প্রতিটি টপিক পড়ার জন্য প্লাস “+” আইকনে এবং লুকানোর জন্য মাইনাস “” আইকনে ক্লিক করুন। 

বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ

আধুনিক বাংলা ভাষার পরিধি কত সাল থেকে শুরু হয়েছে?উঃ ১৮০১ সাল থেকে।
(প্রস্তুতিপর্বঃ ১৮০০-১৮৬০, বিকাশপর্বঃ ১৮৬০-১৯০০, রবীন্দ্রপর্বঃ ১৯০০-১৯৩০, রবীন্দ্রোত্তরঃ ১৯৩০-১৯৪৭ ও বাংলাদেশঃ ১৯৪৭-বর্তমান পর্যন্তু)
বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন শতাব্দীতে?উঃ সপ্তম শতাব্দী।
পানিনি রচিত গ্রন্থের নাম কি?উঃ ব্যাকরণ অষ্টাধয়ী।
পানিণি কোন ভাষার ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন?উঃ সংস্কৃত ভাষা।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি?উঃ বৈদিক।
বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যিক নিদর্শন কি?উঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
বাংলা ভাষা কোন আদি বা মূল ভাষা গোষ্ঠীর অর্ন্তগত?উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠী।
বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে কোন দশকে?উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে।
ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন রূপ কোথায় পাওয়া যায়?উঃ প্রাচীন গ্রন্থ ঋগ্বেদের মন্ত্রগুলোতে।
কখন থেকে বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়?উঃ আধুনিক যুগে।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে খ্রীষ্টপূর্ব কত পর্যন্ত বাংলা ভাষার অস্তিত্ব ছিল?উঃ পাঁচ হাজার বছর।
আর্য ভারতীয় গোষ্ঠীর প্রাচীনতম সাহিত্যের ভাষার নাম কি?উঃ বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোন ভাষা?উঃ বৈদিক ভাষা।
বৈদিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষা পর্যন্ত বিবর্তনের প্রধান তিনটি ধারা কি কি?উঃ প্রচীন ভারতীয় আর্য, মধ্য ভারতীয় আর্য ও নব্য ভারতীয় আর্য।
কোন ভাষা বৈদিক ভাষা নামে স্বীকৃত?উঃ আর্যগণ যে ভাষায় বেদ-সংহিতা রচনা করেছেন।
কোন ব্যাকরণবিদের কাছে সংস্কৃত ভাষা চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়?উঃ ব্যাকরণবিদ পানিনি।
সংস্কৃত ভাষা কত অব্দে চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়?উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ সময়ে।
কোন ভাষাকে প্রাকৃত ভাষা বলে?উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ খ্রীঃ দিকে বৈদিক ভাষা বির্বতনকালীণ সময়ে
জনসাধারন যে ভাষায় নিত্য নতুন কথা বলত।
প্রাকৃত ভাষা বিবর্তিত হয়ে শেষ যে স্তরে উপনীত হয়, তার নাম কি?উঃ অপভ্রংশ।
সুনীত কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভর কোন অপভ্রংশ থেকে?উঃ পূর্ব ভারতে প্রচলিত মাগবী অপভ্রংশ।
কখন মাগবী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়?উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎস কোন অপভ্রংশ থেকে?উঃ গৌড় অপভ্রংশ থেকে।
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি?উঃ মাগধী প্রাকৃত।
প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার স্তর কয়টি?উঃ তিনটি।
বৈদিক ভাষা হতে বাংলা ভাষায় বিবর্তনের প্রধান ধারা কয়টি?উঃ তিনটি।
বাংলা ভাষা কোন গোষ্ঠীর বংশধর?উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর।

বাংলা ভাষার প্রাচীন সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকগণ

চর্যাপদ কোন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে?উঃ বঙ্গীয় সাহিত্যে পরিষদ।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে?উঃ পাঠান সুলতানগণ।
মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্ম প্রচারকের প্রভাব অপরিসীম?উঃ শ্রী চৈতন্যদেব।
কার অনুপ্রেরণায় মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুদিত হয়?উঃ নাসিরউদ্দিন নসরৎ শাহের।
কার রাজত্বকালে বাংলার লৌকিক কাহিনী মনসামঙ্গল রচিত হয়?উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
চৈতন্য ভাগবত কার সময় রচিত হয়?উঃ গিয়াসুদ্দীন মাহমুদ শাহের।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস রামায়ণের অনুবাদ করেন?উঃ জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহের।
কবি বিদ্যাপতি ও শেখ কবির কার আদেশে বৈঞ্চবপদ কাব্য রচনা করেন?উঃ নাসির উদ্দিন নসরৎ শাহের।
কবি বিজয়গুপ্ত কার আদেশে মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেন?উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত শাসক?উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহ।
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর কোন কাব্যটি রচনা করেন?উঃ ইউসূফ- জুলেখা।
নসীয়তনামা কাব্য কার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত?উঃ শ্রীসুধর্মের।
কার আদেশে সয়ফুল-মূলক রচিত হয়?উঃ সৈয়দ মুসার আদেশে।
কার আদেশে আলাওল সতীময়না কাব্য রচনা করেন?উঃ লস্কর উজীর আশরাফ খানের।
কবি জৈনুদ্দিন কার সভাকবি ছিলেন?উঃ গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহেব।
রসুল বিজয় কাব্য কার অনুপ্রেরণায় রচিত হয়?উঃ শামসুদ্দীন ইউসূফ শাহের।
মহা বংশাবলী নামক সামাজিক ইতিহাস গ্রন্থের পৃষ্ঠপোষক কে?উঃ সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ-ই-শাহ।
বাংলায় সর্বপ্রথম বিদ্যাসাগর কাহিনী কার আমলে রচিত হয়?উঃ হুসেন শাহের আমলে।
কার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতচন্দ্র বিদ্যাসুন্দর রচনা করেন?উঃ রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র্রের।
কোন কবি গিয়াস উদ্দীন আযম শাহের রাজা কর্মচারী ছিলেন?উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
কবি মালাধর বসুর পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন?উঃ শামসউদ্দিন ইউসুফ শাহ।
রাজা লক্ষন সেনের সভাকবি কে ছিলেন?উঃ ভারতচন্দ্র ।
হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় কে কাব্য চর্চা করেন?উঃ রূপ গোস্বামী।
কবীন্দ্র পরমেশ্বর কার আদেশে বাংলায় মহাভারত রচনা করেন?উঃ পরাগল খানের।
ছুটি খানের সভাকবি কে ছিলেন?উঃ শ্রীকর নন্দী।
আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেন?উঃ মাগন ঠাকুরের অনুরোধে।
কবি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কোন নৃপতি?উঃ গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ।

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন সাহিত্য ধারা

বাংলা সাহিত্যের প্রধান প্রধান সাহিত্য ধারা কি কি?উঃ গীতিকবিতা, মহাকাব্য, উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রহসন, প্রবন্ধ, অভিসন্দর্ভ, সমালোচনা, পত্র সাহিত্য, জীবনী সাহিত্য ইত্যাদি।
মধ্যযুগের অন্যতম সাহিত্য ধারা কি কি ?উঃ বৈঞ্চব পদাবলী, জীবনী সাহিত্য, মঙ্গল কাব্য, কবিগান, পুঁথি সাহিত্য, 
    অনুবাদ সাহিত্য, মর্সিয়া সাহিত্য ইত্যাদি।
আধুনিক যুগের সাহিত্য ধারা কি কি?উঃ মহাকাব্য, গীতিকাব্য, উপন্যাস,নাটক, ছোটগল্প, প্রহসন,প্রবন্ধ, নিবন্ধ, অভিসন্দর্ভ, 
    সমালোচনা, আত্মজীবনীমূলক সাহিত্য, পত্র সাহিত্য, গীতিনাট্য ইত্যাদি।

 

বাংলা সাহিত্যের শেকড় সন্ধানী সাহিত্য কি?উঃ লোকসাহিত্য।
লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি কি?উঃ ছড়া ও ধাঁ ধাঁ ।
Folklore Society এর কাজ কি?উঃ লোকসাহিত্য চর্চা ও সংরক্ষণ।
মহুয়া পালা কোন কাহিনী নিয়ে রচিত?উঃ বেদের এক অপূর্ব সুন্দরী কন্যা মহুয়ার সাথে বামনকান্দার
জমিদার ব্রাহ্মন যুবক নদের চাঁদের প্রনয় কাহিনী।
মৈয়মনসিংহ গীতিকার অর্ন্তগত উল্লেখযোগ্য গীতিকাগুলো কি কি ?উঃ মহুয়া, চন্দ্রাবতী, কাজল রেখা, দেওয়ানা মদিনা প্রভৃতি।
দেওয়ানা মদিনা পালাটির রচয়িতা কে?উঃ মনসুর বয়াতি।
বাংলাদেশ থেকে সংগৃহিত লোক গীতিকা কয়ভাগে বিভক্ত?উঃ ৩ ভাগে। নাথ-গীতিকা, মৈয়মনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
মৈয়মনসিংহ গীতিকা বিশ্বের কয়টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে?উঃ ২৩ টি।
মৈয়মনসিংহ গীতিকার রচয়িতা কে?উঃ ড. দীনেশ চন্দ্র সেন।
মৈয়সনসিংহ গীতিকা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?উঃ ১৯২৩ সালে।
পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?উঃ পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা।

 

বৈষ্ণব সাহিত্য কি?উঃ বৈঞ্চব মতকে কেন্দ্র করে রচিত সাহিত্যকে।
বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যর সূচনা ঘটে কবে?উঃ চর্তুদশ শতকে।
বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের বিকাশ কাল কখন?উঃ ষোড়শ শতকে।
শাক্ত পদাবলী কোন শতকের সাহিত্য ছিল?উঃ আঠারো শতক।
বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের আদি কবি কে কে?উঃ বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাশ।
বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের চতুষ্টয় কে কে?উঃ বিদ্যাপতি, চন্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দ দাস।
বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাশ কোন শতকের কবি?উঃ চর্তুদশ শতক।
জ্ঞানদাস ও গোবিন্দ দাস কোন শতকের কবি?উঃ ষোড়শ শতক।
বিদ্যাপতি কোন ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করেছেন?উঃ ব্রজবুলী ভাষায়।
বৈষ্ণব পদাবালী সাহিত্যের উল্লেখ্যযোগ্য কবি কে কে?উঃ বিদ্যাপতি, চন্ডী দাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দ দাস, যশোরাজ খান, চাঁদকাজী, রামচন্দ বসু, বলরাম দাস, 
নরহরি দাস, বৃন্দাবন দাস, বংশীবদন, বাসুদেব, অনন্ত দাস, লোচন দাস, শেখ কবির, সৈয়দ সুলতান, 
আলাওল, দীন চন্ডীদাস, চন্দ্রশেখর, হরিদাস, শিবরাম, করম আলী, পীর মুহম্মদ, হীরামনি, ভবানন্দ
প্রমুখ।হরহরি সরকার, ফতেহ পরমানন্দ, ঘনশ্যাম দাশ, গয়াস খান
বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য মুসলিম কবি কে কে?উঃ আলাওল, সৈয়দ সুলতান, আকবর, ফয়জুল্লাহ, আফজল, সালেহ বেগ,
নাসির মাহমুদ, সৈয়দ আইনুদ্দীন, গয়াস খান, ফাজিল, নাসির মহম্মদ,
আলীরজা, করম আলী।
বৈষ্ণব পদাবলীর প্রধান অবলম্বন কি কি?উঃ রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা।
অধিকাংশ বৈষ্ণব পদাবলী কোন ভাষায় রচিত হয়েছে?উঃ ব্রজবূলী ভাষায়।
শাক্ত পদাবলীর উল্লেখ্যযোগ্য কবি কে কে?উঃ রামপ্রসাদ সেন, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র, আলীরজা, কমলাকান্ত, নন্দকুমার প্রমুখ।

