কাশ্মীর দখলের প্রচেষ্টা।

 

পাকিস্তান গন পরিষদে বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সংশোধনী প্রস্তাব আনেন?উঃ গন পরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব প্রথম কবে, কোথায় গৃহীত হয় ?উঃ ডিসেম্বর, ১৯৪৭ সালে করাচিতে শিক্ষা সম্মেলনে।
তমুদ্দিন মজলিস কি ? এটি কবে গঠিত হয় ?উঃ একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ ।
উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার বিরুদ্ধে কবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ?উঃ ০২ ই ১৯৪৮ মার্চ।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন ?উঃ নুরুল আমিন।
১৯৫২ র ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি কে ছিলেন ?উঃ খাজা নাজিমউদ্দিন।
প্রথম তৈরী শহীদ মিনার কে উম্মোচন করেন ?উঃ শহীদ শফিউরের পিতা।
১৯৫২ র ভাষা আন্দোলনের শহীদের স্মরণে কবে প্রথম শহীদ মিনার নির্মান করা হয় ?উঃ ১৯৫২ সালের ২৩ শে ফেব্রুয়ারী।
উর্দু – উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা এ কথাটি কে বলেছিলেন ?উঃ মুহম্মদ আলী জিন্নাহ।
কত সালে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয় ?উঃ ১৯৫৬ সালে।

 

শেখ মুজিব ছয় দফা কর্মসুচী কবে ব্যক্ত করেন?উঃ ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৬ সালে।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়?উঃ জানুয়ারী, ১৯৬৮।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিশেষ আদালতের বিচারক ছিলেন?উঃ পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি এস.এ. রহমান।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচার হয়?উঃ জুন, ১৯৬৮।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কত জন ছিল?উঃ ৩৫ জন।
‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলার প্রধান আসামী ছিলেন?উঃ শেখ মুজিবর রহমান।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কবে প্রত্যাহার করা হয়?উঃ ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯।
কবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে হত্যা করে?উঃ ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯।
আইয়ুব খান কবে কেন পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়?উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সালে। রাজনৈতিক সংকটের জন্য।
পুলিশের গুলিতে শহীদ আসাদ কবে নিহত হন?উঃ ২০ জানুয়ারী, ১৯৬৯।
তিনি কোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?উঃ আইন বিভাগের।
পুলিশের গুলিতে শহীদ মতিউর কবে নিহত হন?উঃ ২৪ জানুয়ারী, ১৯৬৯।
তিনি কোন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?উঃ নবকুমার ইনষ্টিটিউশনের, নবম শ্রেনীর ছাত্র।
শহীদ ড. শামসুজ্জোহা কবে কোথায় হত্যা করা হয়েছিল?উঃ ১৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৯, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।
আইয়ুব খান কবে কার নিকট পাকিস্তানের ক্ষমতা হস্তান্তর করেন?উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৬৯। আগা মুহম্মদ ইয়াহিয়া খান।
শেখ মুজিবর রহমানকে কবে বঙ্গবন্ধুকে উপাধিতে ভুষিত করা হয়?উঃ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী।
কখন শেখ মুজিবর রহমানকে জাতির জনক ঘোষনা দেয়া হয়?উঃ ০৩ মার্চ ১৯৭১।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কে প্রথমে জাতির পিতা ঘোষনা দেন?উঃ আ.স.ম আবদুর রব।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের কয়টি আসন পেয়েছিল?উঃ ১৬৭ টি আসন।
পাকিস্তানের প্রথম সাধারন নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?উঃ ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০সাল।
আলোচনা ভেঙ্গে দিয়ে ইয়াহিয়া খান কবে ঢাকা ত্যাগ করেন?উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ রাতে।

 

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক কি?উঃ উভয় পাশে ধানের শীষে বেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা। তার মাথায় পাটগাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয পাশে দুটি করে তারকা।
জাতীয় পতাকা প্রথম কে উত্তোলন করেন?উঃ তৎকালীন ছাত্র নেতা আ.স.ম আবদুর রব।
জাতীয় পতাকা পরিমাপের অনুপাত কত?উঃ দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = ৫:৩
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত কোনটি?উঃ আমার সোনার বাংলা প্রথম ১০ চরন।
আমার সোনার বাংলা কবিতাটিতে কতটি চরণ আছে?উঃ ২৫টি।
আমার সোনার বাংলা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থের অর্ন্তগত?উঃ গীতবিতান এর অর্ন্তগত।
আমার সোনার বাংলা-র সুরকার কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আমার সোনার বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?উঃ বঙ্গদর্শন।
আমার সোনার বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় কোন সালে?উঃ ১৯০৫ সালে।
বাংলাদেশের রণ সংগীত কোনটি?উঃ চল চল চল চল কবিতার প্রথম দুই স্তবক।
বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের গীতিকার কে?উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
উৎসব অনুষ্ঠানে বাজানো হয় রণ সঙ্গীতের কত চরণ?উঃ প্রথম ২১ চরন।
বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের সুরকার কে?উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
বাংলাদেশের রণ সংগীত চল্‌ চল্‌ চল্‌ কোন কাব্যর অর্ন্তগত?উঃ সন্ধ্যা কাব্য।
রণ সঙ্গীত বাংলা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?উঃ ১৩৩৫ সালে।
রণ সঙ্গীত কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?উঃ শিখায় ।
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত কোনটি?উঃ সেলিমা রহমান রচিত বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমরা দুর্দম দুর্জয় নামক গানটি।

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?উঃ বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথম কোথায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়।
প্রথম কবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয ?উঃ ০২ ই মার্চ, ১৯৭১।
বাংলাদেশের পতাকা কে প্রথম উত্তোলন করেন?উঃ আ স ম আব্দুর রব।
কবে, কোথায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়?উঃ ০৩ মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।
চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করা হয় ?উঃ ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কবে, কোথায় স্থাপন করা হয়?উঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে, ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কারা?উঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কবে, কোথায় সংগঠিত হয়?উঃ ১৯ মার্চ, ১৯৭১ গাজিপুরে।
শেখ মজিবুর রহমানকে প্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় কখন?উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ মধ্যরাতে।
শেখ মুজিব কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার হতে মুক্তিলাভ করেন ?উঃ ১০ জানুয়ারী ১৯৭২।
এ দেশের মাটি চাই, মানুষ নয়- এ উক্তি কার?উঃ জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
সর্বপ্রথম কবে বাংলাদেশের স্বাধীন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়?উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কবে গঠিত হয়েছিল?উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হয়েছিল কবে?উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কবে শপথ গ্রহন করেছিল?উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?উঃ ৬ জন।
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী কোথায় ছিল?উঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।
মুজিবনগরের পুরাতন নাম কি ছিল?উঃ বৈদ্যনাথ তলার ভবের পাড়া।
কে বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর রাখেন?উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।
মুজিনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন কে?উঃ এম, মনসুর আলী।
মুজিনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রি ছিলেন কে?উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।
মুজিনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?উঃ শেখ মুজিবর রহমান।
মুজিনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
মুজিনগরে নতুন সরকার গঠনের ঘোষনাপত্র পাঠ করেন?উঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
মুজিনগরে সরকারকে প্রথম গার্ড অনার কে প্রদান করেন?উঃ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)
জেনারেল ওসমানী কবে বাংলাদেশের সেনা প্রধান নিযুক্ত হন?উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম বিমান বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?উঃ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
প্রথম কোন বাংলাদেশী কূটনীতিক দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?উঃ এম হোসেন আলী।
সাইমন ড্রিং কে ছিলেন?উঃ ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক। 
যিনি সর্বপ্রথম পাকিস্থানী বর্বরতার কথা বর্হিবিশ্বে প্রকাশ করেন।
তিনি পরবর্তীতে একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ছিলেন।
১৯৭১ সালে কোন বিদেশী মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়?উঃ ১৮ এপ্রিল কলকতায়।
মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করেছিলেন?উঃ ১১ টি।
কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?উঃ ১০ নং সেক্টর।
স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি লাভ করেন?উঃ ৭ জন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরউত্তম খেতাব লাভ করেন?উঃ ৬৮ জন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীর বিক্রম উপাধি লাভ করে?উঃ ১৭৫জন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্তির সংখ্যা কত?উঃ ৪২৬ জন।
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন খেতাব প্রাপ্ত হন?উঃ ৬৭৬ জন।
কোন বীর শ্রেষ্ঠের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি?উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।
কোন বীর শ্রেষ্ঠের কোন খেতাবী কবর নেই?উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।
সমপ্রতি কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর পাকিস্তান থেকে দেশে এনে সমাহিত করা হয়েছে?উঃ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান।
বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবর কোথায় ছিল?উঃ পাকিস্তানের করাচীর মাশরুর বিমান ঘাটিতে।
কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর বাংলাদেশে ছিল না?উঃ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের।
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কবর কোথায় ছিল?উঃ ভারতের আমবাসা এলাকায়।
দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধার নাম কি ?উঃ ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন ইতালীর নাগরিক মৃত্যুবরণ করেন তার নাম কি ছিল?উঃ মাদার মারিও ভেরেনজি।
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী কে?উঃ হোসাইল হেমার ওয়াডার ওয়াডারল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশে সর্বকনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা কে?উঃ শহীদুল ইসলাম(লালু) বীর প্রতীক।
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠন করা হয় কবে?উঃ ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী কবে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে?উঃ ০৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ কে ছিলেন?উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
পাকিস্তানের পক্ষে কে আত্মসমর্পন করেন?উঃ জেনারেল এ, কে নিয়াজী।
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?উঃ রেসকোর্স ময়দানে।
জেনারেল এ, কে নিয়াজী কার নিকট আত্মসমর্পণ করে?উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে কে নেতৃত্ব প্রদান করেন?উঃ বিমান বাহিনীর প্রধান কমোডর এ কে খন্দকার।
জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পের সময় পাকিস্তানের সৈন্যবাহিনীর কত সংখ্যা ছিল ?উঃ ৯৩ হাজার।
কোন সাহিত্যক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?উঃ আবদুস সাত্তার।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের চরমপত্র নামক কথিকা কে পাঠ করতেন?উঃ এম আর আখতার মুকুল।
২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন?উঃ ১৯৮০ সালে।
বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম মৃত্য বরণ কে করেন?উঃ মোস্তফা কামাল (৮ এপ্রিল, ১৯৭১)।
বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষে মৃত্য বরণ কে করেন?উঃ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী আদিবাসী/উপজাতী মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?উঃ উক্যাচিং মারমা।

 

বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত জাতীয় দিবস সমূহ
তারিখদিবসসমূহ
২১ শে ফেব্রুয়ারীশহীদ দিবস
২৬ শে মার্চস্বাধীনতা দিবস
১৫ আগষ্টজাতীয় শোক দিবস
২১ নভেম্বরসশস্র বাহিনী দিবস
১৪ ডিসেম্বরশহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস
১৬ ডিসেম্বরবিজয় দিবস
বাংলাদেশ সরকার অঘোষিত জাতীয় দিবস সমূহ
তারিখদিবসসমূহ
১০ জানুয়ারীবঙ্গবন্ধু প্রত্যাবর্তন দিবস
২৮ জানুয়ারীসলঙ্গা দিবস।
০২ ফেব্রুয়ারীজনসংখ্যা দিবস
২২ ফেব্রুয়ারীআগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার দিবস
২৮ ফেব্রুয়ারীডায়াবেটিক দিবস
১৫ মার্চরাষ্ট্রভাষা দিবস
২৫ মার্চকালো রাত দিবস
২৪ এপ্রিলখাপড়া ওয়ার্ড দিবস
২৮ মেনিরাপদ মাতৃত্ব দিবস
৩০ মেজিয়াউর রহমানের সাহাদত দিবস
০৭ জুনছয়দফা দিবস
২৩ জুনপলাশী দিবস
০৭ নভেম্বর*জাতীয় দিবস ও সংহতি দিবস
১৬ অক্টোবরবঙ্গভঙ্গ দিবস
০৬ ডিসেম্বরস্বৈরচার পতন দিবস
২২ অক্টোবরনিরাপদ সড়ক দিবস
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ
দেশের নাম স্বীকৃতি প্রদানের তারিখ
ভারত ০৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ভুটান ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১
পোল্যান্ড ১২ জানুয়ারী, ১৯৭২
বুলগেরিয়া ১২ জানুয়ারী, ১৯৭২
মায়ানমার ১৩ জানুয়ারী, ১৯৭২
নেপাল ১৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
বার্বাডোস ২০ জানুয়ারী, ১৯৭২
যুগোশ্লাভিয়া ২২ জানুয়ারী, ১৯৭২
টোঙ্গা ২৫ জানুয়ারী, ১৯৭২
রাশিয়া ২৫ জানুয়ারী, ১৯৭২
চেকোশ্লাভিয়া ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
সাইপ্রাস ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
হাঙ্গেরী ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
অষ্ট্রেলিয়া ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
ফিজি ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
নিউজিল্যান্ড ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭২
সেনেগাল ০১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ব্রিটেন ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
পশ্চিম জার্মানী ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ফিনল্যান্ড ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ডেনমার্ক ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
সুইডেন ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
নরওয়ে ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
আইসল্যান্ড ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ইসরাইল ০৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
জাপান ০৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
লুক্সেমবার্গ ১১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
নেদারল্যান্ড ১১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
বেলজিয়াম ১১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
আয়ারল্যান্ড ১১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ইতালী ১২ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ফ্রান্স ১৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
কানাডা ১৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
সিঙ্গাপুর ১৬ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
মারিশাস ২০ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
সোভিয়েত ইউনিয়ন ২৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ফিলিপাইন ২৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
ইন্দোনেশিয়া ২৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
মালয়েশিয়া ২৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
মালাউই ২৯ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭২
গাম্বিয়া ০২ মার্চ, ১৯৭২
শ্রীলংকা ০২ মার্চ, ১৯৭২
সোয়াজিল্যান্ড ০৩ মার্চ, ১৯৭২
লোসোনা ২১ মার্চ, ১৯৭২
বতসেয়ানা ২৩ মার্চ, ১৯৭২
জ্যামাইকা ২৫ মার্চ, ১৯৭২
তাইওয়ান ২৮ মার্চ, ১৯৭২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ০৪ এপ্রিল, ১৯৭২
গ্যাবন ০৬ এপ্রিল, ১৯৭২
মালাগাছি ২১ এপ্রিল, ১৯৭২
সিয়েরালিওন ২১ এপ্রিল, ১৯৭২
কোস্টারিকা ০১ মে, ১৯৭২
ভেনিজুয়েলা ০২ মে ১৯৭২
কলম্বিয়া ০২ মে ১৯৭২
মেক্সিকো ১০ মে ১৯৭২
স্পেন ১০ মে ১৯৭২
দক্ষিন কোরিয়া ১০ মে ১৯৭২
ব্রাজিল ১৫ মে ১৯৭২
আর্জেন্টিনা ২৫ মে ১৯৭২
হাইতি ২৬ মে ১৯৭২
চিলি ০১ জুন ১৯৭২
ইকুয়েডর ০৬ জুন ১৯৭২
জাম্বিয়া ২১ জুন ১৯৭২
রুমানিয়া ২৮ জুন ১৯৭২
তাঞ্জানিয়া ১২ জুলাই ১৯৭২
মাল্টা ১৯ জুলাই ১৯৭২
ডোমিনিকান ১৯ জুলাই ১৯৭২
গুযাতেমালা ২২ জুলাই ১৯৭২
ইয়েমেন ৩১ জুলাই ১৯৭২
পেরু ০১ আগষ্ট ১৯৭২
বলিভিয়া ০২ আগষ্ট ১৯৭২
বারকিনা ফাসো ১৯ আগষ্ট ১৯৭২
প্যারাগুয়ে ২১ আগষ্ট ১৯৭২
পানামা ২৪ আগষ্ট ১৯৭২
উরুগুয়ে ২৪ আগষ্ট ১৯৭২
উগান্ডা ২৫ আগষ্ট ১৯৭২
ভ্যাটিক্যান সিটি ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
হন্ডুরাস ১৯ অক্টোবর ১৯৭২
উত্তর ভিয়েতনাম ২৫ নভেম্বর, ১৯৭২
ঘানা ২৮ ডিসেম্বর, ১৯৭২
আফগানিস্থান ১৮ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩
লেবানন ২৮ মার্চ ১৯৭৩
মরোক্ক ১৩ জুলাই ১৯৭৩
দক্ষিণ ভিয়েতনাম ৩১ জুলাই ১৯৭৩
আইভোরি কোস্ট ২৩ আগষ্ট ১৯৭৩
জায়ার ০৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
মিশর ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
সিরিয়া ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
নাইজার ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
গিনি-বিসাউ ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
ক্যামেরুন ০৬ অক্টোবর ১৯৭৩
বেনিন ২৩ অক্টোবর ১৯৭৩
কুয়েত ০৪ নভেম্বর, ১৯৭৩
ইরান ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪
তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪
পাকিস্তান ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪
নাইজেরিয়া ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪
কঙ্গো ২১ মার্চ ১৯৭৪
সুদান ১৬ আগষ্ট ১৯৭৫
সৌদি আরব ১৬ আগষ্ট ১৯৭৫
ওমান ১৭ আগষ্ট ১৯৭৫
চীন ৩১ আগষ্ট ১৯৭৫

 

বাংলাদেশকে প্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দেয় ?উঃ ভারত।
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিপ্রদানকারী দ্বিতীয় দেশ কোনটি ?উঃ ভুটান।
সৌদিআরব কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ?উঃ ১৬ আগষ্ট, ৭৫।
আরব দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ কোনটি ?উঃ ইরাক।
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিপ্রদানকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ কোনটি ?উঃ সুদান।
বাংলাদেশকে কবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ?উঃ ১৯৮৬ সালে।
বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হয় ?উঃ ৪১ তম।
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি কে?উঃ হুমায়ন রশিদ চৌধুরী।
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের কততম সদস্য ?উঃ ৩২ তম।
বাংলাদেশের কমনওয়েলথে যোগদানের প্রতিবাদে কোন দেশ কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল ?উঃ পাকিস্তান।
কবে বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহন করে ?উঃ ১ মার্চ ২০০০।
ফোবানা কি ?উঃ আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশীদের একটি বেসরকারী সংগঠন।
বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রপ্রধান প্রথম জাতিসংঘে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা করেন ?উঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।
বিশ্বের কোন দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশের সেনা মেডিকেল টিম সেবা প্রদান করে ?উঃ সিরিয়া, ১৯৭৩ সালে।
ও, আই, সি একমাত্র কারিগরী ইন্সটিটিউট কোথায় স্থাপন করা হয়েছে ?উঃ ঢাকায়। Islamic Institute Of Technology (IIT)
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য ?উঃ ১৩৬ তম।

 