 

মঙ্গলকাব্যের উপজীব্য কি?উঃ ধর্মবিষয়ক আখ্যান। দেবদেবীর গুনগান মঙ্গলকাব্যর উপজীব্য। স্ত্রী দেবীদের প্রধান্য এবং মনসা ও চন্ডীই এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলকাব্য প্রধানত কত প্রকার ও কি কি?উঃ মঙ্গল কাব্য প্রধানতঃ দু’প্রকার। যথা-
(ক) পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য ও (খ) লৌকিক মঙ্গলকাব্য।
উল্লেখ্যযোগ্য পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য কি কি?উঃ অন্নদামঙ্গল, কমলামঙ্গল, দূর্গামঙ্গল।
উল্লেখযোগ্য লৌকিক মঙ্গলকাব্য কি কি?উঃ মনসা মঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল, কালিমঙ্গল, গৌরীমঙ্গল (বিদ্যাসুন্দরী), সারদামঙ্গল প্রভৃতি।
সর্বাপেক্ষা প্রাচীনতম মঙ্গলকাব্য ধারা কোনটি?উঃ মনসামঙ্গল।
সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় মনসামঙ্গল কাহিনী কোনটি?উঃ চাঁদ সাগরের বিদ্রোহ ও বেহুলার সতীত্ব কাহিনী।
মনসামঙ্গল কাব্য কোন দেবীর কাহিনী নিয়ে রচিত?উঃ দেবী মনসা’র কাহিনী।
মনসামঙ্গলের উল্লেখযোগ্য চরিত্র কি?উঃ মনসাদেবী, চাঁদ সুন্দর, বেহুলা, লক্ষ্মীন্দর।
মনসামঙ্গলের আদি কবি কে?উঃ কানা হরিদত্ত।
কোন রাজার সময় মনসা মঙ্গল কাব্য রচিত হয়?উঃ সুলতান হুসেন শাহের সময়ে।
মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি নারায়ন দেবের জন্মস্থান কোথায়?উঃ বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলায়।
কবি নারায়ন দেবের কাব্যের নাম কি?উঃ পদ্মপুরাণ।
মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি বিজয় গুপ্তের জন্ম স্থান কোথায়?উঃ বরিশাল জেলার বর্তমান গৈলা গ্রামে এবং প্রাচীন নাম ফুলশ্রী।
মনসা বিজয়’ কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা কে?উঃ বিপ্রদাস পিপিলাই, ১৪৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
মনসামঙ্গলের সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবে কোন কবির বিশেষ খ্যাতি ছিল?উঃ দ্বিজ বংশীদাস।
দ্বিজ বংশীদাস কোথায় জন্মগ্রহন করেন?উঃ কিশোরগঞ্জ জেলার পাতুয়ারী গ্রামে।
মনসামঙ্গলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ক্ষেমানন্দের উপাধি কি ছিল?উঃ কেতকা দাস।
চন্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবির নাম কি?উঃ মানিক দত্ত।
কোন শতকে চন্ডীমঙ্গল কাব্যের সর্বাধিক প্রসার ঘটে?উঃ ষোড়শ শতকে।
চন্ডীমঙ্গল কাব্যর রচনাকাল কত সময় পর্যন্ত বিস্তৃত?উঃ ষোড়শ থেকে আঠার শতক পর্যন্ত।
চন্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার সর্বশ্রেষ্ট কবি কে?উঃ কবি কবিকঙ্কন মুকুন্দ রাম চক্রবর্তী।
কবি মুকুন্দ রাম কোথায় জন্মগ্রহন করেন?উঃ বর্ধমান জেলার দামুন্যা গ্রামে।
কবি মুকুন্দ রাম কার সভাসদ ছিলেন?উঃ মেদিনীপুর জেলার অড়বা গ্রামের জমিদার রঘুনাথের।
মুকুন্দ রামকে কে কেন কবিকঙ্কন’ উপাধি দেন?উঃ জমিদার রঘুনাথ শ্রী শ্রী চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনার জন্য।
মুকুন্দ রামের চন্ডীমঙ্গল কাব্যর অন্যান্য নাম কি কি?উঃ অভয়ামঙ্গল, অধিকামঙ্গল, গৌরিমঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল, প্রভৃতি।
চন্ডীমঙ্গলের উল্লেখ্যযোগ্য কবির নাম কি?উঃ দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী প্রমুখ।
ধর্মমঙ্গল কাব্যের কাহিনী কয়টি এবং কি কি?উঃ দুটি। যথাঃ (ক) রাজা হরিশ্চন্দ্রের কাহিনী এবং (খ) লাউসেনের কাহিনী।
ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?উঃ ময়ূর ভট্ট।
হাকন্দপুরান’ কার রচিত কাব্য গ্রন্থ?উঃ ময়ূর ভট্ট।
শ্যাম পন্ডিত কে ছিলেন?উঃ ধর্মমঙ্গলের অন্যতম কবি।
নিরঞ্জন মঙ্গল কার কাব্য গ্রন্থের নাম?উঃ শ্যাম পন্ডিত।
সা’ বারিদ খান রচিত মঙ্গল কাব্যর নাম কি?উঃ বিদ্যাসুন্দর।
রাম প্রসাদ সেনকে কে কবিরঞ্জন’ উপাধি প্রদান করেন?উঃ নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
রাম প্রসাদ সেনের কাব্য গ্রন্থের নাম কি?উঃ কবিরঞ্জন।
অষ্টাদশ শতক বা মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে কোন কবি সুপরিচিত?উঃ ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর।
অন্নদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ ভারত চন্দ্র।
ভারতচন্দ্র কে কে রায় গুণাকর’ উপাধি প্রদান করেন?উঃ নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
ভারতচন্দ্র কার সভাকবি ছিলেন?উঃ নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
ভারতচন্দ্রের রায় রচিত মঙ্গল কাব্যর নাম কি?উঃ অন্নদামঙ্গল কাব্য।
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের জন্মস্থান কোথায়?উঃ হাওড়া জেলার পেঁড়ো (পান্তুয়া) গ্রামে।
কোন কবির জীবানাবসানের মাধ্যমে মধ্যযুগের অবসান হয়েছে?উঃ কবি ভারত চন্দ্র রায় গুনাকর।

 

মর্সিয়া সাহিত্য কি?উঃ এক ধরনের শোককাব্য।
মর্সিয়া কথাটি এসেছে কোন ভাষা থেকে? এর অর্থ কি?উঃ আরবী ভাষা থেকে; এর অর্থ শোক প্রকাশ করা।
কোন মতবাদ প্রসারের ফলে মর্সিয়া সাহিত্য সৃষ্টির অনুকুল হয়েছে?উঃ শিয়া মতবাদ।
কাশিমের লড়াই মার্সিয়া কাব্যের রচয়িতা কে?উঃ অষ্টাদশ শতকের কবি শেরবাজ।
বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়া সাহিত্য ধারার প্রথম কবি কে এবং তাঁর কাব্যের নাম কি?উঃ শেখ ফয়জুল্লাহ, জয়নবের চৌতিশা।
মর্সিয়া সাহিত্য ধারার অন্যতম হিন্দু কবি কে এবং তাঁর কাব্যের নাম কি?উঃ রাঁধাচরণ গোপ, ইমামগণের কেচ্ছা ও আফৎনামা।

 

শায়ের কারা?উঃ পুঁথি সাহিত্যের রচয়িতার শায়ের বলা হয়।
পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবির রচয়িতা কে?উঃ ফকির গরীবুল্লাহ।
উল্লেখযোগ্য শায়েরের নাম কি?উঃ ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা, মালে মুহম্মদ, আয়েজুদ্দিন, 
    মুহম্মদ মুনশী, দানেশ প্রমুখ।
পুঁথি সাহিত্যে কোন কোন ভাষার সংমিশ্রন ঘটেছে?উঃ আরবী, ফার্সি, বাংলা, হিন্দি, তুর্কি প্রভৃতি।
কালুগাজী ও চন্দ্রাবতী কোন ধরনের সাহিত্য?উঃ পুঁতি সাহিত্য।
পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি কে ছিলেন?উঃ ফকির আবদুল্লাহ।
ফকির আবদুল্লাহর শ্রেষ্ঠ কবি প্রতিভা কোন গ্রন্থে বিধৃত?উঃ ইউসুফ- জুলেখা।
প্রনয়োপখ্যান জাতীয় উল্লেখযোগ্য পুথি সাহিত্য কি কি?উঃ ইউসুফ- জুলেখা, সয়ফুলমূলক- বদিউজ্জমান, লায়লী-মজনু, গুলে-বকাওলী।
যুদ্ধ সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য পুঁথি সাহিত্য কি কি?উঃ জঙ্গনামা, আমীর হামজা, সোনাভান, কারবালার যুদ্ধ ইত্যাদি।
পীর পাঁচালী বিষয়ক উল্লেখযোগ্য পুঁথি সাহিত্য কি কি?উঃ গাজী-কালু চম্পাবতী, সত্য পীরের পুঁথি ইত্যাদি।

 

নাথ সাহিত্য কি?উঃ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শিব উপাসক এক শ্রেণীর যোগী সম্প্রদায়ের
নাথ ধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত কাব্য।
নাথ সাহিত্যের উল্লেখ্যযোগ্য কবি কে কে?উঃ শেখ ফয়জুল্লাহ, ভীমসেন রায় ও শ্যামাদাস সেন।
গোরক্ষ বিজয়র রচিয়তা কে?উঃ শেখ ফয়জুল্লাহ।
শেখ ফয়জুল্লাহ গোবক্ষ বিজয় কার মুখে শুনে পুস্তকাকারে লিপিবদ্ধ করেন?উঃ ভারত পাঁচাল রচয়িতা কবিন্দ্রের মুখে।
ময়নামতি বা গোপীচন্দ্র অবলম্বনে রচিত গান প্রথম কে সংগ্রহ করেন?উঃ জর্জ গিয়ার্সন। ১৮৭৮ সালে রংপুর থেকে।
ময়নামতি গোপীচন্দ্রের গান কাব্যের উল্লেখযোগ্য রচিয়তা কে কে?উঃ দুর্লভ মল্লিক, ভবানীদাস ও শুকুর আহমেদ।
গোরক্ষ বিজয় এর উপজীব্য বিষয় কি?উঃ নাথ বিশ্বাস জাত যুগের মহিমা এবং নারী ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্রের বর্ণনা।
শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত গ্রন্থের সংখ্যা কয়টি ও কি কি?উঃ ৫টি। যথা- (ক) গোরক্ষ বিজয় বা গোর্খ বিজয় (খ) গাজী বিজয়
(গ) সত্যপরী (ঘ) জয়নালের চৌতিশা (ঙ) রাসানাম।
মীনচেতন কে রচনা করেছেন?উঃ শ্যামাদাস সেন।
মীনচেতন কে সম্পাদনা করেছেন?উঃ ডঃ নলীনিকান্ত ভট্টশালী।

 

মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিগণের সর্বাপেক্ষা উল্লেখ্যযোগ্য অবদান কি?উঃ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
মধ্যযুগে ফারসি ভাষা থেকে অনুদিত প্রণয়োপাখ্যানগুলো কি কি?উঃ ইউসুফ-জুলেখা, লাইলী-মজনু, গুলে বকাওয়ালী, সয়-ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল।
মধ্যযুগে হিন্দী ভাষা থেকে অনুদিত প্রণয়োপাখ্যানগুলো কি কি?উঃ পদ্মাবতী, সতী ময়না লোরচন্দ্রনী, মধুমালতী, মৃগাবতী ইত্যাদি।
গুলে বকাওয়ালী কে রচনা করেন?উঃ নওয়াজিশ আলী খান।
গুলে বকাওয়ালী অন্য কোন কবি রচনা করেন?উঃ মুহাম্মদ মুকিম।
সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল কাব্যের কাহিনী কি?উঃ আরবিয় উপন্যাস বা আলেফ লায়লা।
সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল কে রচনা করেন?উঃ আলাওল।
সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল অন্য কোন কোন কবি রচনা করেন?উঃ দেনা গাজী চৌধুরী, ইব্রাহিম ও মালে মোহম্মদ।
সপ্তপয়কর কে রচনা করেন?উঃ আলাওল।
সপ্তপয়কর কোন কবির রচনার ভাবানুবাদ?উঃ পারস্যর কবি নিজামী গঞ্জভীর সপ্তপয়কর কাব্যের।
লাইলী মজনু কে রচনা করেন?উঃ বহরাম খান।
ইউসুফ-জুলেখা কে রচনা করেন?উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
ইউসুফ-জুলেখা অন্য কোন কোন কবি রচনা করেন?উঃ আব্দুল হাকিম, গরীবুল্লাহ, গোলাম সাফাতউল্লাহ, সাদেক আলী ও ফকির মুহাম্মদ।

 

কবিগানের উৎপত্তি ও বিকাশ কোন শতক পর্যন্ত?উঃ ১৮ শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে ১৯ শতাব্দীর প্রথমার্ধে।
কবিগানের উল্লেখ্যযোগ্য কবিওয়ালের নাম কি কি?উঃ গোঁজলাই গুই, ভরানী বেনে, হরু ঠাকুর, কেষ্টা মুচি, ভোলা ময়রা, এন্টনী ফিরিঙ্গি, নিতাই বৈরাগী প্রমুখ।
কবিগানের আদিগুরু হিসেবে পরিচিত কে?উঃ গোঁজলা গুঁই।
গোঁজলা গুই এর উল্লেখযোগ্য শিষ্য কে কে?উঃ লালু নন্দলাল, রঘুনন্দ, রামজীবন দাস প্রমুখ।
বাংলা টম্পাগানের জনক কে ছিলেন?উঃ নিধু বাবু।
নানা দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা। এটির রচয়িতা কে?উঃ নিধু বাবু।
টম্পা গান থেকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কোন ধারার সুত্রপাত?উঃ বাংলা গীতিকবিতা।
কবিওয়ালাদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতি কে অর্জন করেছিল?উঃ ভবানী বেনে।
কবিগানের কয়টি বিভাগ কি কি?উঃ ৪টি। বন্দনা, সখী সংবাদ, বিরহ ও খেউর।
হরু ঠাকুরের প্রকৃত নাম কি?উঃ হরেকৃষ্ণ দিঘাড়ী।
কবিয়াল কেষ্ট মুচির প্রকৃত নাম কি?উঃ কৃষ্ণচন্দ্র চর্মকার।
কবিগানের বিশেষ গৌরবের যুগ কত সাল পর্যন্ত বি¯তৃত ছিল?উঃ ১৭৩০-১৮৩০ সাল পর্যন্ত।
কবিওয়ালাদের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক মানসিকতা লালন করতেন কে?উঃ রাম বসু।
কবিওয়ালদের মধ্যে পর্তুগীজ খ্রিষ্টান কে ছিলেন?উঃ এন্টনি ফিরিঙ্গি।

 

কবি / সাহিত্যিকউপাধিছদ্মনাম
অনন্ত বড়ু—–বড়ু চন্ডিদাস
অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত—–নীহারিকা দেবী
আব্দুল কাদিরছান্দসিক কবি—–
আলাওলমহাকবি—–
আব্দুল করিমসাহিত্য বিশারদ—–
ঈশ্বর গুপ্তযুগসন্ধিক্ষণের কবি—–
ঈশ্বরচন্দ্রবিদ্যাসাগর—–
কাজেম আল কোরায়েশীকায়কোবাদ—–
কাজী নজরুল ইসলামবিদ্রোহী কবি—–
কালি প্রসন্ন সিংহ—–হুতোম পেঁচা
গোবিন্দ্র দাসস্বভাব কবি—–
গোলাম মোস্তফাকাব্য সুধাকর—–
চারুচন্দ্র মুখোপাধ্যায়—–জরাসন্ধ
জসীম উদ্দিনপল্লী কবি—–
জীবনানন্দ দাশরূপসী বাংলার কবি, তিমির হননের কবি, ধুসর পান্ডুলিপির কবি
ডঃ মনিরুজ্জামান—–হায়াৎ মামুদ
ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহভাষা বিজ্ঞানী—–
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়—–সুনন্দ
নজিবর রহমানসাহিত্যরত্ন—–
নীহাররঞ্জন গুপ্ত—–বানভট্ট
নূরন্নেসা খাতুনসাহিত্য স্বরসতী, বিদ্যাবিনোদিনী
প্যারীচাঁদ মিত্র—–টেকচাঁদ ঠাকুর
ফররুখ আহমদমুসলিম রেনেসাঁর কবি—–
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়—–বনফুল
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়সাহিত্য সম্রাট—–
বাহরাম খানদৌলত উজীর—–
বিমল ঘোষ—–মৌমাছি
বিহারীলাল চক্রবর্তীভোরের পাখি—–
বিদ্যাপতিপদাবলীর কবি—–
বিষ্ণু দেমার্কসবাদী কবি—–
প্রমথ চৌধুরী—–বীরবল
ভারতচন্দ্ররায় গুনাকর—–
মধুসূদন দত্তমাইকেল—–
মালাধর বসুগুণরাজ খান—–
মুকুন্দরামকবিকঙ্কন—–
মুকুন্দ দাসচারণ কবি—–
মীর মশাররফ হোসেন—–গাজী মিয়া
মধুসূদন মজুমদার—–দৃষ্টিহীন
মোহিত লাল মজুমদার—–সত্য সুন্দর দাস
মোজাম্মেল হকশান্তিপুরের কবি—–
যতীন্দ্রনাথ বাগচীদুঃখবাদের কবি—–
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরবিশ্বকবি, নাইটভানুসিংহ
রাজশেখর বসু—–পরশুরাম
রামনারায়ণতর্করত্ন—–
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়অপরাজেয় কথাশিল্পী—–
শেখ ফজলুল করিমসাহিত্য বিশারদ, রত্নকর—–
শেখ আজিজুর রহমান—–শওকত ওসমান
শ্রীকর নন্দীকবিন্দ্র পরমেশ্বর—–
সমর সেননাগরিক কবি—–
সমরেশ বসু—–কালকূট
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত্ছন্দের যাদুকর—–
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়—–নীল লোহিত
সুধীন্দ্রনাথ দত্তক্লাসিক কবি—–
সুকান্ত ভট্টাচার্যকিশোর কবি—–
সুভাষ মুখোপাধ্যায়পদাতিকের কবি—–
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীস্বপ্নাতুর কবি—–
হেমচন্দ্রবাংলার মিল্টন 

 