OrganizationDate
Commonwealth18 Apr, 1972
IMF10 May, 1972
UNCTAD20 May, 1972
UN permanent Observer17 Oct, 1972
Colombo Plan1972
UN17 Sep, 1974
OIC1974
UN Security Council15 Nov, 1978
WTO01 Jan, 1995
বাংলাদেশের আয়তন কত ?উঃ ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিঃ মিঃ।
আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান কত ?উঃ ৯০ তম।
পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি?উঃ বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল এবং কতখানি জায়গা নিয়ে বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত?উঃ রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় ৯৩২০ বর্গ কিঃ মিঃ।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় কোথায় অবস্থিত?উঃ গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল।
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ে আয়তন কত?উঃ প্রায় ৪৩১০ কিঃ মিঃ।
লালমাই পাহাড়ের আয়তন এবং গড় উচ্চতা কত?উঃ আয়তন ৩৩.৬৫ বর্গ কিঃমিঃ এবং গড় উচ্চতা ২১ মি:
বাংলাদেশের পলল সমভুমি এলাকার আয়তন কত?উঃ প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিঃমিঃ।
পস্নাবন ভুমি এলাকার গড় উচ্চতা কত?উঃ সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ৯.১৪ মিটার বা ৩০ ফুট।
সমুদ্র তল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত?উঃ ৩৭.৫০ মিটার।
সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা কত ?উঃ ২০ মিটার।
সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা কত?উঃ ৮ মিটার।
বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত ?উঃ ৫,১৩৮ কিলোমিটার। (৭১১ কিঃমিঃ সমুদ্র উপকূলসহ)
বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত ?উঃ ৭১১ কিঃ মিঃ বা ৪২২ মাইল।
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত ?উঃ ১৫৫ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?উঃ ১২ নটিক্যাল মাইল।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?উঃ ২০০ নটিক্যাল মাইল।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত কত?উঃ ৪,১৫৬ কিঃমিঃ।
(পশ্চিমবঙ্গ-২২৬২ কিঃমিঃ, আসাম-২৬৪ কিঃমিঃ, 
মেঘালয়-৪৩৬ কিঃমিঃ,ত্রিপুরা-৮৭৪ কিঃমিঃ ও মিজোরাম-৩২০ কিঃমিঃ)
ভারতের সাথে বাংলাদেশের অমিমাংশিত সীমান্ত কত?উঃ ৬.৫ কিলোমিটার।
(২০১১ সালে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে, 
কিন্তু এখনও কোন দেশের সংসদে অনুমোদিত হয়নি)
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়?উঃ ১৬ মে, ১৯৭৪।
মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত কত?উঃ ২৭১ কিঃমিঃ।
বাংলাদেশের কোথায় কোথায় পর্বত আছে?উঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটে।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে কোন দ্বীপ অবস্থিত?উঃ সেন্টমার্টিন।
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?উঃ সেন্টমার্টিন।
দক্ষিণ তালপট্টির ভারতীয় নাম কি?উঃ পূর্বাশা দ্বীপ বা নিউমুর।
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত কোথায় ?উঃ লালমানরহাট জেলার পাটগ্রাম থানায়।
দহগ্রামের আয়তন কত ?উঃ ৩৫ বর্গ কিঃ মিঃ।
ভারতের ভেতরের বাংলাদেশের কতটি ছিটমহল আছে ?উঃ ৫১ টি।
বাংলাদেশী ছিটমহলগুলো ভারতের কোন জেলার অর্ন্তগত?উঃ পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার।
বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের কতটি ছিটমহল আছে ?উঃ ১১১টি। লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, 
নীলফামারীতে ৪টি এবং কুড়িগ্রামে ১২ টি।
ভারতের মধ্যে বাংলাদেশী ছিটমহলগুলোর আয়তন কত?উঃ ৭১১০.০২ একর।
তিনবিঘা করিডোরের বিনিময়ে ভারতকে কোন ছিটমহল হস্তান্তর করে ?উঃ বেরুবাড়ী।
তিনবিঘা করিডরের পরিমাপ কত?উঃ ১৭৮ মিটার ও ৮৫ মিটার।
কোন তারিখে তিনবিঘা করিডোর ভারত খুলে দেয়?উঃ ২৬ জুন, ১৯৯২।
লালমনিরহাট জেলা থেকে তিনবিঘার দূরত্ব কত?উঃ ৮০ মাইল।
আলুটিলা পাহাড় কোথায় অবস্থিত ?উঃ খাগড়াছড়ি জেলায়।
“চন্দ্রনাথের পাহাড়” কেন বিখ্যাত ?উঃ হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত থানা শহর কোনটি ?উঃ টেকনাফ।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত থানা শহর কোনটি ?উঃ তেতুলিয়া।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে থানা শহর কোনটি ?উঃ শিবগঞ্জ (চাপাইনবাবগঞ্জ)
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলা কোনটি ?উঃ থানচি।
আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম থানা কোনটি?উঃ শ্যামনগর।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষূদ্রতম থানা (আয়তনে)?উঃ লালবাগ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় কোনটি ?উঃ গারো পাহাড়।
লালমাই পাহাড় কোথায় অবস্থিত ?উঃ কুমিল্লা।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি ?উঃ তাজিওডাং (বিজয়) উচ্চতা-১২৩১ মিটার।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি ?উঃ কেওক্রাডাং, উচ্চতা ১২৩০ মিটার।
দুবলার চর কোথায় অবস্থিত ?উঃ নোয়াখালী।
কোন জেলায় চর মানিক ও চর জব্বার অবস্থিত ?উঃ ভোলা জেলায়।
চর কুকড়ি মুকড়ি ও চর নিউটন কোথায় অবস্থিত?উঃ ভোলা জেলার চরফ্যাশনে।
মুহুরীর চর কোথায় অবস্থিত ?উঃ ফেনী জেলায়।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিলের নাম কি ?উঃ চলনবিল।
চলনবিল কোথায় অবস্থিত ?উঃ পাবনা ও নাটোর জেলায়।
তামাবিল কোথায় অবস্থিত?উঃ সিলেট জেলায়।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর কোনটি ?উঃ হাকালুকি হাওর।
হাকালুকি হাওর কোথায় অবস্থিত?উঃ সিলেট জেলায়।
বাংলাদেশের বিখ্যাত জলপ্রপাত কোনটি ?উঃ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত।
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত ?উঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায়।
মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের উৎপত্তিস্থল কোথায় ?উঃ মৌলভীবাজার জেলায়।
মাধবকুন্ড জলপ্রপাতে কতফুট ওপর থেকে পানি নিচে পতিত হয় ?উঃ ২৫০ ফুট।
বাংলাদেশের সাথে সরাসরি সীমান্ত যোগাযোগ আছে কোন কোন দেশের সাথে?উঃ ভারত ও মায়ানমারের সাথে।
বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি রাজ্যের সীমান্ত আছে?উঃ ৫ টি (পশ্বিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম)
কোন যুগে বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ গঠিত হয়?উঃ টারশিয়ারী যুগে।
ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোনটি?উঃ চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।
বাংলাদেশের দক্ষিণে ভারতের কোন দ্বীপপুঞ্জ আছে?উঃ আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে ?উঃ দুই ভাগে।
বাংলাদেশের মোট নদ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায়-?উঃ ২৪,১৪০ বর্গ কিঃমিঃ।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়?উঃ জিরো পয়েন্টে উভয় দিকে ৪৫০ ফুট পর্যন্ত জমি।

 

বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কত ?উঃ ২৬.০১ সেলসিয়াস।
বাংলাদেশের শীতকালের গড় তাপমাত্রা কত ?উঃ ১৮.৭২ সেলসিয়াস।
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালের গড় তাপমাত্রা কত ?উঃ ২৭.৮ সেলসিয়াস।
বাংলাদেশের বর্ষাকালের গড় তাপমাত্রা কত ?উঃ ২৬.৭ সেলসিয়াস।
বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত পরিমান কত ?উঃ ২০৩ সেঃমিঃ।
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত কোথায় হয় ?উঃ সিলেটের লালখানে (৩৮৮ সে.মি.)।
বাংলাদেশে সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত কোথায় হয় ?উঃ নাটোরের লালপুরে (১৫৪ সে.মি.)।
বাংলাদেশের উঞ্চতম স্থানের নাম কি?উঃ নাটোরের লালপুরে।
বাংলাদেশের উঞ্চতম জেলা কোনটি ?উঃ রাজশাহী।
বাংলাদেশের শীতলতম স্থান কোনটি ?উঃ শ্রীমঙ্গল।
বাংলাদেশের শীতলতম জেলা কোনটি ?উঃ সিলেট।
বাংলাদেশের প্রায় মধ্য ভাগ দিয়ে কোন রেখা অতিক্রান্ত করেছে ?উঃ কর্কটক্রান্তি রেখা।
গ্রীনিচমান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় অগ্রগামী কত?উঃ ৬ ঘন্টা।
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস কোনটি?উঃ এপ্রিল।
বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি?উঃ জানুয়ারী।
বাংলাদেশের জলবায়ু কিরূপ?উঃ নাতিশীতোষ্ণ।
বাংলাদেশের জলবায়ূ কি নামে পরিচিত?উঃ বিষুবীয়।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর কোন মন্ত্রনালয়ের অধীনে?উঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের।
SPARSO – কোন মন্ত্রনালয়ের অধীনে?উঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের।

 

বাংলাদেশের নদ- নদীর সংখ্যা কত?উঃ ২৩০ টি।
বাংলাদেশে প্রবাহিত আর্ন্তজাতিক নদীর সংখ্যা কত?উঃ ৫৭ টি।
উৎস হিসাবে আর্ন্তজাতিক নদীর কয়টি উৎস ভারতে?উঃ ৫৪টি।
উৎসস্থল হিসাবে আর্ন্তজাতিক নদীর কয়টির উৎসস্থল মায়ানমারে?উঃ ৩টি।
বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি ও সমাপ্ত নদীর নাম কি?উঃ হালদা ও সাংগু নদী।
বাংলাদেশের প্রশস্থ নদী কোনটি?উঃ যমুনা।
বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী কোনটি?উঃ কর্ণফুলী।
বাংলাদেশের র্দীঘতম নদী কোনটি?উঃ সুরমা।
বাংলাদেশের র্দীঘতম নদ কোনটি?উঃ ব্রহ্মপুত্র।
ব্রহ্মপুত্র নদের অবস্থান বিশ্বে কততম?উঃ ২২তম।
ব্রহ্মপুত্র নদের দৈর্ঘ্য কত?উঃ ২৮৫০ বর্গ কিমি।
ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি কোথায়?উঃ হিমালয়ের মানস সরোবর।
বাংলাদেশে প্রবেশের পূর্বে ব্রহ্মপুত্র কোন কোন দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়?উঃ তিব্বতে (সান পো নামে) 
    ও ভারতের আসামে (ডিহি নামে)।
কোন জেলার পাশ দিয়ে ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?উঃ রংপুর।
বাংলাদেশ-মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদীর নাম কি? এর দৈর্ঘ্য কত?উঃ নাফ নদী। দৈর্ঘ্য ৫৬ কিঃ মিঃ।
বাংলাদেশ-ভারতকে বিভক্তকারী নদীর নাম কি?উঃ হাড়িয়াভাঙ্গা।
মেঘনার উৎপত্তিস্থল কোথায়?উঃ আসামের লুসাই পাহাড়ে।
উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম কি?উঃ বরাক নদী।
মেঘনা কি কি নামে বিভক্ত হয়েছে?উঃ সুরমা ও কুশিয়ারা।
সুরমা ও কুশিয়ারা পুনরায় মিলিত হয়ে কি নাম ধারন করেছে?উঃ কালনি।
কালনি কোথায় পুনরায় মেঘনা নাম ধারন করেছে?উঃ ভৈরব বাজারের নিকট।
কর্ণফুলী নদী কোথা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?উঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম দিয়ে।
কর্নফুলী নদী কোথায় পতিত হয়েছে?উঃ বঙ্গোপসাগর।
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?উঃ সুরমা, (অমলসিদ থেকে কাকুরিয়া) ২৫০ কিঃমিঃ
পদ্মা নদীর দৈর্ঘ কত?উঃ ৩২৪ কিঃ মিঃ।
কুশিয়ারা নদীর দৈর্ঘ্য কত?উঃ ১১০ কিঃ মিঃ
এক কিউসেক বলতে কি বাঝায়?উঃ প্রতি সেকেন্ডে এক ঘনফুট পানির প্রবাহ।
ঢাকা শহরকে রক্ষার জন্য বুড়ীগঙ্গা নদীর তীরে যে বাঁধ দেয়া হয় তার নাম কি?উঃ বাকল্যান্ড বাঁধ।
বাংলাদেশের কৃত্রিম হৃদ কোনটি?উঃ রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদ।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়?উঃ ১৯৬২ সালে।
কাপ্তাই হ্রদ আয়তন কত?উঃ ৬৮৬.৯১ বর্গ কি.মি.।
কোন নদী তিব্বতের মানস সরোবর হতে উৎপন্ন হয়েছে?উঃ ব্রহ্মপুত্র।
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলার ভেতর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?উঃ কুড়িঁগ্রাম।
ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখার নাম কি?উঃ যমুনা।
পদ্মা নদী মেঘনার সাথে কোথায় মিলিত হয়েছে?উঃ চাঁদপরে।
পদ্মা নদী যমুনার সাথে কোথায় মিলিত হয়েছে?উঃ গোয়ালন্দ।
মেঘনা নদী ব্রহ্মপুত্রের সাথে কোথায় মিলিত হয়েছে?উঃ ভৈরব বাজার।
পদ্মা কোন জেলার ভেতর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?উঃ রাজশাহী।
ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করেছেন কোন নদীর উপর?উঃ গঙ্গা।
পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কাপ্তাই বাঁধ দেয় হয়েছে কোন নদীর উপরে?উঃ কর্ণফুলী।
গঙ্গা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?উঃ হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ।
পদ্মা নদীর ভারতীয় অংশের নাম কি?উঃ গঙ্গা।
তিস্তা উৎপত্তিস্থল কোথায়?উঃ হিমালয় পর্বত।
বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর?উঃ নারায়নগঞ্জ।
বাংলাদেশের নদী গবেষনা ইনস্টিটিউট কোথায়?উঃ ফরিদপুর।
কোন সালে ফারাক্কা ব্যারেজের নির্মান কাজ শেষ হয়?উঃ ১৯৭৪ সালে।
কোন সাল থেকে ফারাক্কা বাঁধ চালু হয়?উঃ ১৯৭৫ সালে।
ফারাক্কা বাঁধের দৈঘ্য কত?উঃ ৭৩৬৩ ফুট ৬ ইঞ্চি।

 

স্থাপনার নাম অবস্থান ও নদীর নাম
হার্ডিঞ্জ ব্রীজ পাকশীর কাছে পদ্মা নদীর উপর, পবনা।
ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর (মুর্শিদাবাদ)
বাকল্যান্ড বাঁধ বুড়ীগঙ্গার তীর ঘেষে
যমুনা সেতু যমুনা নদীর উপর টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ।
নিঝুম সেতু মেঘনা মোহনা, সন্দ্বীপ, চট্রগ্রাম।
দক্ষিণ তালপট্টি(পূর্বাশা) হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনা, সাতক্ষীরা।
পাকশী কাগজ কল পদ্মা নদীর তীরে, পাকশী,পাবনা।
বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতু-১ বুড়ীগঙ্গা নদীর উপর, ঢাকা।
বাংলাদেশ-জাপানা মৈত্রী সেতু-২ গোমতী নদীর উপরে।
বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-১ মেঘনা উপর দাউদকান্দি।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম।
আহসান মঞ্জিল বুড়ীগঙ্গার তীরে, ঢাকা।
তিস্তা বাঁধ প্রকল্প তিস্তা নদীতে রংপুর।
মংলা বন্দর পশুর নদীর তীরে, বাগেরহাট।
পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প কাপ্তাই কর্ণফুলী নদী, রাঙ্গামাটি, পার্বত্য চট্রগ্রাম।
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র তিতাস তীরে, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া।
বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী ৩ মহানন্দা নদীর উপর, চাপাইনবাবগঞ্জ।
বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী-৪ করতোয়া নদীর উপর, পঞ্চগড়।
বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতু-২ শম্ভুগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ব্রহ্মপুত্র নদের উপর
বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সেতু-৫ ঝালকাঠি, গাবখানা নদীর উপরে
শাহ্ আমানত সেতু চট্টগ্রাম, কর্ণফুলি নদীর উপর

 

জেলানদ-নদী
ঢাকাবুড়ীগঙ্গা, শীতলক্ষা, বংশী, ধলেশ্বরী, তুরাগ, বালু।
মুন্সীগঞ্জধলেশ্বর, পদ্মা, মেঘনা।
নারায়নগঞ্জমেঘনা, ধলেশ্বরী,শীতলক্ষা।
নরসিংদীমেঘনা, শীতলক্ষা।
মানিকগঞ্জপদ্মা, যমুনা, ধলেশ্বরী।
গাজীপুরতুরাগ, বানার, বালু।
ময়মনসিংহব্রহ্মপুত্র, বানার, ধলেশ্বরী
কিশোরগঞ্জব্রহ্মপুত্র, ধনু, মেঘনা, বাউলাই, কালনী, ধলেশ্বরী।
জামালপুরব্রহ্মপুত্র, যমুনা, বানার।
শেরপুরকংশ নদী।
শেরপুরকংশ নদী।
টাঙ্গাইলযমুনা, ধলেশ্বরী, বংশী।
নেত্রকোনাকংশ, বাউলাই, গোমেশ্বরী, মুগর।
ফরিদপুরমধুমতি, কুমার, পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ।
শরিয়তপুরপদ্মা, মেঘনা,পালং
গোপালগঞ্জমধুমতি
রাজবাড়ীপদ্মা।
মাদারীপুরপদ্মা, মেঘনা।
খুলনারূপসা, কপোতাক্ষ, ভদ্রা, ভৈরব, পশুর, শাকবাড়ীয়া, শিবসা।
সাতক্ষীরাপাঙ্গাশিয়া, কালিন্দী, হাড়িয়াভাঙ্গা, বেতনা, রায়মঙ্গল, মালঞ্চ।
বাগেরহাটমধুমতি, মংলা, হরিণঘাটা, শীলা।
যশোরকপোতাক্ষা, ভদ্রা, ভৈরব
মাগুরাগড়াই, কুমার, নবগঙ্গা।
ঝিনাইদহকুমার, নবগঙ্গা।
নড়াইলমধুমতি, কুমার, ভৈরব।
কুষ্টিয়াপদ্মা, গড়াই, কুমার।
মেহেরপুরইছামতি, ভৈরব।
চুয়াডাঙ্গাইছামতি, নবগঙ্গা।
বরিশালমেঘনা, কীর্তনখোলা, আড়িয়ালখাঁ, তেঁতুলিয়া, কালাবদর, বিশখালী।
ঝালকাঠিসুগন্ধা, বিশখালী।
ভোলাতেঁতুলিয়া, বালেশ্বর, কচাখালী।
পটুয়াখালীতেঁতুলিয়া, আগুনমখা, লোহানিয়।
বরগুনাবিশখালী, হরিণঘাটা,আঁধার মানিক, বেঘাই।
পিরোজপুরমধুমতি, ধলেশ্বর, কচাখালী।
রাজশাহীপদ্মা, মহানন্দা, যমুনা, আত্রাই।
চাঁপাইনবাবগঞ্জপদ্মা, মহানন্দা, নন্দশুদা, পুনর্ভবা।
নাটোরনাগরনদী, আত্রাই, বড়াল
নওগাঁআত্রাই, তুলসী।
পাবনাপদ্মা, যমুনা, বড়াল আত্রাই।
সিরাজগঞ্জযমুনা, করতোয়া, বড়াল
বগুড়াযমুনা, করতোয়া, নাগর, বাঙ্গালী।
জয়পুরহাটযমুনা, হারাবতী, তলসীগঙ্গা।
দিনাজপুরযমুনা, করতোয়া, আত্রাই, পুনর্ভবা।
পঞ্চগড়করতোয়া।
ঠাকুগাঁওটাঙ্গন।
রংপুরতিস্তা।
কুড়িঁগ্রামব্রহ্মপুত্র, ধরলা।
নীলফামারীতিস্তা, শিঙ্গিমারী।
লালমনিরহাটতিস্তা, শিঙ্গিমারী।
গাইবান্ধাআত্রাই, সুন্দরগঞ্জ, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা।
চট্রগ্রামকর্ণফুলী, মেঘনা, হালদা, সাঙ্গু।
রাঙ্গামাটিকর্ণফুলী, শংখ, কাশালং, রানখিয়াং।
কক্সবাজারনাফ।
বান্দরবানশংখ, মাথামুহুরী, রানখিয়াং।
খাগড়াছড়িকর্ণফুলী।
নোয়াখালীমেঘনা, ফেনী, ডাকাতিয়া
ফেনীফেনী, ডাকাতিয়া।
লক্ষ্মীপুরমেঘনা, ডাকাতিয়া।
কুমিল্লামেঘনা, গোমতী।
চাঁদপুরমেঘনা, ডাকাতিয়া।
ব্রাহ্মণবাড়ীয়ামেঘনা, তিতাস।
সিলেটসুরমা, কুশিয়ারা।
হবিগঞ্জবরাক, কালিনী।
মৌলভী বাজারমনু।
সুনামগঞ্জসুরমা, কালিনী।

 

শহরযে নদীর তীরে
আশুগঞ্জমেঘনা।
কাপ্তাইকর্ণফুলী ও কাপ্তাই
কুমিল্লাগোমতী
কুষ্টিয়াগড়াই
কুঁড়িগ্রামধরলা
খুলনাভৈরব ও রূপসার মিলনস্থল।
ঘোড়াশালশীতলক্ষা।
চট্টগ্রামকর্ণফুলী।
চন্দ্রঘোনাকর্ণফুলী।
চাঁদপুরমেঘনা।
ছাতকসুরমা।
ঝালকাঠিবিশখালী।
ঝিনাইদহনবগঙ্গা।
টঙ্গীতুরাগ।
টেকনাফনাফ।
ঠাকুরগাঁওটাংগান।
ঢাকাবুড়ীগঙ্গা।
দিনাজপুরপুনর্ভবা।
নারায়নগঞ্জশীতলক্ষ্যা।
পাবনাইছামতি।
ফরিদপুরআড়িয়ালখাঁ।
ফেঞ্চুগঞ্জকুশিয়ারা।
বগুড়াকরতোয়া।
বরিশালকীর্তনখোলা।
ভৈরবমেঘনা।
মংলামংলা।
ময়মনসিংহপুরাতন ব্রহ্মপুত্র।
মুন্সীগঞ্জধলেশ্বরী।
রাজশাহীপদ্মা।
সারদাপদ্মা।
সিলেটসুরমা।
সুনামগঞ্জসুরমা।
শিলাইদহপদ্মা।
নরসিংদীমেঘনা, শীতলক্ষ্যা।
মানিকগঞ্জপদ্মা, যমুনা, ধলেশ্বরী।
গাজীপুরতুরাগ, বানার, বালু।
কিশোরগঞ্জব্রহ্মপুত্র, ধনু, মেঘনা, বাউলাই।
জামালপুরব্রহ্মপুত্র, যমুনা, বানার।
শেরপুরকংশ।
টাঙ্গাইলযমুনা, ধলেশ্বরী, বংশী।
নেত্রকোনাকংশ, বাউলাই, গোমশ্বরী, মুগর।
শরিয়তপুরপদ্মা, মেঘনা, পালং।
সাতক্ষীরাপাঙ্গাশিয়া, কালিন্দী, হাড়িয়াভাঙ্গা, বেতনা।
বাগেরহাটমধুমতি, মংলা, হরিণঘাটা, শীলা।

 

বাংলাদেশের প্রাচীন শহর কোনটি?উঃ পুন্ড্রবর্ধন। বর্তমানে মহাস্থানগড়।
মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত?উঃ বগুড়া।
খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত?উঃ মহাস্থানগড়।
বৈরাগীর ভিটা কোথায় অবস্থিত?উঃ মহাস্থানগড়।
বৈরাগীর চাল কোথায় অবস্থিত?উঃ গাজিপুর।
আনন্দ রাজার দীঘি কোথায় অবস্থিত?উঃ কুমিল্লার ময়নামতিতে।
রামুমন্দির কোথায় অবস্থিত?উঃ কক্সবাজারের রামু থানায়।
উত্তরা গনভবন কোথায়?উঃ নাটোর।
কানত্মজীর মন্দির কোথায় অবস্থিত?উঃ দিনাজপুর।
বাঘা জামে মসজিদ কোথায় অবস্থিত?উঃ রাজশাহী।
পানাম নগর কোথায় অবস্থিত?উঃ সোনারগাঁয়ে।
আফগান দুর্গ কোথায় অবস্থিত?উঃ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মধ্যে।
আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?উঃ নবাব আব্দুল গনি।
মহাস্থানগড়ের কোন যুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে?উঃ মৌর্য যুগের।
সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত?উঃ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে।
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিজারটি কি নামে পরিচিত?উঃ সোমপুর বিহার।
সোমপুর বিহার কে তৈরী করেন?উঃ শ্রী ধর্মপাল দেব।
সত্য পীরের ভিটা কোথায় অবস্থিত?উঃ নওগাঁ জেলার সোমপুর বিহারে।
শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?উঃ কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে।
শালবন বিহার কে তৈরী করেন?উঃ রাজাধিরাজ ভবদেব।
আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত?উঃ কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ে।
আনন্দ বিহার কে তৈরী করেন?উঃ রাজা আনন্দ দেব।
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার কোনটি?উঃ সীতাকোট বিহার।
সীতাকোট বিহার কোথায় অবস্থিত?উঃ দিনাজপুর।
সোনারগাঁও কোন আমলে বাংলাদেশের রাজধানী ছিল?উঃ মূঘল আমলে।
বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয় কে স্থাপন করেন?উঃ ঈশা খাঁ।
সোনারগাঁ কার নামানুসারে নামকরণ হয়েছে?উঃ ঈশা খাঁর স্ত্রী সোনা বিবির নামে।
সোনারগাঁর পূর্বে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল?উঃ মহাস্থানগড়।
পাঁচ বিবির মাজার কোথায় অবস্থিত?উঃ সোনারগাঁতে।
বাংলাদেশের একমাত্র লোকশিল্প যাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?উঃ সোনারগাঁতে।
সোনারগাঁয়ের পূর্ব নাম কি?উঃ সুবর্ণ গ্রাম।
ঢাকায় সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়?উঃ ১৬১০ সালে।
বাংলার রাজধানী রাজস্থান থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন কে?উঃ সুবেদার ইসলাম খান।
তাঁরা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?উঃ পুরানো ঢাকায়।
বজরা শাহী মসজিদ কোথায় অবস্থিত?উঃ নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জে।
মুজিব নগর কোথায় অবস্থিত?উঃ মেহেরপুর।
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?উঃ চট্টগ্রামের রাউজানে।
ষাট গম্ভুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?উঃ বাগেরহাট।
ষাট গম্ভুজ মসজিদ নির্মাণ করেন?উঃ খান জাহান আলী।
লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ শুরু করেন?উঃ যুবরাজ মোহাম্মদ আযম।
লালবাগ কেল্লা কে নির্মাণ শেষ করেন?উঃ শায়েস্তা খান।
লালবাগ কেল্লার আদি নাম কি?উঃ আওরঙ্গবাদ দুর্গ।

 

বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম কি?উঃ শাপলা।
বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম কি?উঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
বাংলাদেশের জাতীয় বনের নাম কি?উঃ সুন্দরবন।
বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম কি?উঃ ইলিশ।
বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদের নাম কি?উঃ বায়তুল মোকাররম।
বাংলাদেশের জাতীয় বিমানবন্দর নাম কি?উঃ হজরত শাহ জালাল (রাঃ) আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর।
বাংলাদেশের জাতীয় যাদুঘর কোনটি?উঃ শাহবাগ জাতীয় জাদুঘর।
বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার কোনটি?উঃ সুফিয়া কামাল জাতীয় গণ গ্রন্থাগার, ঢাকা।
বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যান কোনটি?উঃ ভাওয়াল ন্যাশনাল উদ্যান।
বাংলাদেশের জাতীয় কবির নাম কি?উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
বাংলাদেশের জাতীয় শিশুপার্ক কোনটি?উঃ শহীদ জিয়া শিশু পার্ক।
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?উঃ হা-ডু-ডু।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কোনটি?উঃ কাঁঠাল।
বাংলাদেশের জাতীয় উৎসব কোনটি?উঃ বাংলা বর্ষবরণ উৎসব।
দেশের জাতীয় চিড়িয়াখানা কোথায় অবস্থিত?উঃ রাজধানী ঢাকার মিরপুরে।

 

সীমান্ত এলাকাজেলার নাম
বিলোনিয়াফেনী
ভুরঙ্গামারীকুড়িগ্রাম
হাতীভাঙ্গালালমনিরহাট
কানাইহাটসিলেট
বড়লেখাসিলেট
বেনাপোলযশোর
বোয়ালমারীকুড়িগ্রাম
চিলাহাটীনীলফামারী
নির্মলচররাজশাহী
গোয়াইন হাটসিলেট
পদুয়াসিলেট
রৌমারীকুড়িগ্রাম
বড়াইবাড়ীকুড়িগ্রাম
গোদাবাড়ীচাপাইনবাবগঞ্জ
পাটগ্রামলালমনিরহাট
মোগলহাটলালমনিরহাট
বিবির বাজারকুমিল্লা
চৌদ্দগ্রামকুমিল্লা
ভোমরাসাতক্ষীরা
তামাবিলসিলেট

 

কৃষি কাজের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী মাটি?উঃ পলি মাটি।
বাংলাদেশের মোট কৃষি জমির পরিমান কত?উঃ ২,০৪,৮৪,৫৬১ একর।
বাংলাদেশের মোট চাষাবাদযোগ্য জমির পরিমান কত?উঃ ১,৭৭,৭১,৩৩৯ একর।
বাংলাদেশে চাষের অযোগ্য চাষের জমির পরিমান কত?উঃ ২৭,১৩,২২২ একর।
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কি?উঃ পাট।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল কি ?উঃ চা।
বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান?উঃ চতুর্থ।
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান?উঃ প্রথম।
সবচেয়ে বেশী পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?উঃ ময়মনসিংহ।
রবি শস্য বলতে বুঝায়?উঃ শীতকালীন শস্যকে।
খরিপ শস্য বলতে বুঝায়?উঃ গ্রীষ্মকালীন শস্যকে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিখাতের অবদান কত?উঃ ২১.৯১%।
বাংলাদেশের শস্য ভান্ডার বলা হয় কোন জেলাকে?উঃ বরিশাল।
বাংলাদেশে বানিজ্যিকভাবে প্রথম কখন চা চাষ করা হয়?উঃ ১৯৫৪ সালে।
গম গবেষণা কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?উঃ দিনাজপুর।
বাংলদেশের প্রথম চা বাগান কোনটি?উঃ সিলেটের মালনিছড়া।
সবচেয়ে বেশী চা জন্মে কোন জেলায়?উঃ মৌলভীবাজার জেলায়।
বাংলাদেশের চা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?উঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে।
বাংলাদেশে মোট চা বাগানের সংখ্যা কত?উঃ ১৫৯ টি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশী রেশম উৎপন্ন হয়?উঃ চাঁপাই নবাবগঞ্জে।
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড কোথায় অবস্থিত?উঃ চাঁপাই নবাবগঞ্জে।
বাংলাদেশে কোথায় সবচেয়ে বেশী তামাক জন্মে ?উঃ রংপুরে।
বাংলাদেশে কোথায় সবচেয়ে বেশী তুলা জন্মে ?উঃ যশোরে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প কোনটি?উঃ তিস্তা বাধ প্রকল্প।
বাংলাদেশে ধান গবেষনা কেন্দ্রের সংক্ষিপ্ত নাম কি এবং কোথায় ?উঃ BRRI, গাজিপুর।
BADC বলতে কি বুঝায়?উঃ বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়ন সংস্থা 
Bangladesh Agricultural Development Corporation
জুটন আবিস্কার করেন কে?উঃ ডঃ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমান কত ?উঃ ০.১৪ একর।
সর্বশেষ কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়?উঃ ২০০৮ সালে।
সরকার কৃষকের স্বার্থে কোন সার আমদানী নিষিদ্ধ করেছে ?উঃ এসএসপি
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট কবে প্রতিষ্ঠিত হয় ?উঃ ১৯৭১ সালে।
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট কবে তার কার্যক্রম শুরু করে ?উঃ ১৯৭৩ সালে।
কোন জাতের ছাগল বাংলাদেশে সর্বাপেক্ষা বেশী পাওয়া যায় ?উঃ কৃষ্ণ বঙ্গ।
ভারতের বিহার রাজ্যের যমুনা পাড়ের ছাগল বংশধর বাংলাদেশে কি নামে পরিচিত?উঃ রাম ছাগল।
মহিষ প্রজনন খামার কোথায় ?উঃ বাগেরহাট।
বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?উঃ ঢাকার সাভারে।
বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?উঃ সাভারে।
দেশে বর্তমানে ভেটেরেনারী কলেজ চালু রয়েছে কয়টি ?উঃ ৪টি।
ছাগল উন্নয়ন খামার কোথায় ?উঃ সিলেটের টিলাগড়ে।

 

বাংলাদেশে জনপ্রতি বনভুমির পরিমান কত?উঃ ০.০১৮ হেক্টর।
বাংলাদেশের বন এলাকা কটি অঞ্চলে বিভক্ত ও কি কি ?উঃ ৪টি। যথা- 
     ১। পাহাড়ী বনাঞ্চল ২। ম্যনাগ্রোভ বনাঞ্চল 
     ৩। সমতল এলাকার শাল বনাঞ্চল ৪। গ্রামীন বন।
পাহাড়ী বনাঞ্চলের আয়তন কত ?উঃ ১৫,৬৬,৯৩৫ একর।
ম্যানগ্রোভ বনের আয়তন কত ?উঃ ১৪,০৫,০০০ একর।
শাল বনাঞ্চলের আয়তন কত ?উঃ ২,৮১,৯৫৩ একর।
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত অংশ বনাঞ্চল?উঃ প্রায় ১৭ শতাংশ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?উঃ পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বনভুমি কোনটি ?উঃ সুন্দরবন। (একক হিসেবে বৃহত্তম)
বাংলাদেশের তৃতীয় বনাঞ্চল কোনটি ?উঃ মধুপুর জঙ্গল।
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?উঃ সুন্দরী।
কোন কাঠ থেকে বাক্স ও দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয়?উঃ গেওয়া।
ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে কি প্রস্তুত করা হয়?উঃ পেন্সিল।
কোন গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয় ?উঃ গরান।
কোন জাতীয় গাছ সবচেয়ে বেশী বৃদ্ধি পায়?উঃ বাঁশ জাতীয় গাছ।
ভাওয়াল বনাঞ্চল কোথায় অবস্থিত?উঃ গাজীপুর জেলায়।
মধুপুর বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ কি?উঃ শাল বা গজারী।
কোন গাছ কে সুর্যের কন্যা বলা হয়?উঃ তুলা গাছকে।
দেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?উঃ পার্বত্য বনাঞ্চল।
বরেন্দ্র ভুমিতে কোন গাছ সবচেয়ে বেশি ?উঃ শাল গাছ।
দেশের প্রথম ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেন কবে কোথায় উদ্ধোধন করা হয় ?উঃ ১৭ জানু ২০০১, চন্দ্রনাথ পাহাড়ে।
সুন্দরবন কোন দুটি দেশে বিস্তৃত?উঃ বাংলাদেশ-ভারত।
বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছের নাম কি ?উঃ বৈলাম গাছ।
সুন্দরবনের মোট আয়তন কত ?উঃ ৬০১৭ বর্গ কি. মি।
বাংলাদেশের বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় ?উঃ চট্টগ্রামে।
উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনীয় বনাঞ্চলে সৃজন করা হয়েছে ?উঃ ১০টি জেলায়।
ক্রান্তীয় বনাঞ্চলের প্রধান গাছ হল কোনটি?উঃ শাল বা গজারী।
পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে কোন গাছটি ক্ষতিকারক?উঃ ইউক্লিপটাস।
কোন দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন মোট ভুমির?উঃ ২৫ শতাংশ।
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভুমির কত শতাংশ?উঃ ১৭%।
বাংলাদেশের জাতীয় বননীতি কোন সালে প্রনীত হয়?উঃ ১৯৭৯ সালে।

 

প্রানিজ আমিষের প্রধান উৎস কি?উঃ মাছ।
বাংলাদেশে কয়টি সরকারী মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হ্যাচারী ও খামার আছে?উঃ ৮৬টি।
বাংলাদেশের স্বাদু পানিতে মাছের প্রজাতির সংখ্যা কত?উঃ ২৭০।
বর্তমানে সমুদ্র উপকুল থেকে পাওয়া যায় মোট মৎস্য উৎপাদনের শতকরা কত ভাগ?উঃ ২৭ ভাগ।
চিংড়ি চাষ কর আইন কবে প্রণীত হয়?উঃ ১৯৯২ সালে।
বাংলাদেশে সামুদ্রিক জলাশয়ের মোট আয়তন কত?উঃ ১,৬৬,০০০ বর্গ কি.মি।
বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?উঃ ময়মনসিংহ।
চিংড়ি মাছের উপর গবেষণা হয় কোথায়?উঃ খুলনার পাইকগাছায়।
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম হলে রুই (কার্প) জাতীয় মাছ ধরা নিষেধ?উঃ ২৩ সেন্টিমিটার।
বঙ্গোপসাগরের মৎস্য চারণ ক্ষেত্র কয়টি?উঃ চারটি।
নিমগ্ন মহাগহবর কি?উঃ একটি মৎস্যচারণ ক্ষেত্র।
রেনু পোনা কখন ছাড়ে?উঃ বর্ষাকালে।
বাংলাদেশের প্রধান প্রাণিজ সম্পদ?উঃ মাছ।
পুকুরে কোন মাছ বাচেঁ না?উঃ ইলিশ।