মহাকবিমহাকাব্যের নাম/প্রকাশ/রচনাকাল
মাইকেল মধুসুদন দত্তমেঘনাথ বধ কাব্য (১৮৬১)
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যয়বৃত্রসংহার (১৮৭৫)
নবীনচন্দ্র সেনরৈবতক(১৮৭৫), করুক্ষেত্র (১৮৯৩), প্রভাস (১৮৯৬)
কায়কোবাদমহাশ্মাশান(১৯০৪)
ইসমাইল হোসেন সিরাজীস্পেন বিজয় কাব্য(১৯১৪)
গীতিকবিগীতিকাব্যের নাম/প্রকাশ/রচনাকাল
স্বর্ণকুমারীগাথা (১৮৮০), কবিতা ও গান (১৮৯৫)।
বিহারীলাল চক্রবর্তীপ্রেম প্রবাহিনী (১৮৭০), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), নিসর্গ সন্দর্শন (১৮৭০), সারদা মঙ্গল (১৮৭৯)।
সুরেন্দ্রনাথ মজুমদারমহিলাকাব্য (১৮৮০), সবিতা সুদর্শন (১৮৭০), বর্ষবর্তন (১৮৭২)।
অক্ষয়কুমার বড়ালপ্রদীপ (১৮৮৪), এষা (১৯১৯)
দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরস্বপ্নপয়ন (১৮৭৩)।
কামিনী রায়আলো ও ছায়া (১৮৮৯), মাল্য ও নিমার্ল্য (১৯১৩), অশোক সঙ্গীত(১৯১৪), দীপ ও ধুপ (১৯২৯)।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়আর্যগাথা (১৮৮২), আষাঢ়ে (১৮৯৯), ত্রিবেনী (১৯১২)।
গোবিন্দ চন্দ্র দাসপ্রসূন (১২৯৪), প্রেম ও ফুল (১২৯৪), কুমকুম (১২৯৮), ফুল রেণু (১৩০৩)।
মোজাম্মেল হোসেনকুসুমাঞ্জলী (১৮৮২), প্রেমহার (১৮৯৮)।
সৈয়দ এমদাদ আলীডালি (১৯১২), হাজেরা (১৯১২)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরভানুসিংহের পদাবলী
রজনীকান্ত সেনবাণী (১৯০২), কল্যাণী (১৯০৫), অমৃত (১৯১০), আনন্দময়ী (১৯১০)।
কায়কোবাদঅশ্রুমালা (১৮৯৫)।
অক্ষয়কুমার বড়ালপ্রদীপ, (১৮৮৪), এষা (১৯১৯)।
রচিয়তাপ্রহসনের নাম
অমৃতলাল বসু (১৮৫৩-১৯২৯)বিবাহ বিভ্রাট, সম্মতি সঙ্কট, কালা পানি, বাবু, একাকার, বৌমা, গ্রাম্য বিভ্রাট, বাহবা বাতিক,
খাস দখল, চোরের উপর বাটপাড়ি, ডিসমিস, চাটুয্যে ও বাড়ুয্যে, তাজ্জব ব্যাপার, কৃপনের ধন।
গিরিশ চন্দ্র ঘোষ (১৮৪৪-১৯১২)সপ্তমীতে বিসর্জন, বেল্লিক বাজার, বড়দিনের বকশিস, সভ্যতার পান্ডা
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪৯-১৯২৫)কিঞ্চিৎ জলযোগ, (১৮৭২), এমন কর্ম আর করব না (১৮৭৭), হঠাৎ নবাব (১৮৮৪), হিতে বিপরীত (১৮৮৬), দায়ে পড়ে দারগ্রহ।
রামনারায়ন তর্করত্নযেমন কর্ম তেমন ফল (১৯৭৯ বঙ্গাব্দ), উভয় সঙ্কট (১৯৬৯), চক্ষুদান (১৯৬৯)।
মাইকেল মধুসুধন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৪)একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো (১৮৬০)।
মীর মোশারফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২)এর উপায় কি( ১৮৭৫), ভাই, ভাই এই তো চাই (১৮৯৯), ফাঁস কাগজ, একি (১৮৯৯)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)বৈকণ্ঠের খাতা (১৮৯৭), ব্যঙ্গ কৌতুক (১৯০৭), হাস্য কৌতুক ( ১৯০৭), চিরকুমার সভা (১৯২৬), শেষ রক্ষা ( ১৯২৮)।
দীনবন্ধু মিত্র (১৮৩০-১৮৭৩)সধবার একাদশী (১৮৬৬), বিয়ে পাগলা বুড়ো ( ১৮৬৬), জামাই বারিক ( ১৮৭২)।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়কল্কি অবতার (১৮৯৫), বিরহ ( ১৮৯৭), এ্যহস্পর্শ (১৯০০), প্রায়শ্চিত্ত ( ১৯০২)।
ঔপন্যাসিকউপন্যাসের নাম ও প্রকাশকাল
আখরজ্জমান ইলিয়াসচিলে কোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৩)।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) বিষবৃক্ষ (১৮৭৩), কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮), আনন্দমঠ (১৮৮২), দেবী চৌধুরানী (১৮৮৪)।
প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়রমা সুন্দরী (১৯০৮), রতœদ্বীপ (১৯১৫), মনের মানুষ (১৯২২), সতীর পতি (১৯২৮)।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়বড়দিদি (১৯১৩), বিরাজ বৌ (১৯১৪), পরিনীতা, মেজদিদি (১৯১৫), কাশীনাথ (১৯১৭), শেষপ্রশ্ন (১৯৩১)।
রমেশচন্দ্র দত্তবঙ্গবিজেতা (১৮৭৪), সংসার (১৮৮৬), সমাজ (১৮৯৪)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরনৌকাডুবি (১৯০৬), গোরা (১৯১০), ঘরে বাইরে (১৯১৬), চতুরঙ্গ (১৯১৬), শেষের কবিতা (১৯২৯)।
তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ধাত্রী দেবতা (১৯৩৯), গণদেবতা (১৯৪২), হাঁসুলী বাঁকের উপকথা (১৯৪৭), জলসা ঘর (১৯৪২), পঞ্চগ্রাম (১৯৪৩)।
মানিক বন্দোপাধ্যয়পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুল নাচের ইতিকথা ( ১৯৩৬), শহরতলী (১৯৪০), শহর বাসের ইতিকথা (১৯৪৬), অহিংসা (১৯৪১), সোনার চেয়ে দামী (১৯৫১)।
বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়পথের পাঁচালী (১৯২৯), অপরাজিতা (১৯৩১), আরণ্যক (১৯৩৮), দৃষ্টি প্রদীপ (১৯৩৫), ইছামতি (১৯৪৯)।
টেকচাঁদ ঠাকুরআলালের ঘরে দুলাল (১৮৫৮)
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহলাল সালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৪৫), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৫)।
গল্পকারগল্পগ্রন্থের নাম ও প্রকাশকাল
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরগল্পগুচ্ছ, গল্পস্বল্প, তিনসঙ্গী।
প্রভাতকুমারষোড়শী (১৯০৬), গল্পবীথি, (১৯১৬), গল্পাঞ্জলী (১৯১৩), নূতন বউ (১৯২৯)
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহদুই তীর (১৯৬৫), নয়নচারা (১৯৫১)।
জহির রায়হানসূর্য গ্রহন (১৯৫৫)।
সৈয়দ শামসুল হকআনন্দের মৃত্যু (১৯৬৭), শীতের সকাল (১৯৫৯)।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়বিন্দুর ছেলে(১৯১৪), ছবি (১৯২০), মেজদিদি (১৯১৫), কাশীনাথ স্বামী ইত্যাদি।
শওকত ওসমানজুনু আপা ও অন্যান্য (১৯৫১), প্রস্তর ফলক (১৯৬৪)।
অন্নদাশঙ্কর রায়প্রকৃতি পরিহাস (১৯৩৪), মনপবন (১৯৪৬), যৌবন জ্বালা (১৯৫০), কামিনী কাঞ্চন (১৯৫৪)্
অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্তটুটা-ফাটা, আকাশ বসন্ত, হাড়ি মুচি ডোম, কাঠ খড় কেরোসিন, চাষাভুষা, ইতি, অধিবাস,্ একরাত্রি, ডবলডেকার।
আবুল মনসুর আহমেদআয়না (১৯৩৫), ফুড কনফারেন্স (১৯৪০), আসমানী পর্দা (১৯৬৪), গ্যালিভারের সফরনামা।
আবুল ফজলমাটির পৃথিবী, মৃত্যুর আত্মহত্যা।
আকবর হোসেনআলোছায়া (১৯৬৪)
আবু রুশদশাড়ী-বাড়ী- গাড়ী, স্বনির্বাচিত গল্প, প্রথম যৌবন, মহেন্দ্র, মিষ্টান্ন ভান্ডার।
আবদুল হকরোকেয়ার নিজের বাড়ী(১৯৬৭)।
আবদুস শাকুরএপিটাফ, ক্ষীয়মান,ধস।
সরদার জয়েনউদ্দীননয়ন ঢুলী (১৯৫২), খরস্রোতা (১৯৫৫), অষ্টমপ্রহর (১৯৭৩)।
আবু ইসহাকমহপতঙ্গ (১৯৫৩), হারেম (১৯৬২)।
শামসুদ্দীন আবুল কালামঢেউ (১৯৫৩), পথ জানা নেই (১৯৫৩), শাহের বানু (১৯৫৭)।
আলাউদ্দিন আল আজাদঅন্ধকার সিঁড়ি (১৯৫৮), জেগে আছি (১৯৫০), ধানকন্যা (১৯৫১)।
আবুল কালাম মঞ্জর মোরশেদসম্রাজ্ঞীর নাম
আহমেদ রফিকঅনেক রঙের আকাশ
আবদুল গাফফার চৌধুরীকৃষ্ণপক্ষ, সম্রাটের ছবি, সুন্দর হে সুন্দর।
আবদুল মান্নান সৈয়দসত্যের মত বদমাস, চল যাই পরোক্ষ, মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা।
আখতারুজ্জমান ইলিয়াসঅন্যঘরের অন্যস্বর (১৯৭৬), খোয়ারী (১৯৮২), দুধে ভাতে উৎপাত।
ইব্রাহিম খাঁলক্ষ্মী পেচা, মানুষ।
আবুল খায়ের মুসলেহ উদ্দিনচিরকুট, ওম শান্তি, শালবনের রাজা, নল খাগড়ার সাপ, নেপথ্য নাটক, নিষিদ্ধ শহর, নির্বাচিত গল্প।
আল মাহমুদপানকৌড়ির রক্ত
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যয়মজার গল্প, ভুত ও মানুষ, কঙ্কাবতী, মুক্তামালা, ফোকলা দিগম্বর, ডমরু চরিত।
কাজী নজরুল ইসলামব্যথার দান, (১৯২২), রিক্তের বেদন(১৯২৫), শিউলী মালা (১৯৩১)
ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যয়রিয়ালিষ্ট (১৯৩০), অন্তঃশীলা (১৯৩৫)।
প্রমথ চৌধুরীচার ইয়ারী কথা(১৯১৬), গল্প সংগ্রহ(১৯৪১), আহুতি(১৯১৯), নীল লোহিত (১৯৪১)।
প্রেমেন্দ্র মিত্রপঞ্চশর (১৯২৯), বেনামী বন্দর (১৯৩০), পুতুল ও প্রতিমা (১৯৩২), ধূলি ধূসর (১৯৪৩), মৃত্তিকা (১৯৩২), অফুরন্ত (১৯৩৫), মহানগর (১৯৪৩), জলপায়রা (১৯৫৭), নানা রঙে বোনা (১৯৬০)।
খালেদা এবিদ চৌধুরীপোড়া মাটির গন্ধ
জসীম উদ্দিনবাঙালির হাসি গল্প
তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যয়রসকলি, জলসাগর, কালাপাহাড়, ডাইনি বাশি, ঘাসের ফুল।
বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যয়মৌরিফুল (১৯৩২), সুলোচনা, মেঘমাল্লার(১৯৩১), যাত্রাদল (১৯৩৪), কিন্নরদল (১৯৩৮), বেনেদীয় ফুলবাড়ী।
বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়বাহুল্য (১৩৫৯ বঙ্গাব্দ), রাণুর কথামালা (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), রাণুর প্রথম ভাগ (১৩৩৪), রাণুর দ্বিতীয় ভাগ (১৩৪৫), রাণুর তৃতীয় ভাগ (১৩৪৭ বঙ্গাব্দ)
বুদ্ধদেব বসুঅভিনয় (১৯৩০), রেখাচিত্র (১৯৩১), নতুন নেশা, খাতার শেষ পাতা, হৃদয়ের জাগরণ (১৩৬৮ বাঃ), অদৃশ্য শত্রু, ভাসো আমার ভেলা (১৯৬৩) মিসেস গুপ্ত, একটি সকাল ও একটি সন্ধ্যা।
সুফিয়া কামালকেয়ার কাঁটা
হাসান হাফিজুর রহমানআরও দুুটি মৃত্যু।
মানিক বন্দোপাধ্যয়সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩), ফেরীওয়ালা (১৯৫৩) ভেজাল (১৯৪৪), সরীসৃপ (১৯৩৯), হলুদ পোড়া (১৯৪৫), বৌ (১৯৪৩), ছোট বকুল পুরের যাত্রী (১৯৪৯), পাশ ফেল।
রাহাত খানদিলুর গল্প, হাজার বছর আগে, সংবাদ, আপেল, ভালমন্দের টাকা, অন্তহীন যাত্রা, অনিশ্চিত লোকালয়।
শাহাদত আলীপ্রস্তর ফলক, জন্ম যদি তব বঙ্গে, জুনু আপা ও অন্যান্য ।
নাটকনাটকের নাম ও প্রকালকাল
মমতাজ উদ্দীন আহমেদউঃ স্পাটাকাস বিষয়ক জটিলতা, বিবাহ, চয়ন তোমার ভালবাসা, নাট্যত্রয়ী এই সেই কন্ঠস্বর, প্রেম বিবাহ সুটকেস, রঙ্গ পঞ্চদশ, ক্ষতবিক্ষত, রাজা অনুস্বারের পালা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরউঃ তাসের দেশ(১৩৪০ বাং), রক্তকবরী (১৯২৪), মুকুট (১৩১৫), মুক্তধারা (১৯২২), বসন্ত (১৩২১), চিরকুমার সভা (১৩০৮), মায়ার খেলা (১২৯৫), বিসর্জন (১২৯৭), রথযাত্রা (১৩০০), প্রায়শ্চিত্ত (১৩১৬), শারদ্যোৎসব (১৩১৫), চন্ডিলিকা (১৯৩৮), চিত্রাঙ্গদা (১২৯৯)
হরচন্দ্র ঘোষউঃ ভানুমতি চিত্তবিলাস (১৮৫২)
যোগেন্দ্রচন্দ্রউঃ কীর্তিবিলাস (১৮৫২)
তারাচরণ সিকদারউঃ ভদ্রার্জুন (১৮৫২)
রামনারায়ন তর্ক রত্নউঃ কুলীনকুল সর্বস্ব (১৮৫৪), বেনীসংহার (১৮৫৬), রতœাবলী, রক্সিনীহরণ (১৮৭১), স্বপ্নধন (১৮৭৩), ধর্মবিজয় (১৮৭৫), কংসবধ (১৮৭৫), নবনাটক (১৮৮৬)।
নবীন চন্দ্র সেনউঃ শুভ র্নিমালা
আনিস চৌধুরীউঃ মানচিত্র (১৩৭০), এ্যালবাম (১৯৬৫)।
আকবর উদ্দিনউঃ সিন্ধু বিজয় (১৯৩০), নাদির শাহ (১৯৩২), মুজাহিদ, আজান (১৯৪৩), সুলতান মাহমুদ (১৯৫৪)।
আশকার ইবনে শাইখউঃ বিরোধ, অনেক তারার হাতছানি, প্রচ্ছদপট, বিদ্রোহী পদ্ম, পদক্ষেপ, দুরন্ত ঢেউ, অগ্নিগিরি, প্রতীক্ষা, অনুবর্তন, এপার- ওপার, বিলবাওরের ঢেউ, রক্তপথ, তিতুমীর, লালন ফকির।
মাইকেল মধুসুদন দত্তউঃ শর্মিষ্ঠা (১৯৫৯), পদ্মাবতী (১৮৬০), কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১), মায়াকানন ।
গিরিশচন্দ্র ঘোষউঃ সীতার বনবাস(১৮৮২), প্রফুল্ল (১৮৮৯), সিরাজদ্দৌলা (১৯০৬)।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়উঃ তারাবাঈ (১৯০৩), চন্দ্রগুপ্ত (১৯১১), সাজাহান (১৯০৯), নূরজাহান (১৯০৮), দুর্গাদাস (১৯০৬),  মেরার পতন (১৩১৫), সিংহল বিজয় (১৯১৬)।
আনম বজলুর রশীদউঃ ঝড়ের পাখি (১৯৫৯), যা হতে পারে, (১৯৬২), উত্তর ফা-ুনি (১৯৬৪), সংযুক্ত (১৯৬৫), শিল্প ও শৈলী সুর ও ছন্দ (১৯৬৭) রূপান্তর (১৯৭০), উত্তরন (১৯৬৯)।
আলী মনসুরউঃ পোড়াবাড়ী. দুর্ণিবার।
আবদুল্লাহ আল মামুনউঃ সুবচন নির্বাসনে, এখন দুঃসময়, এবার ধরা দাও, শপথ, সেনাপতি, ক্রস রোডে ক্রসফায়ার, অরক্ষিত মতিঝিল, চারিদিকে যুদ্ধ, শাহজাদীর কালো নেকাব, আয়নায় বন্ধুর মুখ, কোকিলারা, তোমারই, এখনও ক্রীতদাস।
ইব্রাহিম খাঁউঃ আনোয়ার পাশা (১৩৩৭), কামাল পাশা (১৩৩৪), কাফেলা (১৩৫৭), ঋন পরিশোধস (১৯৫৫), ওমর ফারুখ।
কাজী নজরুল ইসলামআলেয়া (১৯৩১), পুতুলের বিয়ে, ঝিলিমিলি (১৯৩০), মধুমালা (১৯৫১)
কৃষ্ণচন্দ্র হালদারউঃ কৈবল্যতত্ত্ব, রাবনবধ।
জসীমউদ্দিনউঃ বেদের মেয়ে (১৯৫১), পল্লীবধু (১৯৫৬), মধুমালা (১৯৫১)।
দীনবন্ধু মিত্রউঃ নীল দর্পন (১৮৬০), লীলাবতী(১৮৬৭), নবীন তপস্বীনি (১৮৬৩), কমলে কামিনী (১৮৭৩), বিয়ে পাগলা বুড়ো (১৮৬৬), সধবার একাদশী (১৮৬৬), জামাই বারিক (১৮৭২)।
নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়উঃ আগন্তুক (১৯৬২), রামমোহন (১৯৫২), ভাড়াটে চাই (১৯৬২)।
নীলিমা ইব্রাহিমউঃ রোদ্রজ্জল বিকেলে, শাহী এলাকার পথে পথে, রমনা পার্কে।
নুরুল মোমেনউঃ হিংটিং ছট (১৯৭০), আইনের অন্তরালে, (১৯৬৭), যদি এমন হতো (১৯৬০), শতকরা আশি (১৯৬৭), নয়া খান্দান (১৯৬২), যেমন ইচ্ছো তেমন (১৯৭০), রূপান্তর (১৯৪৭), আলোছায়া (১৯৬২), নেমেসিস (১৯৪৮)।
মুনীর চৌধুরীউঃ কবর (১৯৬৬), চিঠি (১৯৬৬), দন্ড কারন্য (১৯৬৬), পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।
মামুনুর রশীদউঃ স্বপ্নে শহর, সুপ্রভাত ঢাকা, গিনিপিগ, ইবলিশ, সময় অসময়, সমতট, ইতি আমার বোন, ওরা কদম আলী, ওরা আছে বলেই, এখানে নোঙ্গর।
শাহাদাৎ হোসেনউঃ সরফরাজ খাঁ (১২৩৬), আনারকলি (১৯৪৫)।
শওকত ওসমানউঃ আমলার মামলা (১৯৫২), তস্কর ও লঙ্কর (১৯৪৪), কাকঁরমনি (১৯৫২), ডাক্তার আবদুল্লাহর কারখানা (১৯৭৩), বাগদাদের কবি।
হেমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়নলিনী বসন্ত।
সিকান্দার আবু জাফরউঃ মহাকবি আলাওল (১৯৬৫), সিরাজ-উ-দ্দৌল্লা (১৯৬৫), শকুন্ত উপখ্যান( ১৯৫৮)।
হুমায়ুন আহমেদউঃ এইসব দিনরাত্রি, বহুব্রীহি, অয়োময়।
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহউঃ বহ্নিপীর (১৯৬০), তরঙ্গ ভঙ্গ (১৯৬৫), উজানে মৃত্যু।
সাঈদ আহমদউঃ মাইলপোষ্ট, তৃষ্ণায়, কালবেলা।
অমৃতলাল বসুউঃ তিতলবর্ণ (১৮৮১), তরুবালা (১৮৯১), আদর্শ বন্ধু (১৩০৭ বাং), নবযৌবন, বজ্রলীলা, বিমাতা বা বিজয় বসন্ত (১৩০০ বাং)
ক্ষীরোদপ্রসাধ বিদ্যাবিনোদ।উঃ সাবিত্রী (১৯০২), কুমারী (১৮৯৯), আলীবাবা (১৮৯৭), জুলিয়াস, প্রমোদরঞ্জন, প্রেমাঞ্জলী বভ্রবাহন, কিন্নরী, প্রতাপাদিত্য, রঘুবীর।
সেলিম আলদীনউঃ ভাঙ্গনের শব্দ শুনা যায়, আয়না, মোন্তাসির ফ্যান্টাসী, কীর্ত্তনখোলা, হাত হদাই, চাঁকা।
নাটকের উৎপত্তি কোথায়?উঃ গ্রীসে।
বাংলা নাটক মঞ্চায়ন, রচনায় ও অনুবাদে কোন বিদেশীর নাম প্রথমে আসে?উঃ হেরাসিম লেবেডফ
‘দি ডিসগাইজ’ নাটকের বাংলা আনুবাদক কে?উঃ হেরাসিম লেবেডফ।
নাটক কি?উঃ দৃশ্যকাব্য
ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য কোথায়?উঃ জীবনানুভূতির গভীরতায়
নাটক ও প্রহসনের মূল পার্থক্য কোথায়?উঃ ব্যঙ্গ বিদ্রুপ

 

নাট্যকারনাটকের নাম
আসকার ইবনে শাইখঅগ্নিগিরি।
আকবর উদ্দীননাদির শাহ (১৯৩২)
ইব্রাহিম খাঁকামাল পাশা (১৯২৭)
ইবরাহিম খলিলস্পেন বিজয়ী মুসা
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়সাজাহান (১৯০৯)
গিরীশ চন্দ্র ঘোষসিরাজউদৌল্লা (১৯০৬)
মধুসুধন দত্তকৃষ্ণকুমারী (১৯৬১)
মহেন্দ্র গুপ্তটিপু সুলতান
শচীন্দ্রনাথ সেন গুপ্তসিরাজউদৌল্লা
মুনীর চৌধুরীরক্তাক্ত প্রান্তর ( ১৯৫৯)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরপ্রায়শ্চিত্ত (১৯০৯)
সিকান্দার আবু জাফরসিরাজউদৌল্লা( ১৯৬৫)
শাহাদাৎ হোসেনসরফরাজ খাঁ
ক্ষিরোদ প্রসাদ বিদ্যাবিনোদবাংলার মসনদ
নাট্যকারনাটকের নাম
আনিস চৌধুরীমানচিত্র (১৯৬৩)
অমৃত লাল বসুব্যাপিকা বিদায়
আসকার ইবনে শাইখপ্রচ্ছদপট
গিরিশ চন্দ্র ঘোষপ্রফুল্ল (১৮৮৯)
জ্যোতিরিন্দ্র নাথ ঠাকুরঅলীক বাবু
তুলসী লাহিড়ীছেঁড়া তার, দুঃখীর ইসান
রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরচিরকুমার সভা (১৩০৮বাং)
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহবহ্নিপীর (১৯৬০)
দীনবন্দু মিত্রনীল দর্পন (১৮৬০)
বিজন ভট্ট্রচার্যনবান্ন
মীর মোশারফ হোসেনজমিদার দর্পন (১৮৭৩)
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়পুনর্জন্ম
নূরুল মোমেননয়াখান্দান
মুনীর চৌধুরীচিঠি (১৯৬৬), দন্ডকরণ্য(১৯৬৬)
রাম নারায়ন তর্করত্নকুলিনকুল সর্বস্ব (১৮৫৪)
বিখ্যাত কবিয়াল
ভবানী বেনে
ভোলা ময়রা
বলরাম বৈষ্ণব
রাম বসু
হরু ঠাকুর
রাসু নৃসিংহ
কেষ্টামুচি
শ্রীধর কথক
নিধু বাবু
মুচীরাম
নিতাই বসু
নিতাই বৈরাগী
গোজলা গুই
নীলমণি পাটনী
রঘুনাথ
এন্টনী ফিরিঙ্গি
বিখ্যাত বাউলগণ
হাসন রাজা
লালন শাহ
গগণ ঠাকুর
কাঙ্গাল হরিণাথ
বিজয়গুপ্ত
বিপ্রদাস পিপলাই
মাধব আচার্য
কানাহরি দত্ত।
নারায়ন দেব।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
শ্রীশ্যাম পন্ডিত
ভরতচন্দ্র রায় গুনাকর
ঘনরাম চক্রবর্তী
দ্বিজ মাধব
ক্ষেমানন্দ
কেতকা দাস ক্ষেমানন্দ
আদি রূপরাম
মানিক রাম
খেলারাম
রূপরাম
ময়ূর ভট্ট
সীতারাম দাস
শ্যামপন্ডিত
দ্বিজ বংশী দাস
দ্বিজ প্রভারাম
বাংলা ছন্দ প্রধানত কত প্রকার ও কি কি?উঃ তিন প্রকার। যথাঃ স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট কে রচনা করেন?উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
মাইকেল মধুসুদন দত্তের সর্বপ্রথম সনেট কোনটি?উঃ বঙ্গভাষা
সনেটের প্রবর্তক কে?উঃ ইটালীর কবি পেত্রার্ক।
ধ্বনি প্রধান ছন্দ বলা হয়?উঃ মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে।
ছন্দের যাদুকর কাকে বলা হয়?উঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
স্বরাক্ষরিক ছন্দের প্রর্বতক কে করেন?উঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
ছান্দসিক কবি কাকে বলা হয়?উঃ কবি আব্দুল কাদিরকে।
পয়ার ছন্দে থাকে?উঃ অন্তমিল।
লৌকিক ছন্দ কাকে বলে ?উঃ স্বরবৃত্ত ছন্দকে।
গৈরিশ ছন্দের প্রবর্তন কে করেন?উঃ গিরিশচন্দ্র।
গদ্য ছন্দের প্রবর্তন কে করেন?উঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
তানপ্রধান ছন্দ কাকে বলে?উঃ অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে।
মুক্তক ছন্দের প্রবর্তন কে করেন?উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
সমিল মুক্তক ছন্দের প্রবর্তন কে করেন?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

 