 

বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কি?উঃ প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রাকৃত গ্যাস কি ?উঃ প্রাকৃত গ্যাস হচ্ছে প্রকৃতিতে তৈরী হাইড্রোকার্বন।
প্রাকৃত গ্যাস কিভাবে থাকে?উঃ সাধারণত মিথেন, ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন 
     সামান্য পরিমাণে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
বাংলাদেশের গ্যাস ও তেল ক্ষেত্রের তত্ত্বাবধানের মূল দায়িত্ব 
পালন করে কোন মন্ত্রনালয়?
উঃ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়।
বাংলাদেশে বর্তমানে কত ভাগ মানুষ গ্যাস সুবিধা পাচ্ছে?উঃ ১৪ ভাগ মানুষ।
সিলেটের হরিপুরে তথা বাংলাদেশের প্রথম কবে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে?উঃ ১৯৫৫ সালে।
পাকিস্তান আমলে (১৯৫১-১৯৭১) পর্যন্ত কয়টি গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল?উঃ ৮টি।
কোন সাল থেকে বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে তেল গ্যাস অনুসন্ধান শুরু হয়?উঃ ১৯১০ সালে।
কবে, কোথায় প্রথম অনুসন্ধান কূপ খনন করা হয়?উঃ ১৯১০ সালে। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে।
কোন সাল থেকে কোথায় বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?উঃ ১৯৫৭ সালে (সিলেটের হরিপুরে)।
কোন সালে ছাতকে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়?উঃ ১৯৫৯ সালে।
কবে পেট্রোলিয়াম আইন পাস হয়েছে?উঃ ১৯৭৪ সালে।
পিএসসি পূর্ণরূপ কি?উঃ (Production Sharing Contract) 
     প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধানের উৎপাদন বন্টন চুক্তি।
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?উঃ ইর্স্টান রিফাইনারী লিঃ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
বাংলাদেশে বর্তমানে জুন ২০০৫ পর্যন্ত গ্যাস ফিল্ডের সংখ্যা কত?উঃ ২৫ টি।
সর্বশেষ গ্যাস ক্ষেত্রটির নাম কি?উঃ কুমিল্লার ভাঙ্গুরা।
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?উঃ ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
ঢাকার সরবরাহ কৃত গ্যাস কোন গ্যাস ক্ষেত্র থেকে আসে?উঃ তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র।
তিতাস-ঢাকা গ্যাস লাইন দৈর্ঘ্য কত?উঃ ৯০ কিলোমিটার।
দৈনিক সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হয় কোন গ্যাস ফিল্ড হতে?উঃ বাখরাবাদ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্র কোনটি?উঃ বিবিয়ানা।
১৯৯৭ সালে ১৪ জুন কোন গ্যাস ক্ষেত্রে অগ্নিকান্ড ঘটে?উঃ মাগুরছড়া গ্যাস ক্ষেত্র।
বাংলাদেশে চীনা মাটি পাওয়া গেছে?উঃ নেত্রকোণার বিজয়পুর, নওগাঁর পত্নীতলা, চট্টগ্রামের পটিয়ায়।
মাগুরছড়া গ্যাসক্ষেত্র কোন থানায় অবস্থিত?উঃ কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
মাগুরছড়া গ্যসক্ষেত্র কোন কোম্পানী ড্রিলি করে?উঃ অক্সিডেন্টাল।
দেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাস ক্ষেত্রের নাম কি?উঃ সাংগু।
সাঙ্গু গ্যাস ক্ষেত্রে গ্যাস উত্তোলন করে কোন কোম্পানী?উঃ কেয়ার্ন এনার্জি।
গ্যাস ক্ষেত্রে অনুসন্ধান ও সম্প্রসারনের লক্ষ্যে সারাদেশকে কতটি ব্লকে বিভক্ত করেছে?উঃ ২৩ টি ব্লকে।
বাংলাদেশে গ্যাস উত্তোলনের জন্য আবেদনকৃত আইরিশ কোম্পানীটি কি?উঃ ট্যাল্লো।
বাংলাদেশে কোন গ্যাস ফিল্ডে প্রথম অগ্নিকান্ড ঘটে?উঃ হরিপুর গ্যাস ক্ষেত্রে ১৯৫৫ সালে।
পেট্টোবাংলা পরিত্যক্ত কোন গ্যাস ক্ষেত্রে গ্যাসের সন্ধান পায়?উঃ ফেনী গ্যাস ক্ষেত্র।
খনিজ তেল কি?উঃ জটিল হাইড্রোকার্বন সমূহের মিশ্রন।

 

লর্ড ম্যাকলে কবে শিক্ষা কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন?উঃ ১৮৩৪ সালে।
উইলিয়াম এ্যাডাম কবে বাংলা ও বিহারের শিক্ষা বিষয়ক তথ্য সংগ্রহরের জন্য নিযুক্ত হন।উঃ ২০ জানুয়ারী, ১৮৩৫।
উইলিয়াম এ্যাডাম শিক্ষা বিষয়ক কয়টি বিবরনী দাখিল করেন?উঃ ৩টি।
উইলিয়াম এ্যাডাম কবে তাঁর শিক্ষা বিষয়ক তৃতীয় বিবরন কবে উপস্থাপন করেন?উঃ ২৮ এপ্রিল, ১৯৩৮।
লর্ড কার্জন কিসের ভিত্তিতে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে ব্রতী হন?উঃ ১৯০১ সালের শিমলা শিক্ষা সম্মেলনে 
     গৃহিত ১৫০ টি শিক্ষা সংক্রান্ত প্রস্তাবনার ভিত্তিতে।
কবে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিধিবদ্ধ হয়?উঃ ১৯০৪ সালে।
কবে উডের শিক্ষা দলিল প্রকাশিত হয়?উঃ ১৮৫৩ সালে।
হান্টার কমিশন কবে বড় লাট লর্ড রিপন কর্তৃক নিয়োগ লাভ করে?উঃ ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৮৮২ সাল।
হান্টার কমিশন শিক্ষা সংস্কারে কয়টি প্রস্তাব পেশ করে?উঃ ২২২টি।
স্যাডলার কমিশন কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯১৭ সালে।
স্যাডলার কমিশন কবে রিপোর্ট পেশ করে?উঃ ১৯১৯ সালে।
কোন কমিশন ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে?উঃ স্যাডলার কমিশন।
পাকিসত্মানের প্রথম শিক্ষা কমিটির নাম কি?উঃ আকরাম খান কমিটি।
আকরাম খান কমিটি কবে রিপোর্ট পেশ করে?উঃ ১৯৫২ সালে।
আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯৫৭ সালে।
শরীফ কমিশন কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯৫৯ সালে।
হামদুর রহমান শিক্ষা কমিটি কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯৬৪ সালে।
এয়ার মার্র্শাল এম, নূর খানকে সভাপতি করে শিক্ষা কমিটি গঠিত হয়?উঃ ১৯৬৯ সালে।
শামস-উল- হক শিক্ষা কমিটি কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯৭০ সালে।
কুদরত-ই- খুদা শিক্ষা কমিশন কবে গঠিত হয়?উঃ ২৬ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
কুদরত-ই- খুদা শিক্ষা কমিশন কবে রিপোর্ট পেশ করে?উঃ ৩০ মে, ১৯৭৪ সাল।
জাতীয় শিক্ষা পরিষদ কবে রিপোর্ট পেশ করে?উঃ ৫ আগষ্ট, ১৯৭৫ সাল।
জাতীয় শিক্ষা কমিশন কবে গঠিত হয়?উঃ ২৩ এপ্রিল,১৯৮৭ সাল।
জাতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?উঃ অধ্যাপক মফিজ উদ্দিন আহমেদ।
জাতীয় শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট পেশ করে?উঃ ২৬ ফেব্রম্নয়ারী, ১৯৮৮ সাল।
অধ্যাপক এম. শামসুল হক শিক্ষা কমিটি কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯৯৭ সালে।
মোট কতটি (বাংলাদেশ আমল ২০০৯ পর্যন্তু) শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষা কমিটি গঠন করা হয়?উঃ ৮টি।
সপ্তম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?উঃ অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা।
সপ্তম শিক্ষা কমিশনের সদস্য সংখ্যা কত?উঃ ২৪ জন।
মনিরুজ্জামান শিক্ষা কমিশন কখন গঠন করা হয়?উঃ ২০০৩ সালে।
সপ্তম শিক্ষা কমিশন কবে রিপোর্ট পেশ করে?উঃ ৩১ মার্চ, ২০০৪ সালে।
৮ম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?উঃ জাতীয় অধ্যাপক কবির চৌধুরী।
৮ম শিক্ষা কমিশনের সদস্য সংখ্যা কত?উঃ ১৮ জন।
৮ম শিক্ষা কমিশন কখন গঠন করা হয়?উঃ ০৬ এপ্রিল, ২০০৯ সালে।
৮ম শিক্ষা কমিশন কবে রিপোর্ট পেশ করে?উঃ সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সালে।
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষার হার কত?উঃ ৬৩%।
বাংলাদেশের শিক্ষার হার কোন বিভাগে বেশী?উঃ বরিশালে (৭৬.৭%)
বাংলাদেশের শিক্ষার হার কোন বিভাগে কম?উঃ সিলেট (৫৫%)
বাংলাদেশের শিক্ষার হার কোন জেলায় বেশী?উঃ বরগুনা (৮৬.৫৫%) / ঢাকা।
বাংলাদেশের শিক্ষার হার কোন জেলায় কম?উঃ জামালপুর (৩৯.৫৫%)
বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা কোনটি?উঃ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ সালে, মাগুরা।
প্রাথমিক বাধ্যতামূলক আইন পাশ হয় কবে?উঃ ১৯৯০।
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়?উঃ ১ জানুয়ারী, ১৯৯২।
বাংলাদেশে খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা চালু হয়?উঃ ১৯৯৩।
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাশ হয় কবে?উঃ ০৫ আগষ্ট, ১৯৯২।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম কবে শুরু হয়?উঃ ১৯৯২-১৯৯৩ সনে।
বাংলাদেশের প্রথম পাঠাগার কোনটি এবং কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ রাজা রামমোহন রায় লাইব্রেরী, বাংলা ১৩১৩ ঢাকার পাটুয়াটুলিতে।
উপমহাদেশের কবে প্রথম নৈশ বিদ্যালয় চালু হয়?উঃ ১৯১৮ সালে।
ন্যাপ (NAPE) প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?উঃ ১৯৭৭ সালে।
নায়েম (NAEM) প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?উঃ ১৯৮১ সালে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৭৮ সালে।
প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয় কত সালে?উঃ ১৯৭৪ সালে।
বাংলাদেশে প্রাইমারী স্কুলের সংখ্যা কত?উঃ ৮০, ৩৯৭ টি (সরকারী ৩৭,৬৭২ টি ও বেসরকারী ৪২,৭২৫ টি)।
দেশে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোট কতটি?উঃ ১৮,৫০০ টি (বালিকা-৩৭০৮টি)
দেশে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোট কতটি? (নিম্ন মাধ্যমিক সবগুলো বেসরকারী)উঃ ৪,৩২২ টি (বালিকা-১২৪৭টি)
দেশে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোট কতটি?উঃ ৩১৭ টি (বালিকা-১৪৭টি)
দেশে বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোট কতটি? (৬৩৮টি কলেজিয়েট স্কুলসহ)উঃ ১৩,৮৬১ টি (বালিকা-২৩১৪টি)
মোট মাদ্রাসার সংখ্যা মোট কতটি?উঃ ৯,২১৪ টি।
মোট সরকারী মাদ্রাসার সংখ্যা মোট কতটি?উঃ ০৩ টি।
বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী সাধারন কলেজ কতটি? (৬৩৮টি কলেজিয়েট স্কুলসহ)উঃ ৩,১৫০টি (বালিকা-৬০০টি)
বাংলাদেশে সরকারী সাধারন কলেজ কতটি?উঃ ২৫২ টি (বালিকা-৬৪টি)
বাংলাদেশে বেসরকারী সাধারন কলেজ কতটি?উঃ ২,৮৯৯ টি (বালিকা-৫৩৬টি)
বাংলাদেশে সরকারী মেডিকেল কলেজ কতটি?উঃ ১৫ টি।
বাংলাদেশে বেসরকারী মেডিকেল কলেজ কতটি?উঃ ২৭ টি।
বাংলাদেশে সরকারী ডেন্টাল মেডিকেল কলেজ কতটি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে বেসরকারী ডেন্টাল মেডিকেল কলেজ কতটি?উঃ ৮ টি।
বাংলাদেশে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কয়টি?উঃ ৩১ টি।
বাংলাদেশে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কয়টি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?উঃ ৫ টি।
বাংলাদেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?উঃ ৫১ টি।
বাংলাদেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ৭৭ টি।
বাংলাদেশে আইন কলেজ কতটি? (সবগুলো বেসরকারী)উঃ ৭০ টি।
বাংলাদেশে চারুকলা কলেজ কতটি?উঃ ৭ টি।
বাংলাদেশে চারুকলা ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে নার্সিং কলেজ কতটি?উঃ ১ টি। (সরকারী)
বাংলাদেশে নার্সিং ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ৪৪ টি। (৩৯টি সরকারী)
বাংলাদেশে ইউনানী/আয়ুর্বেদিক কলেজ কতটি?উঃ ১৬ টি। (২টি সরকারী)
বাংলাদেশে লেদার টেকনোলজি কলেজ কতটি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে টেক্সটাইল টেকনোলজি কলেজ কতটি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে টেক্সটাইল টেকনোলজি ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ৬ টি।
বাংলাদেশে টেক্সটাইল ভোকেশনাল সেস্টার কতটি?উঃ ২৮ টি। (সরকারী)
বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ কতটি?উঃ ৩০ টি। (১টি সরকারী)
বাংলাদেশে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কতটি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ কতটি?উঃ ১১ টি। (১০টি বালক ও ১টি বালিকা)
বাংলাদেশে সমাজকল্যান গবেষণা ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ১ টি।
বাংলাদেশে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিআই) কতটি?উঃ ৬৪ টি।
বাংলাদেশে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর বর্তমান নাম কি?উঃ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।
বাংলাদেশে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ১ টি। (সরকারী)
বাংলাদেশে টেকনিক্যার্ল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) কতটি?উঃ ১৩ টি।
বাংলাদেশে প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (কতটি?উঃ ৫৪ টি।
বাংলাদেশে বেসরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ কতটি?উঃ ৮৫ টি।
বাংলাদেশে সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি) কতটি?উঃ ১৪ টি। (১৩টি কো. এডু এবং ১টি মহিলা)
বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এইচএসটিটিআই) কতটি?উঃ ৫ টি। (সবগুলো সরকারী)
বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ১ টি । (সরকারী)
বাংলাদেশে টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিটিসি) কতটি?উঃ ১ টি । (সরকারী)
বাংলাদেশে শারিরিক শিক্ষা কলেজ কতটি?উঃ ২৭টি। (৪টি সরকারী)
বাংলাদেশের বানিজ্যিক কলেজ কতটি?উঃ ১৬ টি। (সরকারী)
বাংলাদেশের সংগীত শিক্ষা কলেজ কতটি?উঃ ২ টি। (সব সরকারী)
বাংলাদেশের গস্নাস এন্ড সিরামিক ইনস্টিটিউট কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। (সরকারী), ঢাকায়।
বাংলাদেশে গ্রাফিক্স আর্টস ইনস্টিটিউট কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। ঢাকায়।
বাংলাদেশে এগ্রিকালটারাল ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ৫৯ টি। (১২টি সরকারী)।
বাংলাদেশে সার্ভে ইনস্টিটিউট কতটি?উঃ ২টি (সরকারী)।
বাংলাদেশে মিলিটারী একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। চট্ট্রগ্রামের ভাটিয়ারীতে।
বাংলাদেশে নেভাল একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। চট্ট্রগ্রামের পতেঙ্গায়।
বাংলাদেশে এয়ারফোর্স ট্রেনিং সেন্টার কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। যশোরে।
দেশের প্রথম বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ সাভার, ঢাকা
ওআইসি পরিচালিত একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়টি কোথায় এবং কি নাম?উঃ ইসলামী ইউনির্ভাসিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি), গাজিপুর।
বাংলাদেশ পলিশ একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১টি। রাজশাহীর সারদায়।
বাংলাদেশ আনসার একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। গাজিপুরের সফিপুর।
বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। রাজশাহী।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৮০ সালে। (মিরপুর)
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৯২ সালে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৭৩ সালে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯২১ সালে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিশনের নাম কি?উঃ নাথান কমিশন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাক্ট কবে পাশ হয়?উঃ ২৩ মার্চ, ১৯২০।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি কে হন?উঃ স্যার পিজে হার্টস, ১ ডিসেম্বর, ১৯২০।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান, প্রথম বাঙ্গালী ও উপমহাদেশের প্রথম ভিসি কে হন?উঃ স্যার এ. এফ. রহমান।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজকে ইংল্যান্ডের ‘জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিল’ কবে স্বীকৃতি দেয়?উঃ ৫ আগষ্ট, ১৯৯৩ সালে।
প্রথম মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৮৬ সালে।
ইংরেজি সাহিত্যে পিএইচ-ডি অর্জনকারী প্রথম বাঙ্গালী মুসলমান কে?উঃ ড. সাজ্জাদ হোসায়েন।
ইপসাকে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষনা করা হয়?উঃ ১৯ জুন, ১৯৯৭।
স্বাধীন বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন হয়?উঃ ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
বাংলাদেশের সার্বজনীন শিক্ষা সম্পর্কে সংবিধানের কোন ধারায় উল্লেখ্য আছে?উঃ ১৭ নং ধারায়।
কবে প্রথম জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ করা হয়?উঃ ১৭ মার্চ, ১৯৭৫।
২০০৫ সাল পর্যন্তু কত জন জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ পেয়েছেন?উঃ ১৩ জনকে।
জাতীয় অধ্যাপক মাসিক কত টাকা সম্মানী ভাতা পান?উঃ ১০,০০০ টাকা।
একই ব্যক্তি ২ বার জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত হলে তিনি কি কি অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করেন?উঃ মাসিকভাতার অর্ধেক হারে আজীবন

 