গৌড়ীয় ব্যাকরণ এর রচয়িতা কে?উঃ রাম মোহন রায়।
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনায় পথিকৃতের ভুমিকা কে পালন করেন?উঃ রাম মোহন রায়।
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত গ্রন্থ কে রচনা করেন?উঃ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ কোনটি?উঃ গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
বাংলা বর্ণমালা নিয়ে প্রথম বিস্তারিত আলোচনা কে করেন?উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
শব্দ তত্ত্বের রচয়িতা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
বাংলা ভাষার উৎপত্তি বিষয়ক মতবাদের প্রধান প্রবক্তা কে?উঃ ড. সুনীতকুমার চট্টোপাধ্যায় ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব গ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ মুহম্মদ আবদুল হাই।
ভাষার ইতিবৃত্ত গ্রন্থটি কে রচনা করেন?উঃ ড. সুকুমার সেন।
কোন মনীষী একজন ভাষা বিজ্ঞানী ছিলেন?উঃ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
সুনীতকুমার চট্রোপাধ্যায় রচিত গ্রন্থের নাম কি?উঃ Original Development Bengali Language (ODBL)
বহুভাষাবিদ পন্ডিত কে ছিলেন?উঃ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
ড. এনামুল হক প্রধানত ছিলেন একজন?উঃ ভাষাতত্ত্ববিদ।
রামমোহন রায় এর ভাষাবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ কি?উঃ গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
শব্দতত্ত্ব ও বাংলা ভাষার পরিচয় কোন ভাষা বিজ্ঞনীর সৃষ্টি প্রবাহ?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ভাষা বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থের নাম?উঃ বাঙলা ব্যাকরণ।

 

ভাষাতত্ত্বিকভাষা বিষয়ক গ্রন্থ
রামমোহন রায়গৌড়ীয় ব্যাকরন
আবুল কালাম মনজুর মোরশেদআধুনিক ভাষা তত্ত্ব
মুহম্মদ দানীউল হক১.ভাষাতত্ত্বের নানা প্রসঙ্গ ও ২. ভাষার কথা
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ১.বাঙ্গালা ব্যাকরণ ও ২. বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত
হুমায়ুন আজাদতুলনামূলক ঐতিহাসিক ভাষা বিজ্ঞান
মনিরুজ্জামানভাষাতত্ত্ব অনুশীলন
মুহম্মদ আব্দুল হাইভাষা ও সাহিত্য, ধবনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনি তত্ত্ব
সুনীতকুমার চট্রোপাধ্যায়ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরন
শাজাহান মনিরবাঙ্গালা ব্যাকরণ
ড. মুহম্মদ এনামুল হকব্যাকরণ মঞ্জরী
জগদীশ চন্দ্র ঘোষআধুনিক বাংলা ব্যাকরন
সুকুমার সেনভাষার ইতিবৃত্ত
রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর১. শব্দতত্ত ও ২. বাংলা ভাষা পরিচয়
মুনীর চৌধুরীবাংলা গদ্য রীতি
জামিল চৌধুরীবানান ও উচ্চারণ
আজিজুল হকআধনিক ভাষা তত্ত্বের স্বরূপ ও প্রযুক্তি
নরেন বিশ্বাসবাংলা উচ্চারন অভিধান
ডঃ মোহাম্মদ আবুল কাইউম১. অভিধান ও ২. পান্ডুলিপি পাঠ ও পাঠ সমালোচনা
মুরারী মোহন সেনভাষার কথা
রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীশব্দ কথা
বেগম কোথা থেকে প্রকাশিত হয়?উঃ ঢাকা থেকে।
খ্রিষ্টান মিশনারিদের হিন্দু প্রতিপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা-?উঃ সম্বাদ কৌমুদী।
রাম মোহন প্রথম সম্পাদনা করেন?উঃ প্রভাকর।
ইংরেজী ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন কে?উঃ ব্রাসি হ্যালহেড।
সংবাদ প্রভাকর প্রথম প্রকাশিত হয়-?উঃ ২৮ জানুয়ারী, ১৮৩১।
তত্ত্ববোধীনি পত্রিকায় প্রকাশকাল হলো- ?উঃ ১৮৪৩।
মুসলমান সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা?উঃ সমাচার সভারাজেন্দ্র।
লাঙল পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
ইংরেজ সরকার কবে কঠোর সেন্সর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন?উঃ ১৭৯৯ সালে।
প্রথম সচিত্র মাসিক পত্রিকা কোনটি?উঃ বিবিধার্থ সংগ্রহ।
কোন পত্রিকাকে ঘিরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ন প্রতিভা বিকশিত হয়?উঃ সাধনা।
মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র হিসাবে প্রকাশিত পত্রিকা?উঃ শিখা।
কোন পত্রিকাতে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটেছিল?উঃ শিখাকে ঘিরে।
রংপুরের কাকিনা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার নাম- ?উঃ বাসনা।

 

আরাকানকে বাংলা সাহিত্য কি নামে উল্লেখ করা হয়েছে?উঃ রোসাং বা রোসাঙ্গ নামে।
আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিকের নাম কি কি?উঃ দৌলত কাজী, আলাওল, কোরেশী মাগন ঠাকুর, মরদন, আব্দুল করিম খোন্দকর।
কবি আলাওল কোথায় জন্মগ্রহন করেন?উঃ ফতেহাবাদের জালালপুরে।
মাগন ঠাকুর কে ছিলেন?উঃ রোসাঙ্গ রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।
‘নসীহত নামা’ কোন জাতীয় গ্রন্থ ? কে রচনা করেছেন?উঃ মরদন রচিত কাব্যগ্রন্থ।
“পদ্মাবতী” কোন জাতীয় রচনা?উঃ ঐতিহাসিক প্রণয় উপাখ্যান।
কোন ঐতিহাসিক কাহিনী নিয়ে আলাওল পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন?উঃ চিতোরের রানী পদ্মীনির কাহিনী।
আলাওলের অন্যান্য রচনা কি কি?উঃ তোহফা, সেকান্দারনামা, সঙ্গীতন শাস্ত্র (রাগতাল নামা), 
    বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায় রাধাকৃষ্ণ রূপকে রচিত পদাবলী ইত্যাদি।
কার আদেশে দৌলত কাজী সতি ময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য রচনা করেন?উঃ শ্রী সুধর্ম রাজার আমলে তাঁর লঙ্কর উজির আশরাফ খানের।
‘সতি ময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কোন শতকের কাব্য?উঃ সপ্তদশ শতাব্দী।
সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী হিন্দি ভাষার কোন কাব্য অবলম্বনে রচিত?উঃ হিন্দী কবি সাধন এর ‘মৈনাসত’।
“পদ্মাবতী” কে রচনা করেন?উঃ মহাকবি আলাওল।

 

নামপ্রকাশকালসম্পাদক
সমাচার দর্পনমে, ১৮১৮জে.সি. মার্শম্যান
সম্বাদ কৌমুদী১৮১৮রাজা রামমোহন রায়
বাঙ্গাল গেজেট১৮১৮গঙ্গাকিশোর ভট্রাচার্য
বেঙ্গল গেজেটেড২৯ জানুয়ারী ১৭৮০জেমস অগাস্টস হিকি
দিগদর্শনএপ্রিল, ১৮১৮জে.সি. মার্শম্যান
ব্রাহ্মণ১৮২১রাজা রামমোহন রায়
সমাচার চন্দ্রিকা১৮২২ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যয়
বঙ্গদূত১৮২৯নীলমনি হালদার
সংবাদ প্রভাকর১৮৩১ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সমাচার সভারাজেন্দ্র১৮৩১শেখ আলীমুল্লাহ
সংবাদ রত্নাবলী১৮৩২ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
এডুকেশন গেজেট১৮৪৬রঙ্গরাল বন্দোপাধ্যায়
সংবাদ সাধু রঙ্গন১৮৪৮ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
পাষন্ড পীড়ন১৮৪৬ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
তত্ত্ববোধিনী১৮৪৩অক্ষয় দত্ত
সংবাদ ভাস্কর১৮৪৮ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
মাসিক পত্রিকা১৮৫৪প্যারীচাঁদও রাধাঅনা শিকদার
সাপ্তাহিক বার্তাবহ১৮৫৬রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
সোমপ্রকাশ১৮৫৮রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
ঢাকা প্রকাশ১৮৬১কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার
বঙ্গদর্শন১৮৭২বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শুভবাসিনী১৮৭০কালী প্রসন্ন ঘোষ
বান্ধব১৮৭৪কালী প্রসন্ন ঘোষ
ভারতী১৮৭৭দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাহিত্য১৮৯০সুরেশচন্দ্র সমাজপতি
সাধনা১৮৯১রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গুলিস্তা১৮৯৫এম. ওয়াজেদ আলী
পূর্ণিমা১৮৯৫বিহারীলাল চক্রবর্তী
মাসিক ভারতীস্বর্ণকুমারী দেবী
প্রবাসী১৯০১রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
দৈনিক খাদেম১৯১০মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
সাপ্তাহিক মোহাম্মদী১৯১০মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
আর্য দর্শন১২৮১ বঙ্গাব্দযোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভুষন
মোসলেম ভারত১৯২০মোজাম্মেল হক
ধূমকেতু১৯২২কাজী নজরুল ইসলাম
ভারতবর্ষ১৯১৩জলধর সেন ও অমূল্যচরন বিদ্যাভূষণ
সবুজপত্র১৯১৪প্রমথ চৌধুরী
শওগাত১৯১৮মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
কল্লোল১৯২৩দীনেশরঞ্জন দাস
দৈনিক আজাদ১৯৩৫মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
দৈনিক নবযুগ১৯৪১কাজী নজরুল ইসলাম
লাঙ্গল১৯২৫কাজী নজরুল ইসলাম
কালিকলম১৯২৬—–
শিখা১৯২৭আবুল হোসেন
আর্যদর্শন১২২৮ বাংযোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ
সাহিত্যপত্র১৯৪৮বিঞ্চু দে
অঙ্কুরডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
বেগম১৯৪৯নুরজাহান বেগম
সংলাপআবুল হোসেন
ভাষা সাহিত্য পত্রজাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়
সন্দেশ, স্বদেশসুকুমার রায়
সমকাল১৯৫৪সিকান্দর আবু জাফর
সাহিত্য পত্রিকাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বেদুঈনআশরাফ আলী খান
কন্ঠস্বর১৯৬৫আবদুল্লাহ আবু সাঈদ
লেখা বাংলা একাডেমী
উত্তরাধিকারীবাংলা একাডেমী
সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন কে?উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
সংস্কৃত কলেজের কত সালে স্থাপিত হয়?উঃ ১৭৯১ সাল।
শ্রীরামপুরে ব্যাপ্টিষ্ট মিশন ও ছাপাখানা কখন গড়ে উঠেছিল?উঃ ১৭৯৯ সাল।
শ্রীরামপুরে মিশন কখন পত্তন হয়?উঃ ১৮১৮ সাল।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন স্থাপিত হয়?উঃ ১৮০০ সাল।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কে?উঃ উইলিয়াম কেরি।
বাংলা একাডেমী কোন বৎসর প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ ১৯৫৫ সালে।
উপমহাদেশে প্রথম কারা ছাপাখানা আমদানী করে?উঃ পর্তুগীজরা।
উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা কোথায় স্থাপিত হয়?উঃ পর্তুগীজ বসতি এলাকা গোয়ায়।
উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা কবে স্থাপিত হয়?উঃ ১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দে।
উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানায় মুদ্রিত প্রথম বইয়ের নাম কি?উঃ পর্তুগীজ ভাষার ‘কনুকসোজ’।
সম্পূর্ণ বাংলা অক্ষরের সর্বপ্রথম নকশা প্রস্তুতকারীর নাম কি?উঃ চার্লস উইলকিনস।
কোন বাঙালি প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন?উঃ পঞ্চানন কর্মকার।
বাংলা মুদ্রনশিল্পের জন্মদাতা কাকে বলা হয়?উঃ চার্লস উইলকিনস।
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় ও কবে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয়?উঃ রংপুরে। ১৮৪৭-৪৮ সালে।
ঢাকায় প্রথম বাংলা ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন কে?উঃ সুন্দর মিত্র। বাংলা প্রেস নামে। ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে।
বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্রের কোনটি?উঃ রংপুর বার্তাবহ। রংপুর থেকে।
ঢাকার প্রথম ছাপাখানা কত সালে চালু হয়?উঃ ১৮৪৮/৪৯ সালে।
বাংলা মুদ্রণ জগতের স্মরণীয় সন কোনটি?উঃ ১৭৭৮।
ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বই কোনটি?উঃ কৃপার শাস্ত্রে অর্থভেদ।

 

হেমচন্দ্র বন্দোপাধ্যায় রচিত মহাকাব্যর নাম কি?উঃ বৃত্রসংহার।
লালন ফকির নাটকের নাট্যকার কে?উঃ কল্যান মিত্র।
সিরাজদ্দৌলা নাটকের নাট্যকার কে?উঃ গিরিশ চন্দ্র।
অশ্রুমালা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ কায়কোবাদ।
অভিজ্ঞান শকুন্তলম এর রচয়িতা কে?উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
অপরাজিতা গ্রন্থটির লেখক কে?উঃ বিভুতিভূষন।
আত্মঘাতি বাঙ্গালী এর রচয়িতা কে?উঃ নীরদ চন্দ্র চৌধুরী।
অনল প্রবাহ ও রায় নন্দিনী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
আবদুল্লাহ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?উঃ কাজী ইমদাদুল হক।
আবার আসিব ফিরে কবিতাটির রচয়িতা কে?উঃ জীবনানন্দ দাশ।
আমার পূর্ব বাংলা কবিতাটির রচয়িতা কে?উঃ সৈয়দ আলী আহসান।
আনন্দ মঠ ও দেবী চৌধুরানী গ্রন্থ দুটির রচয়িতা কে?উঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
আমি বিজয় দেখিছি গ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ এম, আর, আখতার মুকুল।
আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ প্যারীচাঁদ মিত্র।
আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর গ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ আবুল মনসুর আহমেদ।
আমি সৈনিক রচনাটি নজরুলের কোন গ্রন্থের অর্ন্তভুক্ত?উঃ দুর্দিনের যাত্রী।
আগুন নিয়ে খেলা গ্রন্থটির রচয়িতা?উঃ অন্নদাশঙ্কর রায়।
আমলার মামলা গ্রন্থটির রচয়িতা?উঃ শওকত ওসমান।
আলাওলের শ্রেষ্ঠ কীর্র্তি কি?উঃ পদ্মাবতী।
আব্দুল কাদেরের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?উঃ দিলরুবা।
আলো ও ছায়া কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা কে?উঃ কামিনী রায়।
আবোল তাবোল কার রচনা?উঃ সুকুমার রায়।
আহসান হাবিবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?উঃ রাত্রি শেষ।
আহসান হাবিবের বিখ্যাত উপন্যাস কোনটি?উঃ অরণ্য নীলিমা।
নোলক কবিতা আল মাহমুদের কোন গ্রন্থের অর্ন্তগত?উঃ লোক লোকান্তর।
আকাঙ্খিত অসুন্দর কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?উঃ ফজল শাহাবুদ্দীন।
আমি কিংবদন্তীর কথা বলাছি কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা কে?উঃ আবু জাফর উবায়দুল্লাহ।
ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র এর রচিয়তা কে?উঃ ইব্রাহিম খাঁ।
ঈশ্বর পাটনী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ ভারতচন্দ্র রায়গুনকর (অন্নদামঙ্গল)।
ইউসূফ-জুলেখা কাব্যের রচিয়তা কে?উঃ শাহ মুহাম্মদ সগীর।

 

বাংলা সাহিত্যে সৃষ্ট প্রথম চরিত্র কোনটি?উঃ নিরঞ্জন (শূন্যপুরাণ); রামাই পন্ডিত।
অমল চরিত্রের স্রষ্টা নাট্যকার কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ডাকঘর)।
ঠকচাচা নামক চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ প্যারীচাঁদ মিত্র (আলালের ঘরের দুলাল)।
রোহিনী চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?উঃ কৃষ্ণকান্তের উইল; বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র?উঃ মনসামঙ্গল।
রাজলক্ষ্মী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (শ্রীকান্ত)।
অমিত ও লাবন্য চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।
ললিতা ও সুচরিতা চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গোরা)।
ললিতা ও শেখর চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পরিনীতা)।
রতন ও দাদাবাবু চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (পোষ্ট মাস্টার)।
হেমাঙ্গিনী ও কাদম্বিনী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (মেজদিদি)।
কুবের চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (পদ্মানদীর মাঝি)।
মহিম, সুরেশ ও অচলা চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (গৃহদাহ)।
দীপাঙ্কর (দীপু), সতী, লক্ষ্মী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ বিমল মিত্র (কড়ি দিয়ে কিনলাম)।
দীপাবলী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ সমরেশ মজুমদার (দীপাবলী)।
রমা ও রমেশ চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পল্লী সমাজ)।
ষোড়শী ও নির্মল চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেনা-পাওনা)।
সতীশ ও সাবেত্রী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (চরিত্রহীন)।
নবকুমার কপালকুন্ডলা চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (কপালকুন্ডলা)।
নবীন মাধব চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ দীনবন্ধু মিত্র (নীল দর্পণ)।
ঘটিরাম ডেপুটি ও নিমচাঁদ চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ দীনবন্ধু মিত্র (সধবার একাদশী)।
নন্দলাল চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ অমৃতলাল বসু (বিবাহ-বিভ্রাট)।
দেবযানী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ অমৃতলাল বসু (বিদায়-অভিশাপ)।
নন্দিনী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রক্তকরবী)।
রাইচরণ চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন)।
মৃন্ময়ী ও অপূর্ব চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমাপ্তি)।
সুরবালা চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (একরাত্রী)।
দুখিরাম ও চন্দরা চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শাস্তি)।
পার্বতী ও চন্দ্রমূখী চরিত্রের স্রষ্টা কে?উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেবদাস)।

 

অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়- এ প্রবাদটির রচয়িতা কে?উঃ মুকুন্দরাম।
হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি, পর ধন লোভে মত্ত করিনু ভ্রমন এই কবিতাংশটুকু কোন কবি কে?উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে – উক্তি কোন গ্রন্থের?উঃ অন্নদামঙ্গল কাব্যের।
যে জন দিবসে মনের হরষে জালায় মোমের বাতি এ পংতির রচয়িতা কে?উঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল- কার লেখা?উঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কারের।
সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি – কোন কবির উক্তি?উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে- কার রচয়িতার অংশ?উঃ রঙ্গলাল মুখপাধ্যায়।
চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে? কার রচনা?উঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না কোলাহল করি সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না। নজরুলের কোন কবিতার অংশ?উঃ বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি।
কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক- পংক্তির রচয়িতা?উঃ ফজলূল করিম।
যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা, যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা- কার কবিতার অংশ?উঃ নির্মলেন্দু গুন।
আমার দেশের পথের ধুলা খাটি সোনার চাইতে খাঁটি -কার রচনা?উঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রানের পতাকা -পংক্তি কার?উঃ শামসুর রাহমান।
বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা, বিপদে আমি না যেন করি ভয় – অংশটি রবীন্দ্রনাথের কোন কবিতার?উঃ দুরন্ত আশা।
রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা- পংক্তিটি কার রচিত?উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ দেখিতে চাই না আর- কোন কবির রচনা?উঃ জীবনানন্দ দাশ।
বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ – পংক্তির রচয়িতা কে?উঃ যতীন্দ্রমোহন বাগচী।
ক্ষুধার রাজ্য পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি- পংক্তি কোন কবির?উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য।
মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন- উক্তি কার?উঃ ভারতচন্দ্রের।
প্রীতি ও প্রেমের পূন্য বাধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গে আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।উঃ কবিতাঃ স্বর্গ ও নরক, শেখ ফজলূল করিম।
জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে, মরি যেন এই দেশে।- কবিতাংশটির কবি কে?উঃ জন্মে্িছ এই দেশে; সুফিয়া কামাল।
কত গ্রাম কত পথ যায় সরে সরে, শহরে রানার যাবেই পৌঁছে ভোরে। পংক্তি দুটির কবি কে?উঃ রানার; সুকান্ত ভট্টাচার্য।
আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে। – কবিতাংশটি?উঃ স্বাধীনতার সুখ; রজনীকান্ত সেন।
সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি, লভিলে শুধু বঞ্চনা, নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়- কবিতাংশটি?উঃ আত্মত্রান; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে করে গমন হয়েছেন প্রাতঃস্মরনীয়।- উক্তির কবিতা ও কার রচনা?উঃ জীবন- সঙ্গীত; হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।- কবিতাংশটি?উঃ সুখ; কামিনী রায়।
আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়, হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে।- কোন কবির রচনা?উঃ আবার আসিব ফিরে; জীবনানন্দ দাশ।
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছে পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীদের অন্ধকারে মালয় সাগরে- এই উক্তিটি কার?উঃ বনলতা সেন; জীবনানন্দ দাশ।
সব পাখি ঘরে আসে সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেন দেন; থাকে শুধু অন্ধকার”- এই উক্তিটি কার?উঃ বনলতা সেন; জীবনানন্দ দাশ।
আমি যদি হতাম বনহংস বনহংসী হতে যদি তুমি- কোন কবির রচনা?উঃ আমি যদি হতাম; জীবনানন্দের দাস।

 