বাংলাদেশের সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও প্রতিষ্ঠাকাল

বিশ্ববিদ্যালয়ের নামপ্রতিষ্ঠাকাল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়১৯২১
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়১৯৫৩
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়১৯৬৬
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়১৯৬১
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়১৯৬১
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়১৯৭০
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়১৯৮৫
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯০
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯১
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯২
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯২
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯৭
বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর১৯৯৮
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯৯
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯৯
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯৯
মাওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়১৯৯৯
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়২০০৩
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়২০০৩
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়২০০৩
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়২০০৩

 

বাংলাদেশের অস্ত্র নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?উঃ গাজিপুর।
বাংলাদেশের মোটর গাড়ির সংযোজনের বৃহত্তম কারখানার নাম কি?উঃ প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশের বৃহত্তম লৌহ ও ইস্পাত কারখানার নাম কি?উঃ চট্টগ্রাম স্টীলমিল, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানার নাম কি?উঃ চট্টগ্রাম ডকইয়ার্ড, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশের কোথায় মোটর সাইকেল সংযোজন কারখানা করা হয়?উঃ এটলাস বাংলাদেশ লিঃ, টংগী।
বাংলাদেশের তেল শোধনাগার কোনটি ও কোথায় অবস্থিত?উঃ ইস্টার্ন রিফাইনারী, চট্টগ্রাম।
বাংলাদেশের কোথায় টেলিফোন শিল্প সংস্থা অবস্থিত?উঃ টংগী, গাজিপুর।
বাংলাদেশের অস্ত্র নির্মান কারখানা কোথায়?উঃ গাজিপুর।
দেশের প্রথম ইকো পার্ক কোনটি?উঃ সীতাকুন্ড চন্দ্রনাথ পাহাড়।
দেশের প্রথম সাফারি পার্কের নাম কি?উঃ বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।
দেশের প্রথম সাফারি পার্ক কোথায় অবস্থিত?উঃ কক্সবাজারের ডুলাহাজরা।
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?উঃ শিল্প মন্ত্রণালয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট চিনি কলের সংখ্যা কতটি?উঃ ১৪ টি।
দেশের সর্ববৃহৎ চিনি কল কোনটি?উঃ কেরু এন্ড কোঃ লিঃ, দর্শনা।
ব্রিটিশ বাংলার প্রথম পাটকল কবে কোথায় স্থাপন করা হয়?উঃ ১৮৫৫ সালে, কলকাতায়।
বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় প্রথম পাটকল কোথায় স্থাপন করা হয়?উঃ সিরাজগঞ্জে।
বাংলাদেশের পাট শিল্পের প্রধান কেন্দ্রগুলো কোথায় অবস্থিত?উঃ ঢাকা ও খুলনায়।
বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের বৃহত্তম পাটকল কোনটি ছিল?উঃ আদমজী পাটকল।
আদমজী পাটকলের তাঁত সংখ্যা ছিল?উঃ ৩,০০০ টি।
আদমজী পাটকল স্থাপন করা হয়?উঃ ১৭ জুন, ১৯৫১ সাল।
আদমজী পাটকলের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?উঃ পাকিস্তানের গুল মোহাম্মদ।
আদমজী পাটকল কবে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়?উঃ ৩০ জুন, ২০০২।
দেশের সর্ববৃহৎ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?উঃ শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ।
লাফার্জ-সুরমা সিমেন্ট কারখানা কোথায় অবস্থিত?উঃ সুনামগঞ্জের ছাতকে
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কাগজ কল কোনটি?উঃ কর্নফুলী পেপার মিল।
কর্নফুলী পেপার মিলের কাঁচামাল কি?উঃ বাঁশ।
পাকশী পেপার মিলের কাঁচামাল কি?উঃ আখের ছোবড়া।
সবুজ পাট দিয়ে কাগজের মন্ড তৈরীর প্রযুক্তি কোন দেশ উদ্ভাবন করে?উঃ বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে মোট কাগজের কলের সংখ্যা কত?উঃ ১০ টি।
প্রাইভেটাইজেশন কমিশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৯৩ সালে।
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?উঃ যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিঃ।
যমুনা র্ফাটিলাইজার কারখানা কোথায় অবস্থিত?উঃ জামালপুর জেলার তারাকান্দি।
বেসরকারী খাতে সবচেয়ে বড় সার কারখানা কোনটি?উঃ কাফকো।
ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল কি?উঃ মিথেন গ্যাস।
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল কোথায় অবস্থিত?উঃ চন্দ্রঘোনায়।
বাংলাদেশের প্রথম বস্ত্রকল কোনটি?উঃ সায়হাম কটন মিল।
মাথা পিছু বাৎসরিক কাপড়ের চাহিদা কত?উঃ ১১ মিটার।
বাংলাদেশের ডান্ডি বলা হত?উঃ নারায়নগঞ্জ।

 

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালূ হয়?উঃ ১৯৯৩ সালে।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার জন্য উন্মুক্ত করে?উঃ ১৯৯৬ সালে।
বাংলাদেশে কবে, কোথায় সাইবার ক্যাফে চালু হয়?উঃ ১৯৯৯ সালে, বনানী।
বাংলাদেশে আইটি ভিলেজ কোথায় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করেছে?উঃ গাজিপুরের কালিয়াকৈর।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম খরচে ফোন করার প্রযুক্তির নাম কি?উঃ ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল বা ভিওআইপি।
বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন কোম্পানীর নাম কি?উঃ সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩ সাল।
বিশ্বের প্রথম ডাক টিকেট চালু হয় কোথায়?উঃ ব্রিটেনে।
ভারতবর্ষে কখন ডাক টিকেট চালু হয়?উঃ ১৮৭৫ সাল।
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডাক টিকেট চালু হয়?উঃ ২০ জুলাই, ১৯৭১ সাল।
বাংলাদেশের মোট ডাকঘরের সংখ্যা কতটি?উঃ ৯৮৬০ টি।
বাংলাদেশে ই-পোস্ট সার্ভিস কবে চালূ হয়?উঃ ১৬ আগষ্ট, ২০০০।
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন কুরিয়ার সার্ভিসের নাম কি?উঃ ইজি-পোস্ট।
বাংলাদেশে কবে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয়?উঃ ০৪ জানুয়ারী, ১৯৯০।
বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন চালূ হয়?উঃ ১৯৯২ সালে।
দেশে মোট কয়টি মোবাইল ফোন কোম্পানী সার্ভিস প্রদান করছে?উঃ ৬ টি।
বিটিআরসি কি?উঃ বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলারেটরী কমিশন।
দেশে মাল্টিমিটারিং সিস্টেম চালু হয় কবে?উঃ ৩০ জুন, ২০০২।
বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র গুলো কোথায় অবস্থিত?উঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বগুড়া, রংপুর, কুমিল্লা, 
     রাঙ্গামাটি, ঠাকুরগাঁও, বরিশাল, যশোর ও কক্সবাজার।
বাংলাদেশ বেতার থেকে কোন কোন ভাষায় অনুষ্ঠান সমপ্রচার করা হয়?উঃ বাংলা, ইংরেজি, র্উদু, হিন্দী, আরবী ও নেপালী।
বাংলদেশ বেতারের সদর দপ্তর কোথায়?উঃ ঢাকার আগারগাঁওয়ে।
স্বধীনবাংলা বেতার কেন্দ্র কোথায় স্থাপিত হয়েছেল?উঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাট।
রেডিও পাকিস্তানের নাম কবে ঢাকা বেতার কেন্দ্র রাখা হয়?উঃ ০৪ মার্চ, ১৯৭১।
জাতীয় সংসদে কবে বেতার-টিভির স্বায়ত্বশাসন বিল পাস হয়?উঃ ১২ জুলাই, ২০০১।
বেসরকারী রেডিও স্টেশনের নাম কি?উঃ রেডিও মেট্রোওয়েভ।
বর্তমানে কয়টি বেসরকারী এফএম রেডিও স্টেশন চালু আছে?উঃ ৪টি (রেডিও টুডে, রেডিও ফুর্তি, রেডিও এবিসি ও রেডিও আমার)
কবে প্রথম বাংলাদেশে টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়?উঃ ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ সাল।
কবে বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশন চালু হয়?উঃ ১ ডিসেম্বর, ১৯৮০।
ঢাকার রামপুরায় কবে টেলিভিশন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়?উঃ ১৯৭৫ সাল।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্নাঙ্গ কেন্দ্র কতটি?উঃ ০২ টি।
চট্টগ্রাম পূর্নাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়?উঃ ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সাল।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপকেন্দ্র কয়টি?উঃ ১৪ টি।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক কোনটি?উঃ একতলা দোতলা, ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৫।
বাংলাদেশে টেলিভিশনের প্রথম সংগীত শিল্পী কে?উঃ ফেরদৌসী রহমান।
বাংলাদেশে টেলিভিশনের প্রথম অনুষ্ঠান কি?উঃ ৫০ মিনিটের ইংরেজি সিনেমা।
বাংলাদেশে টেলিভিশনের প্রথম সংবাদ পাঠক কে?উঃ হুমায়ুন চৌধুরী।
বাংলাদেশে টেলিভিশনের প্রথম ইংরেজি সংবাদ পাঠক কে?উঃ আলম রশীদ।
বাংলাদেশে টেলিভিশনের প্রথম অনুষ্ঠান পরিচালক কে?উঃ কলিম শরাফী।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম টিভি সিরিয়ালের নাম কি?উঃ ত্রিরত্ন, ১৯৬৬।
বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্যাকেজ অনুষ্ঠান গৃহীত হয়?উঃ ১৯৯৪ সালে।
দেশের প্রথম বেসরকারী টেলিভিশনের নাম কি?উঃ একুশে টেলিভিশন।
একুশে টেলিভিশন চালু হয়?উঃ ৮ মার্চ, ১৯৯৮।
একুশে টেলিভিশন বন্ধ হয়ে যায়?উঃ ২৯ আগষ্ট, ২০০২।
একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে ছিলেন?উঃ সাইমন ড্রিং।
বাংলাদেশ টেলিভিশন কবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্যাটেলাইট সম্প্রচার শুরু করে?উঃ ১১ এপ্রিল, ২০০৪।
বাংলাদেশে কখন থেকে ডিশ এন্টেনা ব্যবহারের সরকারী সিদ্ধান্ত হয়?উঃ ২৭ এপ্রিল, ১৯৯২।
বাংলাদেশে ভু-উপগ্রহ কেন্দ্র কয়টি?উঃ ৪ টি। বেতবুনিয়া, তালিবাবাদ, মহাখালী ও সিলেট।
বেতবুনিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?উঃ রাঙ্গামাটি।
তালিবাবাদ কোন জেলায় অবস্থিত?উঃ গাজিপুর।
বাংলাদেশে কতটি আবহাওয়া কেন্দ্র আছে?উঃ ০৩ টি।
বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল পত্রিকার নাম কি?উঃ আইটি.কম।
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন সংবাদ সংস্থার নাম কি?উঃ বিডিনিউজ২৪.কম
জাতীয় সংবাদ সংস্থার নাম কি?উঃ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৭২ সালে।

 

সংবিধানের সংশোধনীসমূহঃ প্রথম সংশোধনী

বিলের শিরোনামসংশোধনীর বিষয়বস্তুপাসের তারিখপক্ষে-বিপক্ষে ভোটমন্তব্য
যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা১৫ই জুলাই ১৯৭৩২৫৪-০
(বিরত ৩ জন)
 
দ্বিতীয় সংশোধনীঅভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমনে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে “জরুরি অবস্থা” ঘোষণার বিধান২০শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩২৬৭-০
(স্বতন্ত্র ও বিরোধীরা ওয়াকআউট করেন)
 
তৃতীয় সংশোধনীবাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন এবং চুক্তি অনুযায়ী ছিটমহল ও অপদখলীয় জমি বিনিময় বিধান২৩শে নভেম্বর ১৯৭৪২৬১-০৭ 
চতুর্থ সংশোধনীসংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন২৫শে জানুয়ারি ১৯৭৫২৯৪-০ 
পঞ্চম সংশোধনী১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ই এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকান্ডকে বৈধতা দান৬ই এপ্রিল ১৯৭৯২৪১-০সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত এবং বাতিলকৃত
ষষ্ঠ সংশোধনীউপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিতকরন৮ই জুলাই ১৯৮১২৫২-০ 
সপ্তম সংশোধনী১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সময়ে প্রণীত সকল ফরমান, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের আদেশ, নির্দেশ ও অধ্যাদেশসহ অন্যান্য সকল আইন অনুমোদন১০ই নভেম্বর ১৯৮৬২২৩-০সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত এবং বাতিলকৃত
অষ্টম সংশোধনীরাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান ও ঢাকার বাইরে ৬টি জেলায় হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন। Dacca-এর নাম Dhaka এবং Bangali-এর নাম Bangla-তে পরিবর্তন করা হয়৭ই জুন ১৯৮৮২৫৪-০ 
নবম সংশোধনীরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের সাথে একই সময়ে উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা, রাষ্ট্রপতি পদে কোন ব্যক্তিকে পর পর দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ রাখা১০ই জুলাই ১৯৮৯২৭২-০ 
দশম সংশোধনীরাষ্ট্রপতির কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে ১৮০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদের বাংলা ভাষ্য সংশোধন ও সংসদে মহিলাদের ৩০টি আসন আরো ১০ বছরকালের জন্য সংরক্ষণ১২ই জুন ১৯৯০২২৬-০ 
একাদশ সংশোধনীঅস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের স্বপদে ফিরে যাবার বিধান৬ই আগস্ট ১৯৯১২৭৮-০ 
দ্বাদশ সংশোধনীসংসদীয় পদ্ধতির সরকার পূণঃপ্রবর্তন ও উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি৬ই আগস্ট ১৯৯১৩০৭-০ 
ত্রয়োদশ সংশোধনীঅবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ-নিদর্লীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন২৭শে মার্চ ১৯৯৬২৬৮-০সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত এবং বাতিলকৃত
চতুর্দশ সংশোধনীনারীদের জন্য সংসদে ৪৫টি সংসদীয় আসন সংরক্ষণ, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংরক্ষণ, অর্থ বিল, সংসদ সদস্যদের শপথ, সাংবিধানিক বিভিন্ন পদের বয়স বৃদ্ধি১৬ই মে ২০০৪২২৬-১ 
পঞ্চদশ সংশোধনীসংবিধানের প্রস্তাবনা সংশোধন, ১৯৭২-এর মূলনীতি পূনর্বহাল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তকরণ, ১/১১ পরবর্তী দ্বিতীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ম বহির্ভুতভাবে ৯০ দিনের অধিক ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি প্রমার্জ্জনা, নারীদের জন্য সংসদে ৫০ টি সংসদীয় আসন সংরক্ষণ, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি৩০শে জুন ২০১১২৯১-১ 
ষোড়শ সংশোধনীবাহাত্তরের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেয়া১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪৩২৮-০

 

বাংলাদেশে কোন ধরনের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রচলিত?উঃ সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি?উঃ সংবিধান।
কোন দেশের কোন লিখিত সংবিধান নাই?উঃ বৃটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন ও সৌদি আরব।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?উঃ ভারত।
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধান কোন দেশের?উঃ আমেরিকা।
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনয়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয় কবে?উঃ ২৩ মার্চ, ১৯৭২।
বাংলাদেশের সংবিধান কবে উত্থাপিত হয়?উঃ ১২ অক্টোবর, ১৯৭২।
গনপরিষদে কবে সংবিধান গৃহীত হয়?উঃ ০৪ নভেম্বর,১৯৭২।
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান বলবৎ হয়?উঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
বাংলাদেশে গনপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি কতজন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয়?উঃ ৩৪ জন।
সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান কে ছিলেন?উঃ ডঃ কামাল হোসেন।
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?উঃ বেগম রাজিয়া বেগম।
বাংলাদেশ সংবিধানের কয়টি পাঠ কয়েছে?উঃ ২ টি। বাংলা ও ইংরেজি।
কি দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান শুরু ও শেষ হয়েছে?উঃ প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু ও ৪টি তফসিল দিয়ে শেষ।
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ আছে?উঃ ১১ টি।
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ/ধারা কতটি?উঃ ১৫৩ টি।
বাংলাদশের প্রথম হস্তলেখা সংবিধানের মূল লেখক কে?উঃ আবদুর রাউফ।
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কোন কাজ রাষ্ট্রপতি এককভাবে করতে সক্ষম?উঃ প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দান।
রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল কত বছর?উঃ কার্যভার গ্রহনের কাল থেকে ৫ বছর।
একজন ব্যক্তি বাংলাদশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন কত মেয়াদকাল?উঃ ২ মেয়াদকাল।
কার উপর আদালতের কোন এখতিয়ার নেই?উঃ রাষ্ট্রপতি।
জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?উঃ স্পিকার।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগ পত্র লিখবেন?উঃ স্পিকারের উদ্দেশ্যে।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ প্রদান করেন কে?উঃ রাষ্ট্রপতি।
এ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করেন কে?উঃ রাষ্ট্রপতি।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?উঃ সুপ্রীম কোর্ট।
সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ আছে?উঃ ২টি । আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের মেয়াদকাল কত?উঃ ৬৭ বছর পর্যন্তু।
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম মূলনীতি কি ছিল?উঃ ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র।
কোন আদেশবলে সংবিধানের মূলনীতি “ধর্মনিরপেক্ষতা” বাদ দেয়া হয়?উঃ ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
কোন আদেশবলে সংবিধানের শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” 
সন্নিবেশিত হয়?
উঃ ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
কোন আদেশবলে বাংলাদেশের নাগরিকগণ “বাংলাদেশী” বলে পরিচিত হন?উঃ ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের” 
নিশ্বয়তা দেয়া আছে?
উঃ ১১ অনুচ্ছেদ।
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “কৃষক ও শ্রমিকের” মুক্তির কথা বলা আছে?উঃ ১৪ অনুচ্ছেদ।
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ” 
এর কথা বলা হয়েছে?
উঃ ২২ অনুচ্ছেদ।
“সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়  
লাভের অধিকারী” বর্ণিত কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ ২৭ অনুচ্ছেদে।
জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত রয়েছে কোন অনুছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩২ অনুচ্ছেদে।
গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত রক্ষাকবচের কোন অনুচ্ছেদ?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৩ অনুচ্ছেদে।
জবরদস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৪ অনুচ্ছেদে।
চলাফেরার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৬ অনুচ্ছেদে।
সমাবেশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৭ অনুচ্ছেদে।
সমিতি ও সংঘ গঠনের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৮ অনুচ্ছেদে।
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে।
বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৯(২) ক অনুচ্ছেদে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৩৯ (২) খ অনুচ্ছেদে।
পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৪০ অনুচ্ছেদে।
ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে কোন অনুছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৪১ অনুচ্ছেদে।
সম্পত্তির অধিকারের কথা বর্ণিত হয়েছে কোন অনুছেদে?উঃ ৩য় ভাগে, ৪২ অনুচ্ছেদে।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?উঃ ৭৪ অনুচ্ছেদ।
ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত কথা বলা হয়েছে?উঃ ৭৭ অনুচ্ছেদে।
জাতীয় সংসদে ন্যায়পাল আইন কবে পাস হয়?উঃ ১৯৮০ সালে।
বাংলাদশের সংবিধানের এ পর্যন্তু মোট কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?উঃ ১৬ টি।
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে জারী করা হয়?উঃ ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫।
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে বাতিল করা হয়?উঃ ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬।
বাংলাদেশের আইন সভার নাম কি?উঃ জাতীয় সংসদ।
জাতীয় সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর কবে স্থাপন করা হয়?উঃ ১৯৬২ সালে।
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?উঃ লুই আই কান।
লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক?উঃ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার কে?উঃ হ্যারি পাম ব্লুম।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরম্ন হয় কবে?উঃ ১৯৬৫ সালে।
জাতীয় সংসদ ভবনের ভূমির পরিমান কত?উঃ ২১৫ একর।
জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়?উঃ ২৮ জানুয়ারী, ১৯৮২।
জাতীয় সংসদ ভবন কত তলা বিশিষ্ট?উঃ ৯ তলা।
জাতীয় সংসদ ভবনের উচ্চতা কত?উঃ ১৫৫ ফুট।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক কি?উঃ শাপলা ফুল।
জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?উঃ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে বসে?উঃ ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮২।
বাংলাদেশের সংসদের মোট আসন সংখ্যা কতটি?উঃ ৩৫০ টি।
বাংলাদেশের সংসদের সাধারন নির্বাচিত আসন সংখ্যা কতটি?উঃ ৩০০ টি।
সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন স্যখ্যা কতটি?উঃ ৫০ টি।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?উঃ পঞ্চগড়-১।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোনটি?উঃ বান্দরবান।
জাতীয় সংসদের কাস্টি ভোট বলা হয়?উঃ স্পিকারের ভোটকে।
সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক 
মধ্যে ব্যবধান কতদিন?
উঃ ৬০ দিন।
সাধারন নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ অধিবশন আহবান করতে হবে?উঃ ৩০ দিন।
সংসদ অধিবেশন কে আহবান করেন?উঃ রাষ্ট্রপতি।
সংসদ অধিবেশনের কোরাম পূর্ন হয় কত জন সংসদ হলে?উঃ ৬০ জন।
সংবিধান সংশোধনের জন্য কত সংসদ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়?উঃ দুই-তৃতীয়াংশ।
একাধারে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়?উঃ ৯০ কার্যদিবস।
গণ-পরিষদের প্রথম স্পিকার কে?উঃ শাহ আব্দুল হামিদ।
গণ-পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে?উঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।
এ দেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস কবে থেকে চর্চা শুরু হয়?উঃ ১৯৩৭ সালে।
কোন কোন বিদেশী প্রথম জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?উঃ যুগোশ্লেভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো-৩১ জানু,
১৯৭৪ এবং ভারতের প্রেসিডেন্ট ভি.ভি. গিরি-১৮ জুন, ১৯৭৪।
বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নির্বাচিত একজন সদস্য 
নিজেই নিজের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন, তিনি কে?
উঃ এডভোকেট আবদুল হামিদ।
নির্বাচন কমিশন কার সমমর্যাদার অধিকারী?উঃ সুপ্রীম কোর্ট।
বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে?উঃ বিচারপতি এম ইদ্রিস।
বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কে?উঃ কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ
নির্বাচন কমিশন কেমন প্রতিষ্ঠান?উঃ স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
“তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল” কবে সংসদে পাশ হয়?উঃ ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)।
এডভোকেট আবদুল হামিদ বাংলাদেশের কততম প্রেসিডেন্ট?উঃ ২০তম।
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?উঃ তাজউদ্দিন আহমেদ।
শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?উঃ ১৪ তম।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হবে?উঃ ৩৫ বছর।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?উঃ ২৫ বছর।

 

প্রথম সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
০৭ মার্চ, ১৯৭৩
০৭ মার্চ, ১৯৭৩
০৭ মার্চ, ১৯৭৩
০৮ টি
১৩৪ টি
৪ টি
মোহাম্মদ উল্লাহ ও আব্দুল মালেক উকিল
২ বছর ৬ মাস ২৯ দিন
০৬ নভেম্বর, ১৯৭৫

দ্বিতীয় সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
১৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৭৯
০২ এপ্রিল, ১৯৭৯
০২ এপ্রিল, ১৯৭৯
০৮ টি
২০৬ টি
২ টি
মির্জা গোলাম হাফিজ
২ বছর ১১ মাস ২২ দিন
২৪ মার্চ, ১৯৮২
 
তৃতীয় সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
০৭ মে, ১৯৮৬
১০ জুলাই, ১৯৮৬
১০ জুলাই, ১৯৮৬
০৪ টি
৭৫ টি
১ টি
শামসুল হুদা চৌধুরী
১ বছর ৪ মাস ২৬ দিন
০৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৭
 
চতুর্থ সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
০৩ মার্চ, ১৯৮৮
২৫ এপ্রিল, ১৯৮৮
২৫ এপ্রিল, ১৯৮৮
——-
৪৭ টি
৩ টি
শামসুল হুদা চৌধুরী
১ বছর ৭ মাস ১১ দিন
০৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
 
পঞ্চম সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
২৭ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯১
০৫ এপ্রিল, ১৯৯১
০৫ এপ্রিল, ১৯৯১
২২ টি
৪০০ টি
২ টি
আব্দুর রহমান বিশ্বাস ও শেখ রাজ্জাক আলী
৪ বছর ৭ মাস ২০ দিন
২৪ নভেম্বর, ১৯৯৫
 
ষষ্ঠ সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৬
১৯ মার্চ, ১৯৯৬
২৪ মার্চ, ১৯৯৬
০১ টি
৩ টি
১ টি
শেখ রাজ্জাক আলী
১২ দিন
৩০ মার্চ, ১৯৯৬
 
সপ্তম সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
১২ জুন, ১৯৯৬
১৪ জুন, ১৯৯৬
১৪ জুন, ১৯৯৬
২৩ টি
৩৮৩ টি
০ টি
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
৫ বছর 
১৩ জুলাই, ২০০১
 
অষ্টম সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
০১ অক্টোবর, ২০০১
২৮ অক্টোবর, ২০০১
২৮ অক্টোবর, ২০০১
২৩ টি
৩৭৩ টি
১ টি
জমির উদ্দিন সরকার
৫ বছর
২৭ অক্টোবর, ২০০৬
 
নবম সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
২৯ ডিসেম্বর, ২০০৮
২৫ জানুয়ারী, ২০০৯
২৫ জানুয়ারী, ২০০৯
১৯ টি
৪১৮ টি
১ টি
এডভোকেট আব্দুল হামিদ ও শিরীন শারমিন চৌধুরী
৫ বছর
২৪ জানুয়ারী, ২০১৪

দশম সংসদ

নির্বাচন
সরকার গঠন
প্রথম অধিবেশন
মোট অধিবেশন
মোট কার্যদিবস
সংবিধান সংশোধনী
স্পীকার
মেয়াদকাল
বিলুপ্ত
০৫ জানুয়ারী, ২০১৪
২৫ জানুয়ারী, ২০১৪
২৯ জানুয়ারী, ২০১৪
—-
—-
—-
শিরীন শারমিন চৌধুরী

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয় কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?উঃ সাংবিধানিক।
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ বলে সরকারী কর্ম কমিশন গঠিত হয়?উঃ ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে।
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্যেদের নিয়োগ বর্নিত হয়েছে?উঃ ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে।
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্যেদের মেয়াদ বর্নিত হয়েছে?উঃ ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে।
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব বর্নিত হয়েছে?উঃ ১৪০ নং অনুচ্ছেদে।
কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কে নিয়োগ প্রদান করেন?উঃ রাষ্ট্রপতি।
উপমহাদেশে প্রথম পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় কবে?উঃ ১৯২৬ সালে।
বেঙ্গল পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় কবে?উঃ ১৯৩৭ সালে।
পূর্ব পাকিস্তান পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় কবে?উঃ ১৯৪৭ সালে।
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ ইকরাম আহমেদ।
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের প্রথম মহিলা চেয়ারম্যান কে ছিলেন?উঃ ড. জিন্নাতুন্নেছা তাহমিদা।
বর্তমানে সরকারী কর্ম কমিশনের অধিনে বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা কত?উঃ ২৮ টি। (বিসিএস বিচার বাদ হয়েছে)
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের মেয়াদকাল কত বৎসর?উঃ ৫ বৎসর।
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানের বয়সসীমা কত বৎসর?উঃ ৬৫ বৎসর।
স্বাধীনতার পরে সরকারী কর্ম কমিশন কবে প্রতিষ্ঠা হয়?উঃ ৯ মে, ১৯৭২।
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান কে ছিলেন?উঃ ড. এ কিউ এম বজলুল করিম।
বর্তমানে সরকারী কর্ম কমিশনের কয়টি আঞ্চলিক অফিস আছে?উঃ ৫ টি। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট।

 

বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম কি?উঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি কিরূপ?উঃ সংসদীয় গণতন্ত্র।
বাংলাদেশ কোন ধরনের রাষ্ট্র?উঃ এককেন্দ্রীক রাষ্ট্র।
সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?উঃ ২১ টি অঞ্চলে (পুরাতন প্রত্যেকটি জেলা)।
১৯৯৬ সালে রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান কে?উঃ মন্ত্রী।
সচিবগণের পদোন্নতির ধাপ গুলো হল?উঃ সহকারী সচিব- সিনিয়র সহকারী সচিব- উপসচিব- যুগ্ম সচিব
   – অতিরিক্ত সচিব- সচিব-সিনিয়র সচিব-মন্ত্রিপরিষদ সচিব
রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের প্রধান কে?উঃ মুখ্য সচিব।
প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের প্রধান কে?উঃ মুখ্য সচিব।
মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান কে?উঃ সচিব।
প্রশাসনে সচিব পদের সংখ্যা কত?উঃ ৭০ টি।
বাংলাদেশে কতটি মন্ত্রণালয় আছে?উঃ ৩৯ টি। (প্রধানমন্ত্রির দপ্তর বাদে)
বাংলাদেশে সিটি কর্পোরেশন সংখ্যা কতটি?উঃ ১১ টি।
বাংলাদেশে পৌরসভার সংখ্যা কতটি?উঃ ৩১৭ টি।
দেশে বর্তমানে মোট উপজেলা কতটি?উঃ ৪৮৭ টি।
বাংলাদেশে ইউনিয়নের সংখ্যা কতটি?উঃ ৪,৫৪৬ টি।
বঙ্গদেশের সর্ব প্রথম জেলা কোনটি?বঙ্গদেশের সর্ব প্রথম জেলা কোনটি?
বঙ্গদেশের প্রথম জেলা গঠিত হয় কবে?উঃ ১৬৬৬ সালে।
১৯৮৪ সালের পূর্বে বাংলাদেশে কতটি জেলা ছিল?উঃ ২১ টি।
বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি জেলা আছে?উঃ ৬৪ টি।
বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি বিভাগ আছে?উঃ ৭ টি।
বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান কে?উঃ বিভাগীয় কমিশনার।
ব্রিটিশ ভারত বঙ্গদেশে প্রতিষ্ঠিত মহকুমা কোনটি?উঃ খুলনা (১৮৪২ সালে।)
সর্ব প্রথম জেলা প্রশাসকের পদ সৃষ্টি হয় কবে?উঃ ১৭৬৬ সালে।
দেশের সকল থানাকে কবে প্রথম উপজেলায় রুপান্তর করা হয়?উঃ ১৯৮৫ সালে।
দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন কোনটি?উঃ গাজীপুর।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ কোনটি?উঃ  চট্টগ্রাম বিভাগ। (৩৩,৭৭১ বঃকিঃমিঃ)
বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?উঃ ময়মনসিংহ। (১০,৫৮৪ বঃকিঃমি)
বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন কোনটি?উঃ সেন্ট মার্টিন। (প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার)
মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান কে?উঃ পুলিশ কমিশনার।
বাংলাদেশে মোট কারাগার সংখ্যা কত?উঃ ৬৭ টি।
ঢাকা পৌরসভা কবে গঠিত হয়?উঃ ১৮৬৪ সালে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার মোট থানা কয়টি?উঃ ৪১ টি।
ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?উঃ ১৮৮৪ সালে।
ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান কে?উঃ আনন্দ চন্দ্র রায়।
ঢাকা পৌরসভার প্রথম মনোনিত চেয়ারম্যান কে?উঃ মিঃ স্কিনার।
কবে ঢাকা পৌরসভাকে পৌর কর্পোরেশন করা হয়?উঃ ১৯৭৮ সালে।
ঢাকা পৌর কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র কে?উঃ ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
কবে ঢাকা পৌর কর্পোরেশনকে সিটি কর্পোরেশন করা হয়?উঃ ১৯৮৯ সালে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মোট ওয়ার্ড সংখ্যা কতটি?উঃ ১০০ টি।
পুলিশের নতুন পোশাক কবে চালু হয়?উঃ ১০ জানুয়ারী, ২০০৪।
বাংলাদেশ পুলিশের মনোগ্রাম থেকে কি বাদ দেয়া হয়েছিল?উঃ নৌকা।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা কতটিউঃ ৩১ টি।
রেপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) কবে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়?উঃ ২৬ মার্চ, ২০০৪

 

প্রধানমন্ত্রীর নামমেয়াদকাল
তাজউদ্দিন আহমেদ১১/০৪/১৯৭১ – ১২/০১/১৯৭২
বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান১২/০১/১৯৭২ – ২৬/০১/১৯৭৫
মোঃ মনসুর আলী২৬/০১/১৯৭৫ – ১৫/০৮/১৯৭৫
মশিউর রহমান (সিনিয়র মিনিস্টার)২৯/০৭/১৯৭৮ – ১২/০৩/১৯৭৯
শাহ আজিজুর রহমান১৫/০৪/১৯৭৯ – ২৪/০৩/১৯৮২
আতাউর রহমান খান৩০/০৩/১৯৮৪ – ০৯/০৭/১৯৮৬
মিজানুর রহমান চৌধুরী০৯/০৭/১৯৮৬ – ২৭/০৩/১৯৮৮
মওদুদ আহমদ২৭/০৩/১৯৮৮ – ১২/০৮/১৯৮৯
কাজী জাফর আহমদ১২/০৮/১৯৮৯ – ০৬/১২/১৯৯০
খালেদা জিয়া২০/০৩/১৯৯১ – ৩০/০৩/১৯৯৬
বিচারপতি (অব) হাবিবুর রহমান (চীফ এ্যাডভাইজার)৩১/০৩/১৯৯৬ – ২৩/০৬/১৯৯৬
শেখ হাসিনা২৩/০৬/১৯৯৬ – ১৫/০৭/২০০১
বিচারপতি (অব) লতিফুর রহমান (চীফ এ্যাডভাইজার)১৫/০৭/২০০১ – ১০/১০/২০০১
খালেদা জিয়া১০/১০/২০০১ – ২৯/১০/২০০৬
ইয়াজউদ্দিন আহমেদ (চীফ এ্যাডভাইজার)২৯/১০/২০০১ – ১১/০১/২০০৬
বিচারপতি (অব) ফজলুল হক (চীফ এ্যাডভাইজার)১১/০১/২০০৬ – ১২/০১/২০০৬
ফখরুদ্দিন আহমেদ (চীফ এ্যাডভাইজার)১২/০১/২০০৬ – ০৬/০১/২০০৯
শেখ হাসিনা০৬/০১/২০০৯ – ১২/০১/২০১৪
শেখ হাসিনা১২/০১/২০১৪ – ০৭/০১/২০১৯
শেখ হাসিনা০৭/০১/২০১৯ – বর্তমান
নির্বাচন কমিশনারের নামমেয়াদকাল
বিচারপতি এম ইদ্রিস০৭/০৭/১৯৭২ – ০৭/০৭/১৯৭৭
বিচারপতি এ কে এম নূরুল ইসলাম০৮/০৭/১৯৭৭ – ১৭/০২/১৯৮৫
বিচারপতি এটিএম মাসুদ১৭/০২/১৯৮৫ – ১৭/০২/১৯৯০
বিচারপতি সুলতান হোসেন খান১৭/০২/১৯৯০ – ২৪/১২/১৯৯০
বিচারপতি এম এ রউফ২৫/১২/১৯৯০ – ১৮/০৪/১৯৯৫
বিচারপতি এ কে এম সাদক২৭/০৪/১৯৯৫ – ০৬/০৪/১৯৯৬
মোহাম্মদ আবু হেনা০৯/০৪/১৯৯৬ – ০৮/০৫/২০০০
এম এ সাইদ২৩/০৫/২০০০ – ২১/০৫/২০০৫
বিচারপতি এম এ আজিজ২৩/০৫/২০০৫ – ২১/০১/২০০৭
এটিএম শামসূল হুদা০৫/০২/২০০৭ – ০৪/০২/২০১২
কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ০৯/০২/২০১২ – ০৯/০২/২০১৭।
কে এম নুরুল হুদা১৫/০২/২০১৭ – বর্তমান।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর কোথায়?উঃ ঢাকায়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান কে?উঃ জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক। (২৫/০৬/২০১৫, ১৮তম)
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর সদর দপ্তর কোথায়?উঃ ঢাকায়।
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর প্রধান কে?উঃ ভাইস এডমিরাল মুহাম্মদ ফরিদ হাবিব
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদর দপ্তর কোথায়?উঃ ঢাকায়।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান কে?উঃ এয়ার মার্শাল আবু এসরার। (১২ জুন/২০১৫)
প্রথম বাঙ্গালী মুসলিম বিমান সেনা কে ছিলেন?উঃ স্কোয়াড্রন লিডার আফাজুর রহমান।
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতির নাম কি?উঃ এম এ জি ওসমানী।
বাংলাদেশের সামরিক সদর দপ্তর কোথায়?উঃ কুর্মিটোলায়।
কোন দিন সশস্ত্র বাহিনী দিবস?উঃ ২১ নভেম্বর।
বাংলাদেশের কোথায় কোথায় সেনা নিবাস আছে?উঃ ঢাকা, মিরপুর, সাভার, গাজিপুর, কুমিল্লা, যশোর, 
     চট্টগ্রাম, রংপুর, সৈয়দপুর, বগুড়া, খুলনা, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, 
     বান্দরবান, টাঙ্গাইল ও রাজশাহী।
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা ব্রিগেডিয়ার কে?উঃ সুরাইয়া রহমান।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রথম পূর্ন জেনারেল কে?উঃ বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পূর্ব নাম কি?উঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত দলের নাম কি?উঃ ট্রাস্কফোর্স।
বাংলাদেশ রাইফেলস এর গোড়া পত্তন হয়েছিল কবে?উঃ ১৯৭৫ সালে।
বাংলাদেশ রাইফেলস এর পূর্ব নাম কি?উঃ রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ান।
বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন চলে কোন রেগুলেশন দ্বারা?উঃ ১৮৬১ সালের রেগুলেশন দ্বারা।
বাংলাদেশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ কবে থেকে শুরু?উঃ ১৯৭৬।
উপমহাদেশে কবে পুলিশ সার্ভিস চালূ হয়?উঃ ১৮৬১ সালে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম রণতরীর নাম কি?উঃ বিএনএস পদ্মা।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কি?উঃ রণতরী।
প্যারাসুটের মাধ্যমে ধ্বংশ প্রাপ্ত বিমান থেকে অবতরনকে কি বলে?উঃ বেল-আউট।
‘সোর্ড অব অনার’ সম্মান কাদের প্রদান করা হয়?উঃ সেনাবাহিনীর শ্রেষ্ঠ ক্যাডেটদের।
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কার অধীনে?উঃ প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশে নিয়োমিত সেনাবাহিনী কবে গঠন করা হয়?উঃ ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।
বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স ট্রেনিং একাডেমী কোথায় অবস্থিত?উঃ যশোর।
বাংলাদেশে মিলিটারী একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। চট্ট্রগ্রামের ভাটিয়ারীতে।
বাংলাদেশে নেভাল একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। চট্ট্রগ্রামের পতেঙ্গায়।
বাংলাদেশে মেরিন একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১ টি। চট্ট্রগ্রামের জলদিয়ায়।
বাংলাদেশ পলিশ একাডেমী কতটি ও কোথায়?উঃ ১টি। রাজশাহীর সারদায়।
আনসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?উঃ শফিপুর, গাজিপুর।
‘আমি যখন পুলিশ ছিলাম’ গ্রন্থের লেখক কে?উঃ ধীরাজ ভট্টাচার্য।
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি পুলিশ রেঞ্জ?উঃ ৬ টি।
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ‘ডগ স্কোয়ার্ড’ কবে গঠিত হয়?উঃ ১৯৯৮ সালে।