বাংলা সাহিত্যের প্রথম স্বার্থক নাট্যকার?উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলাভাষায় প্রথম সনেট রচয়িতা?উঃ মাইকেল মধুসুদন দত্ত।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান নাট্যকার?ঊঃ মীর মোশাররফ হোসেন
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীত কবি?উঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম যতি চি‎হ্ন ব্যবহারকারী?উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম চলিত রীতি ব্যবহারকারী?উঃ প্রমথ চৌধুরী।
প্রথম বাংলা অক্ষর খোদাইকারী?উঃ পঞ্চানন কর্মকার।
প্রথম সম্পূর্ন বাংলা অক্ষরের নকশা প্রস্তুতকারী?উঃ চালর্স উইলকিনস।
প্রথম মুসলিম বাংলা গদ্য লেখক?উঃ শামসুদ্দিন মুহম্মদ সিদ্দিকী।
প্রথম মুসলিম বাংলা গদ্য লেখিকা?উঃ বিবি তাহেরন নেছা।
বাংলা দৈনিকের প্রথম মহিলা সাংবাদিক?উঃ লায়লা সামাদ।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবিঃ?উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম মহিলা কবিঃ?উঃ মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা।
ছাপার অক্ষরে প্রথম বাংলা বই?উঃ কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ; রচয়িতাঃ ম্যানুয়েল দ্যা অ্যাসুম্পাসাও
বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ?উঃ কথোপকথন; রচয়িতাঃ উইলিয়াম কেরী; ১৮০১ সাল।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম উপন্যাস?উঃ আলালের ঘরের দুলাল; রচয়িতাঃ প্যারীচাঁদ মিত্র; ১৮৫৭ সাল।
বাংলা ভাষার রচিত প্রথম প্রণোয়পখ্যান?উঃ ইউসুফ জোলেখা; রচয়িতাঃ শাহ মুহম্মদ সগীর; ১৪-১৫ শতকের মধ্যে।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস?উঃ কপালকুন্ডলা; রচয়িতাঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়; ১৮৬৬ সাল।
বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যকরণঃ?উঃ পর্তুগীজ বাংলা ব্যকরণ; রচয়িতাঃ ম্যানুয়েল দ্যা অ্যাসুম্পাসাও; ১৭৩৪ সাল।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ?উঃ বেদান্ত; রচয়িতাঃ রাজা রামমোহন রায়; ১৮১৫ সাল।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সামাজিক নাটক?উঃ কুলীনকুল সর্বস্ব; রচয়িতাঃ রাম নারায়ন তর্করন্ত; ১৮৫৪ সাল।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম প্রহসন নাটক?উঃ একেই কি বলে সভ্যতা ও বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ; মাইকেল মধুসুদন দত্ত; ১৮৫৯ সাল।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক?উঃ ভদ্রাজুন; রচয়িতাঃ তারাপদ সিকদার; ১৮৫২ সাল।
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ট্রাজেডি নাটক?উঃ কৃষ্ণকুমারী; রচয়িতাঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত; ১৮৬১ সাল।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক ট্রাজেডি?উঃ কীর্তি বিলাস; রচয়িতাঃ যোগেন্দ্র নাথ গুপ্ত; ১৮৫২ সাল।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্য?উঃ পদ্মিনী উপাখ্যান; রচয়িতাঃ রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়; ১৮৫৮ সাল।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকাব্য?উঃ মেঘনাদবধ; মাইকেল মধুসূদন দত্ত; ১৮৬১ সাল।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক?উঃ স্বর্ণকুমারী দেবী; উপন্যাসঃ মেবার রাজ; ১৮৭৭ সাল।
বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকী?উঃ দিকদর্শন; প্রকাশকঃ শ্রীরামপুর মিশনারী জন ক্লার্ক মার্শম্যান; ১৮১৮ সাল।
মুসলমান সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা?উঃ সমাচার সভারাজেন্দ্র; সম্পাদকঃ শেখ আলীমুল্লাহ; ১৮৩০ সাল।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ?উঃ নীলদর্পন, রচয়িতাঃ দীনবন্ধু মিত্র; ১৮৬০ সাল।
ঢাকার প্রথম বাংলা ছাপাখানা?উঃ বাংলা প্রেস (আজিমপুর); প্রতিষ্ঠাতাঃ সুন্দর মিত্র; ১৮৬০ সাল।
প্রথম বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলন কোথায় হয়?উঃ কাশিম বাজার; সম্মেলনকালঃ ১৯০৬ সাল।
বাংলা কুরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক?উঃ ভাই গিরিশচন্দ্র সেন; অনুবাদকালঃ ১৮৮১-১৮৮৬ সাল।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস?উঃ বউ ঠাকুরানী হাট, ১৮৭৭ সাল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কবিতা?উঃ হিন্দু মেলার উপহার, ১২৮১ বঙ্গাব্দ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোট গল্প?উঃ ভিখারিনী, ১৮৭৪ সাল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম নাটক?উঃ রুদ্রচন্ড, ১৮৮১ সাল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্য?উঃ বনফুল, ১২৮২ বঙ্গাব্দ।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস?উঃ বাধঁন হারা, ১৯২৭ সাল।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কবিতা?উঃ মুক্তি, ১৩২৬ বঙ্গাব্দ।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্য?উঃ অগ্নিবীণা, ১৯২২ সাল।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম নাটক?উঃ ঝিলিমিলি, ১৯৩০ সাল।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্প?উঃ হেনা, ১৩২৬ বঙ্গাব্দ।
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্প?উঃ বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী,
১৯১৯ সালের মে মাসে এটি সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম উপন্যাস?উঃ আলালের ঘরের দুলাল ১৮৫৮ সাল।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-এর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ?উঃ বেতাল পঞ্চবিংশতি, ১৮৪৭ সাল।
রাজা রামমোহন রায়-এর প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ?উঃ বেদান্ত গ্রন্থ, ১৮১৫ সাল।
আবদুল গাফফার চৌধুরী-এর প্রথম ছোট গল্প?উঃ কৃষ্ণপক্ষ, ১৯৫৯ সাল।
আবদুল গাফফার চৌধুরী-এর প্রথম উপন্যাস?উঃ চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান ১৯৬০ সাল।
আবদুল গাফফার চৌধুরী-এর প্রথম শিশু সাহিত্য?উঃ ডানপিটে শওকত, ১৯৫৩ সাল।
আবু ইসহাক -এর প্রথম উপন্যাস?উঃ সূর্য দীঘল বাড়ি ১৯৫৫ সাল।
আবুল ফজল -এর প্রথম উপন্যাস?উঃ চৌচির, ১৯৩৪ সাল।
আবুল ফজল -এর প্রথম গল্প?উঃ মাটির পৃথিবী, ১৯৩৪ সাল।
আবুল ফজল -এর প্রথম নাটক?উঃ আলোক লতা, ১৯৩৪ সাল।
আবুল মনসুর আহমেদ-এর প্রথম ছোট গল্প?উঃ আয়না, ১৯৩৫ সাল।
আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর প্রথম কাব্য?উঃ মানচিত্র, ১৯৬১ সাল।
আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর প্রথম উপন্যাস?উঃ তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, ১৯৬০ সাল
আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর প্রথম নাটক?উঃ মনক্কোর যাদুঘর, ১৯৫৮ সাল
আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর প্রথম গল্প?উঃ জেগে আছি, ১৯৫০ সাল
আলাউদ্দিন আল আজাদ-এর প্রথম প্রবন্ধ?উঃ শিল্পীর সাধনা, ১৯৫৮ সাল
আহসান হাবীব-এর প্রথম কাব্য?উঃ রাত্রি শেষ, ১৯৪৬ সাল
গোলাম মোস্তফা-এর প্রথম উপন্যাস?উঃ রূপের নেশা, ১৯২০ সাল
জসীম উদ্দিন -এর প্রথম কাব্য?উঃ রাখালী, ১৯২৭ সাল
জহির রায়হান-এর প্রথম গল্প?উঃ সূর্য গ্রহন, ১৯৫৫ সাল
নীলিমা ইব্রাহিম-এর প্রথম উপন্যাস?উঃ বিশ শতকের মেয়ে, ১৯৫৮ সাল
নূরুল মোমেন-এর প্রথম নাটক?উঃ নেমেসিস, ১৯৪৮ সাল
ফররুখ আহমদ-এর প্রথম কাব্য?উঃ সাত সাগরের মাঝি, ১৯৪৪ সাল
মুনীর চৌধুরী -এর প্রথম নাটক?উঃ রক্তাক্ত প্রান্তর, ১৩৬৮ বঙ্গাব্দ
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ-এর প্রথম ভাষাগ্রন্থ?উঃ ভাষা ও সাহিত্য, ১৯৩১ সাল
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় -এর প্রথম গল্প?উঃ মন্দির, ১৯০৫ সাল
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় -এর প্রথম উপন্যাস?উঃ পথের পাঁচালী, ১৯২৯ সাল
জীবনানন্দ দাস -এর প্রথম কাব্য ?উঃ ঝরা পালক, ১৯২৮ সাল
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় -এর প্রথম উপন্যাস?উঃ পদ্মা নদীর মাঝি, ১৯৩৬ সাল
বেগম সুফিয়া কামাল -এর প্রথম গল্প?উঃ কেয়ার কাটা, ১৯৩৭ সাল
মোহাম্মদ নজিবর রহমান -এর প্রথম উপন্যাস ?উঃ আনোয়ারা, ১৯১৪ সাল
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী -এর প্রথম কাব্য?উঃ অনল প্রবাহ, ১৯০০ সাল
মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর প্রথম ইংরেজি রচনা?উঃ ক্যাপটিভ লেডি, ১৮৪৯ সাল
মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর প্রথম নাটক?উঃ শর্মিষ্ঠা, ১৮৫৯ সাল
মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর প্রথম কাব্য?উঃ তিলত্তমা সম্ভব, ১৮৬০ সাল
মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর প্রথম মহাকাব্য?উঃ মেঘনাদ বধ, ১৮৬১ সাল
বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর প্রথম উপন্যাস ইংরেজি?উঃ রাজমোহন’স ওয়াইফ, ১৮৬২ সাল
বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর প্রথম উপন্যাস বাংলা?উঃ দুর্গেশনন্দিনী, ১৮৬৫ সাল
দীনবন্ধু মিত্র -এর প্রথম নাটক?উঃ নীলদর্পন, ১৮৬০ সাল
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় -এর প্রথম নাটক?উঃ তারাবাঈ, ১৯০৩ সাল
মীর মোশাররফ হোসেন-এর প্রথম নাটক?উঃ বসন্তকুমারী, ১৮৭৩ সাল
মীর মোশাররফ হোসেন-এর প্রথম উপন্যাস?উঃ রত্নাবতী, ১৮৬৯ সাল
রামনারায়ন তর্করত্ন -এর প্রথম নাটক?উঃ কুলীনকুল সর্বস্ব, ১৮৫৪ সাল
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ -এর প্রথম গল্প?উঃ নয়নচারা, ১৯৪৫ সাল
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ -এর প্রথম উপন্যাস?উঃ লালসালু, ১৯৪৮ সাল
হাসান হাফিজুর রহমান-এর প্রথম কাব্য?উঃ বিমুখ প্রান্তর, ১৯৬৩ সাল
শামসুর রহমান-এর প্রথম কাব্য?উঃ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, ১৯৫৯ সাল
শহীদুল্লাহ কায়সার -এর প্রথম উপন্যাস?উঃ সারেং বউ, ১৯৬২ সাল
বন্দে আলী মিঞা-এর প্রথম কাব্য?উঃ ময়নামতির চর, ১৯৩০ সাল
বেগম রোকেয়া-এর প্রথম প্রবন্ধ?উঃ মতিচুর, ১৯০৪ সাল

 

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.
সবুজপত্র
প্রকাশকাল > ১৯১৪ >
সম্পাদক > প্রমথ চৌধুরী
অবদান : বীরবলীয় রীতি বা বাংলা গদ্যে চলিত রীতি / মৌখিক ভাষারীতি প্রবর্তন প্রচলনে প্রচেষ্ঠা চালায়।
যারা লিখতেন : রবীন্দ্রনাথ , ইন্দিরা দেবী চৌধুরী , সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী প্রমুখ
 
কল্লোল পত্রিকা
প্রকাশকাল > ১৯২৩
সম্পাদক > দীনেশরঞ্জন দাশ
অবদান : বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতাবাদী আন্দোলনের প্রচেষ্ঠা
যারা লিখতেন : কাজী নজরুল ইসলাম , তারাশঙ্কর , বুদ্ধদেব বসু , প্রেমেন্দ্র মিত্র , অচিন্ত্যকুমার সেন গুপ্ত , শৈলজানন্দ
কল্লোল পত্রিকা কল্লোল যুগ সৃষ্টি করেছিল । এযুগের সাহিত্যকে ‘ত্রিশোত্তর বাংলা সাহিত্য বলে।
 
শিখা :
প্রকাশকাল : ১৯২৭
১ম সম্পাদক : আবুল হুসেন
অবদান : মুক্ত বুদ্ধির চর্চা
স্লোগান : জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ , বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট , মুক্তি সেখানে অসম্ভব ।
যারা লিখতেন : আবুল হুসেন, আবুল হাসান , কাজী আবদুল ওয়াদুদ , মোতাহার হোসেন চৌধুরী ।
 
সাপ্তাহিক ‘বেগম ’ পত্রিকার সম্পাদক কে >> নুরজাহান বেগম । প্রকাশ ১৯৪৭।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা >>শিখা, ক্রান্তি, প্রগতি, লোকায়ত
কাজী নজরুলের পত্রিকা >ধূমকেতু , লাঙ্গল , নবযুগ।
সওগাত পত্রিকার সম্পাদক >> মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন
বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক >> বঙ্কিম ( ১৮৭২)
তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক >> অক্ষয়কুমার দত্ত( ১৮৪৩)
সুধাকর পত্রিকার সম্পাদক >> শেখ আব্দুর রহিম
সমকাল পত্রিকার সম্পাদক >> সিকান্দার আবু জাফর
পূর্বাশা পত্রিকার সম্পাদক >> সঞ্জয় ভট্টাচার্য
কবিতা পত্রিকার সম্পাদক >> বুদ্ধদেব বসু
আঙ্গুর পত্রিকার সম্পাদক >> ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