 

বাংলা সন কে কবে চালু করেন?উঃ সম্রাট আকবর, ১৫৫৬ ইং সন।
‘গম্ভীরা’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?উঃ চাপাইনবাবগঞ্জ।
‘চটকা’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?উঃ রংপুর অঞ্চলের।
‘ভাটিয়ালী’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?উঃ ময়মনসিংহ।
ঢাকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য গীতের নাম কি?উঃ জারি।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো’ গানটির গীতিকার কে?উঃ আবদুল গফ্‌ফার চৌধুরী।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো’ গানটির প্রথম সুরকার কে?উঃ আবদুল লতিফ।
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো’ গানটির বর্তমান সুরকার কে?উঃ আলতাফ মাহমুদ।
‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির গীতিকার কে?উঃ গোবিন্দ্র হাওলাদার।
‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির সুরকার ও শিল্পী কে?উঃ আপেল মাহমুদ।
বাংলাদশের একমাত্র লোকশিল্প জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?উঃ সোনারগাঁয়ে।
বাংলাদেশের প্রথম যাদুঘর কোনটি?উঃ বরেন্দ্র যাদুঘর, রাজশাহী ১০ ডিসেম্বর, ১৯১০।
ঢাকা যাদুঘর কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ০৭ আগষ্ট, ১৯১৩ সালে।
ঢাকা যাদুঘর কবে জাতীয় যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়?উঃ ১৭ নভেম্বর, ১৯৮৩।
বাংলাদেশের জাতিভিত্ত্বিক বা নৃ-তাত্ত্বিক যাদুঘর কোথায়?উঃ চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে।
মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর কোথায় অবস্থিত?উঃ ঢাকার সেগুন বাগিচায়, ২২ মার্চ, ১৯৯৬।
বিজ্ঞান যাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?উঃ ঢাকার আগারগাঁয়ে।
মহাস্থানগড় যাদুঘর কোথায় অবস্থিত?উঃ বগুড়া।
জয়নুল আর্ট গ্যালারী কোথায় অবস্থিত?উঃ ময়মনসিংহ।
বাংলাদেশের একমাত্র প্রানী যাদুঘর কোথায় অবস্থিত?উঃ মীরপুর, ঢাকা। (চিড়িয়াখানার মধ্যে)
‘দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা ৪৩’ ছবিটি কে একেঁছেন?উঃ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
প্রখ্যাত ‘তিন কন্যা’ ছবিটি কে একেঁছেন?উঃ কামরুল হাসান।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সঙ্গীতজ্ঞ কে ছিলেন?উঃ ওস্তাদ আয়াত আলী খান।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন নৃত্যশিল্পী কে ছিলেন?উঃ বুলবুল চৌধুরী।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন পল্লীগীতি শিল্পী কে ছিলেন?উঃ আব্বাস উদ্দিন ও আব্দুল আলীম।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন যাদুকর কে?উঃ জুয়েল আইচ।
বাংলাদেশের বিখ্যাত ভাস্কর কে?উঃ শামীম সিকদার।
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কাঠ খোদাই শিল্পী কে ?উঃ অলক রায়।
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কাটুনিস্ট কে ?উঃ রফিকুন্নবী (রনবী)।
বাংলাদেশের সুর সম্রাট কাকে বলে?উঃ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ।
বাংলা একাডেমী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ০৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫।
পূর্বে বাংলা একাডেমীর নাম কি ছিল?উঃ বর্ধমান হাউজ।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৭৪।
শিশু একাডেমী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৭৭ সাল।
বাংলাভাষার আদি নিদর্শন কি?উঃ চর্যাপদ।
বাংলাদেশের ‘বাউল সম্রাট’ কাকে বলা হয়?উঃ লালন ফকির।
বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক কে?উঃ চার্লস উইলকিনস্‌।
সর্বপ্রথম চলচ্চিত্র কে, কখন নির্মাণ করেন?উঃ লুমিয়ার ব্রাদার (যুক্তরাষ্ট্র), ১৮৯৫ সাল।
উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক কে?উঃ হীরালাল সেন।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনক কে?উঃ আবদুল জব্বার খান।
হীরালাল সেনের নির্মিত চলচ্চিত্রটি প্রথম কবে কোথায় প্রদর্শিত হয়?উঃ ৪ এপ্রিল, ১৮৯৮ সালে কলিকাতার ক্লাসিক থিয়েটারে।
উপমহাদেশের প্রথম ও বাংলায় সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?উঃ জামাই ষষ্ঠী, ১৯৩১ সালে।
উপহমাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্রের নাম কি?উঃ আলী বাবা ও চল্লিশ চোর।
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?উঃ মুখ ও মুখোশ, ৩ আগষ্ট, ১৯৫৬।
মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে ছিলেন?উঃ আবদুল জব্বার খান।
অস্কার পুরস্কার প্রাপ্ত একমাত্র বাংলা চলচ্চিত্র কোনটি?উঃ পথের পাঁচালী, ১৯৯১ সাল।
পথের পাঁচালী চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে ছিলেন?উঃ সত্যজিৎ রায়।
পথের পাঁচালী চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শিত হয়?উঃ ১৯৫৫ সালে।
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক কে?উঃ জহির রায়হান।
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?উঃ কখনো আসেনি।
জহির রায়হান পরিচালিত বিখ্যাত চলচ্চিত্রগুলো হল?উঃ ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘Stop Genocide’
বাংলাদেশের প্রথম প্রামান্য চিত্রের নাম কি?উঃ ‘স্টপ জেনোসাইড’।
‘চিত্রা নদীর পাড়ে’ ও ‘লালসালু’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?উঃ তানভীর মোকাম্মেল।
‘মুক্তির গান’, ‘অগ্রযাত্রা’ ও ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?উঃ তারেক মাসুদ।
‘চাকা’ ও ‘আগামী’ এর নির্মাতা কে?উঃ মোরশেদুল ইসলাম।
‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা কে?উঃ গৌতম ঘোষ।
‘লিবারেশন ফাইটার্স’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?উঃ আলমগীর কবির।
কোন প্রামান্য চিত্রটি ইন্টারন্যাশনাল এ্যামি অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার লাভ করে?উঃ ‘আমরাও পারি’ (এটিএন বাংলা নির্মিত)।
বাংলা সিনেমার কোন অভিনেত্রী ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রী লাভ করেছেন?উঃ ববিতা।
বাংলা সিনেমার প্রথম অভিনেত্রী কে?উঃ পূর্নিমা সেনগুপ্তা।
বাংলা সিনেমার প্রথম মুসলিম অভিনেত্রী কে?উঃ বনানী চৌধুরী।
বনানী চৌধুরী অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?উঃ বিশ বছর আগে
এফডিসি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৫৮ সালে।
এফডিসিতে নির্মিত প্রথম ছবি কোনটি?উঃ আছিয়া।
এফডিসির প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি কোনটি?উঃ আকাশ ও মাটি।
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
ছাতক গ্যাসক্ষেত্র
রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র
কৈলাসটিলা গ্যাসক্ষেত্র
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র
বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র
ফেনী গ্যাসক্ষেত্র
কামতা গ্যাসক্ষেত্র
জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র
মেঘনা গ্যাসক্ষেত্র
নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্র
শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র
সাংগু গ্যাসক্ষেত্র
সালদা গ্যাসক্ষেত্র
মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র
বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র
লালমাই গ্যাসক্ষেত্র
ভাংগুরা গ্যাসক্ষেত্র
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র

 

বাংলাদেশের সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ের নামভিসির নাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্যার পি জে হাটর্স
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ড. আই এইচ জুবেরী
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ড. আজিজুর রহমান মলি­ক
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ড. এম এ রশীদ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ড. ওসমান গণি
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়অধ্যাপক আলী আহসান
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ড. মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়গোলাম রহমান
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ড. শমসের আলী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়অধ্যাপক এম এ বারী
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়প্রফেসর এম এ কাদের
বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরড. এ এম আশরাফুল কামাল
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ড. এ এম ফারুক
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন মিঞা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ড. এ কে এম আব্দুল হান্নান ভূইয়া
মাওলানা ভাষানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ড. খলিলুর রহমান
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ড. এম আনোয়ারুল য়াযীম
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ড. মীর শহীদুল ইসলাম
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়———————-
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়অধ্যাপক ড. এহসানুল হক

 

আপডেটঃ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে?উঃ আব্দুল হামিদ।
বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?উঃ শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পিকার কে?উঃ শিরীন শারমিন চৌধুরী।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে?উঃ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। (২২তম)
বাংলাদেশের বর্তমান এটর্নী জেনারেল কে?উঃ ব্যারিস্টার মাহবুবে আলম।
বাংলাদেশের বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান কে?উঃ জেনারেল আজিজ আহমেদ। (২৫/০৬/২০১৮, ১৯তম)
বাংলাদেশের বর্তমান নৌবাহিনীর প্রধান কে?উঃ এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ (২৭ জানু, ২০১৬)।
বাংলাদেশের বর্তমান বিমান বাহিনীর প্রধান কে?উঃ এয়ার মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। (১২ জুন/২০১৮)
বাংলাদেশের ডিজিএফআই-এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?‌‌উঃ মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আবেদীন।
দূনীতি দমন কমিশনের (দূদক) বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ ইকবাল মাহমুদ।
সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ মোহাম্মদ সাদিক।
প্রধান নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) কে?উঃ কে এম নূরুল হুদা।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ প্রফেসর আবদুল মান্নান (১২তম)।
আইন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ মনোয়ার ইসলাম।
স্থানীয় সরকার রেগুলেটরি কমিশনের প্রথম/বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ সাবেক সচিব ফাইজুর রাজ্জাক।
বিটিআরসি-এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ ড. শাহজাহান মাহমুদ।
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে?উঃ শামসুজ্জামান খান।
শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ লিয়াকত আলী লাকী।
শিশু একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে?উঃ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
বর্তমান কর ন্যায়পাল কে?উঃ পদটি বিলুপ্ত
বর্তমান কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) কে?উঃ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী।
র‌্যাব-এর বর্তমান মহা-পরিচালক কে?উঃ বেনজীর আহমেদ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গর্ভণর কে?উঃ ফজলে কবির।
বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান আইজি কে?উঃ ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কে?উঃ মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?উঃ মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম।
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক কে?উঃ মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ।
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক কে?উঃ মেজর জেনারেল মোঃ মজিবুর রহমান।
বর্তমান মন্ত্রী পরিষদ সচিব কে?উঃ মোহাম্মদ শফিউল আলম।
পার্বত্য ভূমি বিরোধ কমিশনের চেয়ারম্যান কে?ঊঃ অবঃ বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক।
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে?উঃ বৃষ কেতু চাকমা।
বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে?উঃ ক্য শৈ হ্লা মার্মা।
খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে?উঃ কংজরী চৌধুরী।
রেগুলেটরী রিফরর্ম কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ বর্তমানে বিলুপ্ত।
জাতিসংঘে নিয়োজিত বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি কে?উঃ মাসুদ বিন মোমেন।
জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (জেএসসি) বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ —————–।
ট্রথ কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ বর্তমান বিলুপ্ত।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ কাজী রিয়াজুল হক।
সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বর্তমান চেয়ারম্যান কে?উঃ ড. এম. খায়রুল হোসেন।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কে?
(বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশন বিলুপ্ত করে)
উঃ কাজী মো. আমিনুল ইসলাম।
বর্তমান প্রধান তথ্য কমিশনার কে?উঃ মরতুজা আহমদ। (১৮ জানু, ২০১৮)
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান?উঃ মাহবুবুল হক (চলতি দায়িত্ব)।
সুপ্রিমকোর্টের বর্তমান রেজিস্ট্রার জেনারেল কে?উঃ ড. মো. জাকির হোসেন।



বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম কি?উঃ সুপ্রীম কোর্ট।
সুপ্রীম কোর্টর ডিভিশন কটি ও কি কি?উঃ ২ টি। হাইকোর্ট ডিভিশন ও এ্যাপিলেট ডিভিশন।
আপিল বিভাগের বর্তমানে বিচারকের সংখ্যা কত জন?উঃ ৮ জন।
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতির কার্যকালের মেয়াদ কত?উঃ তাদের বয়স ৬৭ বৎসর পূর্ন হওয়া পর্যন্তু।
সুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সদস্য কারা?উঃ প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী দুজন সিনিয়র বিচারপতি।
বিচারপতিদের নিয়োগ করেন কে?উঃ রাষ্ট্রপতি।
দেশে প্রথম মহিলা বিচারপতির নাম কি?উঃ নাজমুন আরা সুলতানা।
দেশে প্রথম মহিলা বিচারপতির (আপিল বিভাগ) নাম কি?উঃ নাজমুন আরা সুলতানা।
বাংলাদেশে প্রথম অন্ধ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কে?উঃ এডভোকেট খাদেমুল ইসলাম।
দেশের প্রথম মহিলা পিপি-র নাম কি?উঃ শামীম আরা স্বপ্না|
হাই কোর্টে ফতোয়া কবে বেআইনি বলে রায় দেয়?উঃ ১ জানুয়ারী, ২০০১।
সুপ্রীম কোর্টে ফতোয়াকে কবে অবৈধ বলে ঘোষনা দেয়?উঃ ৪ মার্চ, ২০০১।
নির্বাহী বিভাগ থেকে কবে বিচার বিভাগ স্বাধীন পথ চলা শুরু হয়?উঃ ১ নভেম্বর, ২০০৭।
বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে কে মামলা করেন?উঃ মাজদার হোসেনসহ ৪৪০ বিচারক।
মাজদার হোসেন কখন মামলাটি করেন?উঃ ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৫।
মাজদার হোসেন মামলার বাদি পক্ষের প্রধান আইনজীবি কে ছিলেন?উঃ ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম।
কবে হাইকোর্ট মাজদার হোসেনের পক্ষে রায় প্রদান করেন?উঃ ০৭ মে, ১৯৯৭।
কবে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করেন?উঃ ১৯৯৯।
বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে বিভিন্ন সরকার কতবার সময় নেয়?উঃ ২৭ বার।
স্বাধীন বিচার বিভাগ করতে কতটি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সষ্টি করা হয়?উঃ ৬৫৫ জন (৬০০টি জুডিশিয়াল 
 ও ৫৫টি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।
কতজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে স্বাধীন বিচার বিভাগ চালু হয়?উঃ ২১৮ জন সহকারী জজ।
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের কিভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়?উঃ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে।
জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সদস্য সংখ্যা কত জন?উঃ ১১ জন।
জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সদস্য সংখ্যা কত জন?উঃ ৯ জন।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের বিচারিক ক্ষমতা কতটি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট আছে?উঃ ২৫টি ক্ষেত্রে।
ব্রিটিশ আমলে সর্ব প্রথম কবে থেকে ফৌজদারী আদালত স্থাপন করা হয়?উঃ ১৭৭২ সালে।
ব্রিটিশ আমলে কে কখন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ সম্পূর্ন স্বাধীন করে দেন?উঃ লর্ড কর্নওয়ালিশ, ১৭৯৩।
ব্রিটিশ আমলে কে কখন আবার নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগ একীভূত করেন?উঃ লর্ড হেস্টিংস, ১৮২১।
ব্রিটিশ আমলে কখন দেওয়ানী কাজ ফৌজদারী কাজ থেকে আলাদা করা হয়?উঃ ১৮৩১ সালে।
মূল সংবিধানের কত অনুছেদে বিচার বিভাগ আলাদা করার কথা বলা হয়?উঃ ২২ অনুছেদে।
সুপ্রিমকোর্টের প্রথম রেজিস্ট্রার জেনারেল কে?উঃ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।

 

রাষ্ট্রপতি নামমেয়াদকাল
শেখ মুজিবুর রহমান১০/০৪/১৯৭১ – ১২/০১/১৯৭২
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত)১৭/০৪/১৯৭১ – ১০/০১/১৯৭২
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী১২/০১/১৯৭২ – ২৪/১২/১৯৭৩
মোহাম্মদ উল্ল্যাহ২৭/০১/১৯৭৪ – ২৫/০১/১৯৭৫
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।২৫/০১/১৯৭৫ – ১৫/০৮/১৯৭৫
খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ১৫/০৮/১৯৭৫ – ০৬/১১/১৯৭৫
বিচারপতি এ এস এম সায়েম০৬/১১/১৯৭৫ – ২১/০৪/১৯৭৭
মেজর জেনারেল : জিয়াউর রহমান।২১/০৪/১৯৭৭ – ৩০/০৫/১৯৮১
বিচারপতি আবদুস সাত্তার৩০/০৫/১৯৮১ – ২৪/০৩/১৯৮২
এইচ এম এরশাদ২৪/০৩/১৯৮২ – ২৭/০৩/১৯৮২
বিচারপতি এ এফ এম আহসান উদ্দিন চৌধুরী২৭/০৩/১৯৮২ – ১১/১২/১৯৮২
এইচ এম এরশাদ১১/১২/১৯৮৩ – ০৬/১২/১৯৯০
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মদ (অস্থায়ী)০৬/১২/১৯৯০ – ১০/১০/১৯৯১
আবদুর রহমান বিশ্বাস১০/১০/১৯৯১ – ০৯/১০/১৯৯৬
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মদ০৯/১০/১৯৯৬ – ১৪/১১/২০০১
অধ্যাপক এ. কিউ. এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী১৪/১১/২০০১ – ২১/০৬/২০০২
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার২১/০৬/২০০২ – ০৬/০৯/২০০২
অধ্যাপক ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ০৬/০৯/২০০২ – ১২/০২/২০০৯
অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান১২/০২/২০০৯ – ২০/০৩/২০১৩
এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ২০/০৩/২০১৩ – ০৭/০২/২০১৮
এ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ০৭/০২/২০১৮ – বর্তমান

 

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি?উঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ?উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি ?উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
বাংলাদেশের প্রথম স্পীকার (গণ পরিষদ) ?উঃ শাহ আব্দুল হামিদ।
বাংলাদেশের প্রথম স্পীকার (জাতীয় সংসদ) ?উঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।
বাংলাদেশের প্রথম সি.ইন.সি. ?উঃ জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ?উঃ এ. এস. এম. সায়েম
বাংলাদেশের প্রথম এটর্নী জেনারেল ?উঃ এম. এইচ. খোন্দকার।
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ?উঃ তাজউদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ?উঃ বেগম খালেদা জিয়া
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা বিরোধী দলীয় নেত্রী ?উঃ শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশন ?উঃ বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস।
বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ?উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস-চ্যান্সেলর ?উঃ স্যার পি. জে. হাটর্স।
ঢাকা পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান ?উঃ মিঃ স্কিনার।
ঢাকা পৌরসভার নির্বাচিত প্রথম চেয়ারম্যান ?উঃ আনন্দ চন্দ্র রায়।
ঢাকা পৌর কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র ?উঃ ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত প্রথম মেয়র ?উঃ মোহাম্মদ হানিফ
প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলনকারী ?উঃ আ. স. ম. আব্দুর রব।
বাংলদেশ ব্যাংকের প্রথম গর্ভনর ?উঃ এ. এন. হামিদুল্লাহ
বাংলাদেশে প্রথম মুদ্রা প্রচলনের তারিখ ?উঃ ০৪ মার্চ, ১৯৭২
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ?উঃ ভারত
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা নোটারী পাবলিক ?উঃ মিসেস কামরুন্নাহার লাইলী
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পাইলট ?উঃ কানিজ ফাতেমা রোকশানা।
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রদূত ?উঃ মাহমুদা হক চৌধূরী
বাংলাদেশ পলিশ একাডেমীর প্রথম মহিলা প্যারেড কমান্ডার ?উঃ এলিজা শারমিন (০২ সেপ্টেম্বর, ২০০৭)।
বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা কোনটি?উঃ ভালুকা, ময়মনসিংহ।
বাংলাদেশের প্রথম এভারেষ্ট বিজয়ী কে?উঃ মুসা ইব্রাহিম (২৩ মে, ২০১০)
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা কুটনীতিবিদ?উঃ তাহমিনা হক ডলি
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা সচিব ?উঃ জাকিয়া আখতার
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা এস.পি ?উঃ বেগম রওশন আরা
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা কাস্টমস কমিশনার ?উঃ হাসিনা খাতুন
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম মহিলা ব্যবস্থাপক ?উঃ নাজনিন সুলতানা
বাংলাদেশের ব্যাংকিং জগতের প্রথম এম.ডি. ?উঃ আনিসা হামেদ
বাংলাদেশের হাইকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি?উঃ নাজমুন আরা সুলতানা
বাংলাদেশের আপীল প্রথম মহিলা বিচারপতি?উঃ নাজমুন আরা সুলতানা
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা বিগ্রেডিয়ার?উঃ সুরাইয়া রহমান।
বাংলাদেশের প্রথম জেলা প্রকাশক?উঃ কামরুন নেসা খানম, মোশফেক ইফফাত, 
বেগম মমতাজ আহমেদ, রাবেয়া বেগম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা উপ-উপাচার্য?উঃ ডঃ জিন্নাতুন্নেছা তাহমিদা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রথম মহিলা চেয়ারম্যান?উঃ ডঃ জিন্নাতুন্নেছা তাহমিদা
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ?উঃ বেতবুনিয়া, রাঙ্গামাটি।
প্রথম বাঙ্গালী ভাইস চ্যান্সেলর ?উঃ স্যার এফ রহমান
প্রথম বাঙ্গালী বিলেত গমণকারী ?উঃ রাজা রামমোহন রায়।
প্রথম বাঙ্গালী বিচারপতি?উঃ স্যার সৈয়দ আমির আলী
প্রথম বাঙ্গালী নোবেল বিজয়ী ?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় রাষ্ট্রদূত?উঃ শরদিন্দু শেখর চাকমা
বাংলাদেশের প্রথম বানিজ্য জাহাজ ?উঃ বাংলার দূত
বাংলাদেশের প্রথম রণতরী ?উঃ বি. এন. এস. পদ্মা
প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র?উঃ মুখ ও মুখোশ, ৩ আগষ্ট, ১৯৫৬।
প্রথম মুসলিম অভিনেত্রী ?উঃ বনানী চৌধুরী
প্রথম ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী বাঙ্গালী ?উঃ ব্রজেন দাশ (৬ বার)
বিটিভি’র প্রথম মহিলা মহাপরিচালক ?উঃ ফেরদৌস আরা বেগম
বাংলাদেশের প্রথম নারী ওসি কে?উঃ হোসনে আরা বেগম।
জাতিসংঘে নিয়োজিত বাংলাদেশের প্রথম (মহিলা) স্থায়ী প্রতিনিধি কে?উঃ ইসমাত জাহান।
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা এভারেষ্ট বিজয়ী কে?উঃ নিশাত মজুমদার (২০ মে, ২০১২)
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পারাট্রুপার কে?উঃ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জান্নাতুল ফেরদৌস। (০৭/০২/২০১৩)
বাংলাদেশের প্রথম নারী সহকারী ট্রেন কে?উঃ সালমা খাতুন।
সুপ্রিমকোর্টের প্রথম রেজিস্ট্রার জেনারেল কে?উঃ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বাঁধ ?উঃ কাপ্তাই বাঁধ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল ?উঃ চলন বিল।
বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনির কল ?উঃ কেরু এন্ড কোং, দর্শনা, কুষ্টিয়া।
বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল ছিল?উঃ আদমজী জুট মিল (নারায়নগঞ্জ)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল বর্তমানে কোনটি?উঃ ক্রিসেন্ট জুট মিলস (খুলনা)। (তাঁত -১১৩৬ এবং আয়তন-১১৩ একর)
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল স্টেশন ?উঃ কমলাপুর (ঢাকা)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল জংশন ?উঃ ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন।
বাংলাদেশের বৃহত্তম মসজিদ ?উঃ বায়তুল মোকাররম (ঢাকা)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিমান বন্দর ?উঃ হজরত শাহ্‌ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর (ঢাকা)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম একক বনভূমি ?উঃ সুন্দরবন।
বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রন্থাগার ?উঃ পাবলিক লাইব্রেরী (ঢাকা)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম উদ্যান ?উঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (ঢাকা)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম পার্ক ?উঃ রমনা পার্ক।
বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা?উঃ বাঘাইছড়ি (১৯৮১ ব: কি:মি:)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা?উঃ বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী (জনসংখ্যার ভিত্তিতে)।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম থানা ?উঃ সুত্রাপুর ও কোতোয়ালী (২.৫৯ ব:কিমি)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা ?উঃ রাঙ্গামাটি (৬১১৬ ব: কি:মি:)।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা?উঃ নারায়ণগঞ্জ (৬৮৩.১৪ বর্গ কিঃ মিঃ), মেহেরপুর (৭১৬.০৮ বর্গ কিঃ মিঃ)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ?উঃ চট্টগ্রাম (৩৩,৭৭১ ব:কি:মি:)।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ?উঃ ময়মনসিংহ। (১০,৫৮৪ বঃকিঃমি)
বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ?উঃ ভোলা (৩৮৬ ব:কি:মি:)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় ?উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের বৃহত্তম কাগজের কল ?উঃ কর্ণফুলী পেপার মিল (চন্দ্রঘোনা, রাঙ্গামাটি)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা ?উঃ শাহজালাল সার কারখানা (ফেঞ্চুগঞ্জ)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম জাদুঘর ?উঃ ঢাকা জাতীয় জাদুঘর।
বাংলাদেশের বৃহত্তম চিড়িয়াখানা ?উঃ মিরপুর চিড়িয়াখানা।
বাংলাদেশের বৃহত্তম চক্ষু হাসপাতাল ?উঃ চক্ষু হাসপাতাল (চট্টগ্রাম)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাসপাতাল ?উঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্টেডিয়াম ?উঃ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম।
বাংলাদেশের বৃহত্তম ব্যাংক ?উঃ সোনালী ব্যাংক।
বাংলাদেশের বৃহত্তম সিনেমা হল ?উঃ মনিহার (যশোর)।
বাংলাদেশের বৃহত্তম কন্টেনার জাহাজ ?উঃ বাংলার দূত
বাংলাদেশের বৃহত্তম শহর ?উঃ ঢাকা
বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর ?উঃ চট্টগ্রাম বন্দর
বাংলাদেশের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ?উঃ কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ?উঃ ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র
বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র ?উঃ তিতাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বাংলাদেশের বৃহত্তম হোটেল ?উঃ হোটেল সোনারগাঁও, ঢাকা
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ ?উঃ তাজিংডং (বিজয়) (১২৩১ মিঃ)
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড় ?উঃ গারো (ময়মনসিংহ)
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃক্ষ ?উঃ বৈলাম (প্রায় ৬১ মিটার)
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী ?উঃ সুরমা
বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী ?উঃ যমুনা
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু ?উঃ হার্ডিঞ্জ ব্রীজ (১৭৯৬ মি:)
বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়ক সেতু ?উঃ বঙ্গবন্ধু যমুনা ব্রীজ (৪.৮ কি: মি:)
বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ?উঃ কক্সবাজার (পৃথিবীর মধ্যে দীর্ঘতম)
বাংলাদেশের দীর্ঘতম মানুষ ?উঃ পরিমল বর্মন, জিঞ্জিরা, ঢাকা (৮ফুট ৩ ইঞ্চি)
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ?উঃ লালখান, সিলেট (৩৮৭৭ মি:মি:)
বাংলাদেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত ?উঃ লালপুর, নাটোর
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান ?উঃ রাজশাহীর লালপুর (৪৫.১ ডিগ্রী)
বাংলাদেশের শীতলতম স্থান ?উঃ সিলেটের শ্রীমঙ্গল (২.৮ ডিগ্রী)

 

স্থাপত্য ও ভাস্কর্যঅবস্থানস্থপতি
কিংবদন্তীমিরপুর-১ গোল চত্বরহামিদুজ্জামান খান
বীরের প্রত্যাবর্তনসোইলমাদ গ্রাম, ভাটারা, বাড্ডা, ঢাকা।সুদীপ্ত মল্লিক সুইডেন।
রাজসিক বিহারহোটেল রূপশী বাংলা এর সামনে।মৃনাল হক
শহীদ মিনারঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনহামিদুর রহমান
জাতীয় স্মৃতি সৌধসাভার, ঢাকাসৈয়দ মইনুল হোসেন
জাতীয় সংসদ ভবনশেরে বাংলানগর, ঢাকামিঃ লুই আইকান
অপরাজেয় বাংলাকলা ভবন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
অমর একুশেজাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভারজাহানারা পারভীন
সাবাস বাংলাদেশরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়নিতুন কুন্ডু
স্বোপার্জিত স্বাধীনতাটিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়শামীম সিকদার
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধমীরপুর, ঢাকামোস্তফা হারুন কুদ্দুস
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধমীরপুর, ঢাকা (২)ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
বলাকামতিঝিল, ঢাকামৃনাল হক
জাতীয় যাদুঘরশাহবাগ, ঢাকামোস্তফা কামাল
কমলাপুর রেল স্টেশনকমলাপুর, ঢাকামিঃ বব বুই
স্বাধীনতাকাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকাহামিদুজ্জামান খান
শাপলা চত্বরমতিঝিল, ঢাকাআজিজুল জলিল পাশা
জাগ্রত চৌরঙ্গীজয়দেবপুর চৌরাস্তা, গাজিপুরআবদুর রাজ্জাক
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধমুজিবনগর, মেহেরপুরতানভীর কবির
বায়তুল মোকাররমবঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকাআবুল হোসেন মোঃ থারিয়ানী
টি এস সিঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কন্সট্যানটাইন ডক্সাইড
তিন নেতার মাজারঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকামাসুদ আহমেদ
দোয়েল চত্বরকার্জন হলের সামনেআজিজুল জলিল পাশা
জাতীয় শিশু পার্কশাহবাগ, ঢাকাশামসুল ওয়ারেস
বোটানিক্যাল গার্ডেনমীরপুর, ঢাকাশামসুল ওয়ারেস
হজরত শাহ্‌ জালাল (রাঃ) বিমান বন্দরকুর্মিটোলা, ঢাকামিঃ লারোস
হামিদুজ্জামান খানশাহবাগ, ঢাকামিশুক
মুক্ত বাংলাইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ারশীদ আহমেদ
স্বাধীনতা সংগ্রামফুলার রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়শামীম সিকদার
স্বাধীনতা স্তম্ভসোহরাওয়ার্দী উদ্যান১। এ কে এম সিরাজুদ্দিন, ২। মেরিনা ও মাহবুব সোবাহান
সংগ্রামসোনারগাঁও লোকশিল্প যাদুঘরশিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
সংশপ্তকজাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়হামিদুজ্জামান খান
ভাষা অমরতাজাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়জাহানারা পারভীন
সার্ক ফোয়ারাসোনারগাঁ হোটেলের সামনেনিতুন কুন্ডু
বিজয়োল্লাসআনোয়ার পাশা ভবনশামীম সিকদার
চেতনা-৭১পুলিশ লাইন, কুষ্টিয়ামোঃ ইউনুস
স্মারক ভাস্কর্যচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়মর্তুজা বশীর
জয় বাংলা জয় তারুন্যঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়আলাউদ্দীন বুলবুল
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ময়মনসিংহ।পল রুডলফ
বাংলাদেশের মানচিত্রকামরুল হাসান
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ঢাকাখায়রুল ইসলাম
চারুকলা ইনস্টিটিউটঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়মাযহারুল ইসলাম
ওসমানী মেমরিয়াল হলসচিবালয়ের সামনেশাহ আলম জহিরুদ্দিন
বঙ্গবন্ধু মনুমেন্টগুলিস্থান, ঢাকাসিরাজুল ইসলাম
বিজয় স্বরনী ফোয়ারাতেজগাঁও, ঢাকাআবদুর রাজ্জাক
মোদের গরববাংলা একাডেমী প্রাঙ্গন।অখিল পাল
শান্তির স্তম্ভজাতীয় প্যারেড স্কয়ারে।———-
শান্তির পাখিটিএসসি চত্ত্বরহামিদুজ্জামান খান
আব্বাস উদ্দীন চত্বরপল্টন মোড়ড. নিজাম উদ্দীন আহমেদ
সিরিয়াস ডিসকাশনচারুকলা ইনস্টিটিউট, ঢাকা।ভেযশ হালদার যশ
রানাররাজশাহী পোস্টাল একাডেমী গেট।আজমল হক সাচ্চু।

 

বর্তমান নামপূর্বনাম
বাংলাদেশবঙ্গ-দ্রাবিড়
ঢাকাজাহাঙ্গীর নগর
নোয়াখালীসুধারাম- ভুলুয়া
মুজিব নগরবৈদ্যনাথ তলা
বাংলা একাডেমীবর্ধমান হাউজ
ফরিদপুরফতেহাবাদ
কক্সবাজারফালকিং
কুমিল্লাত্রিপুরা/পরগণা
জামালপুরসিংহজানী
খুলনাজাহানাবাদ
ফেনীশমসের নগর
ময়নামতিরোহিতগিরি
মুন্সিগঞ্জবিক্রমপুর
দিনাজপুরগন্ডোয়ানাল্যান্ড
যশোরখলিফাতাবাদ
শরীয়তপুরইন্দাকপুর পরগণা
উত্তর বঙ্গবরেন্দ্রভূমি
রাজবাড়ীগোয়ালন্দ
সাতক্ষিরাসাতঘরিয়া
শাহবাগবাগ-ই-শাহেন শাহ
কুষ্টিয়ানদিয়া
গাজিপুরজয়দেবপুর
চট্টগ্রাম১. পোর্টো গ্রানডে (পর্তুগিজ আমলে)
চট্টগ্রাম২. ইসলামাবাদ (মূঘল আমলে)
পদ্মা (রাষ্ট্রীয় অথিতি ভবন)গুল মোহাম্মদ আদমজীর বাসভবন
বঙ্গভবন১. নিউ গভর্নমেন্ট হাউজ
 ২. তৎপূর্বে ঢাকার নবাবদের বাগান বাড়ী।
বরিশাল১. বাকলা, ২. চন্দ্রদ্বীপ, ৩. ইসমাইলপুর
ময়মনসিংহনাসিরাবাদ
সিলেটজালালাবাদ
বাগেরহাটখলিফাতাবাদ
সুপ্রীম কোর্ট ভবনগভর্নরের বাসভবন
মেঘনা (রাষ্ট্রীয় অথিতি ভবন)হানিফ আদমজীর বাসভবন
প্রধানমন্ত্রির দপ্তরপুরাতন সংসদ ভবন
লালবাগ কেল্লাআওরঙ্গবাদ দূর্গ

 

উপজাতীয়আবাসস্থল
গারোময়মনসিংহ
চাকমারাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি
সাঁওতালরাজশাহী ও দিনাজপুর
রাখাইনপটুয়াখালী
মারমাকক্সবাজার, বান্দরবান ও পটুয়াখালী
হাজংময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
রাজবংশীরংপুর
মুরংবান্দরবানের গভীর অরণ্যে
কুকিসাজেক ভেলী (রাঙ্গামাটি)
হুদিনেত্রকোনা
পাংখোবান্দরবান
খাসিয়াসিলেট
ওরাওবগুড়া, রংপুর
টিপরাখাগড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রাম
লুসাইপার্বত্য চট্টগ্রাম
খুমিবান্দরবান
মনিপুরীসিলেট
তনচংগারাঙ্গামাটি
রনজোগীবান্দরবানের গভীর অরণ্যে